গুলশানে জিম্মি উদ্ধার অভিযান: ঘটনাক্রম

  • ২ জুলাই ২০১৬
গুলশান ছবির কপিরাইট focusbangla
Image caption অভিযানে অংশ নেয় যৌথ কমান্ডো দল

সকাল ৭ টা ৩০ মিনিট: রাতভর গুলশানের হোলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন এলাকা ঘিরে রাখার পর যৌথ সেনা, নৌ, পুলিশ, র‍্যাব এবং বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ কমান্ডো দল গুলশানে অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়।

৭ টা ৪৫ মিনিট: কমান্ডো বাহিনী অভিযান শুরু করে। অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত দলের সদস্যরা রেস্টুরেন্টের ভেতরে প্রবেশ করে। এমময় গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।

৮ টা ১৫ মিনিট: রেস্টুরেন্ট থেকে প্রথম দফায় নারী ও শিশুসহ ৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। একজনকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

ছবির কপিরাইট focusbangla
Image caption সোয়া নয়টায় অভিযান শেষ হয়

৮ টা ৫৫ মিনিট: ভবনের নিয়ন্ত্রণ নেয় অভিযানকারীরা। গোয়েন্দা দল ভবনের ভেতর বিস্ফোরকের জন্য তল্লাশি শুরু করে। কিছুক্ষন পরই আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করে গোয়েন্দারা।

৯ টা ১৫ মিনিট: অভিযান শেষ। কমান্ডো অভিযানের মধ্য দিয়ে ঢাকার গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে প্রায় ১২ ঘণ্টার রক্তাক্ত জিম্মি সংকটের অবসান হয়।

ছবির কপিরাইট focus bangla
Image caption সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাতে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন

৯ টা ৩০ মিনিট: গুলশান এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যান পুলিশ মহাপরিদর্শক।

১০ টা : ৪ জন বিদেশীসহ ১৩ জন জীবিত উদ্ধারের খবর জানানো হয়। রেস্টুরেন্টের ভেতরে অজ্ঞাত পাঁচজনের মৃতদেহ পাবার কথা পুলিশ জানায়।

১১ টা ৫০ মিনিট: অভিযানে সন্ত্রাসীদের ৬ জন নিহত এবং একজন ধরা পড়েছে বলে নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১ টা ৩০ মিনিট: আইএসপিআর থেকে এক সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয় রেস্টুরেন্ট থেকে ২০ টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘণ্টাখানেক পর আরেকটি বিবৃতিতে জানানো হয় যে সবগুলো মৃতদেহই বিদেশী নাগরিকদের।