মাঠে ময়দানে
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

তাসকিন-আরাফাত মুক্ত কিন্তু কতটা সতর্ক বিসিবি?

ছবির কপিরাইট Fous Bangla
Image caption তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানি

মার্চে ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ চলার সময় অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের যে দায় মাথার ওপর চেপে বসেছিলো, তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ এবং স্পিনার আরাফাত সানি।

এ মাসেই অস্ট্রেলিয়াতে বোলিং অ্যাকশনের সর্বশেষ পরীক্ষায় উৎরে গেছেন দুজনেই।

গত প্রায় ছ মাস ধরে তাসকিন এবং আরাফাতের বোলিং অ্যাকশনের ঠিক করার প্রধান দায়িত্ব পড়েছিলো ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোর্ডের অন্যতম বোলিং কোচ মাহবুব আলী জাকির ওপর।

কীভাবে তিনি তাসকিন ও আরাফাতকে তৈরি করেছিলেন? বিবিসিকে মি জাকি জানান, যে সব বলের জন্য ভারতে তাসকিন এবং আরাফাতকে কল করা হয়েছিলো, সেগুলো ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে তা শোধরানোর জন্য ঐ দুজনকে নিয়ে গত কয়েকমাস কাজ করেছেন তিনি।

মি জাকি জানান, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকার কারণে একদিকে ঐ দুজনের মনোবলের দিকে নজর দিতে হয়েছে। একইসাথে, অ্যাকশন শোধরানোর মূল কাজটি করতে হয়েছে।

কিন্তু তাসকিন আরাফাতের অভিজ্ঞতা থেকে কতটা সতর্ক হয়েছে বাংলাদেশে ক্রিকেট বোর্ড?

মি জাকি জানালেন, বোর্ডে একটি রিভিউ কমিটি হয়েছে। বোলিং অ্যাকশন অনেক বেশি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণ বেড়েছে কিন্তু সাসপেক্ট বোলারদের পুনর্বাসন কিভাবে হবে, কাদের দিয়ে করানো হবে সে বিষয়ে একটি শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এখনো ঠিক হয়নি।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ইয়াইয়া তোরে

ম্যানেজার-ফুটবলার লড়াই

তারকা ফুটবলার এবং তারকা কোচের মধ্যে ব্যক্তিত্বের সংঘাত নতুন কিছু নয়। তবে সম্প্রতি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে বিষয়টি যেভাবে জনসমক্ষে চলে এসেছে, তার নজির খুব একটা নেই।

পেপ গার্দিওলা এসেই গোলকিপার জো হার্টকে ইটালির একটি ক্লাবের কাছে ধারে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ইয়াইয়া তোরেকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখছেন। দলে অধিনায়ক ভিনসেন্ট কোম্পানির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

এসব নিয়ে তলে তলে চলা ঠাণ্ডা যুদ্ধের ঢাকনা অবশেষে খুলে গেছে যখন গত সপ্তাহে ইয়াইয়া তোরের এজেন্ট দিমিত্রি সেলুক গার্দিওলাকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন। মিডিয়াতে খোলাখুলি তিনি বলেছেন পেপ গার্দিওলা তার ফুটবলারদের এমনভাবে দুর-ছাই করছেন যেন তারা রাস্তার কুকুর।

প্রভাবশালী এই ফুটবল এজেন্ট বিবিসিকে বলছিলেন,"পেপ গার্দিওলা শুধু নিজের স্বার্থ বোঝেন। তিনি মনে করেন ফুটবলের ঈশ্বর হয়ে গেছেন তিনি। আসলে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ফুটবলারদের গার্দিওলা সহ্য করতে পারেন না।"

শুনে প্রচণ্ড ক্ষেপে গেছেন গার্দিওলা। বলেছেন সেলুক যতক্ষণ তাকে ফোন করে ক্ষমা না চাইবেন, ততক্ষণ ইয়াইয়া তোরেকে তিনি মাঠে নামাবেন না। কিন্তু সেলুক বলেছেন ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসেনা।

ইংলিশ ক্লাব ফুটবলে প্রায় নজিরবিহীন প্রকাশ্য এই কাদা ছোড়াছুড়ি কেন?

ক্রীড়া বিশ্লেষক মিহির বোস বলছেন, ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে অনেক ফুটবলার এখন সেলেব্রিটি, তাদের আয় ম্যানেজারের চাইতেও বেশি। ফলে, ব্যক্তিত্বের সংঘাত অবধারিত হয়ে পড়েছে। মিহির বোস বলেন, ফুটবল এজেন্টরা এই সব সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন। কারণ, এই এজেন্টরা মনে করেন তাদের ক্লায়েন্টদের মর্যাদার সাথে তাদের ব্যবসার স্বার্থ এবং সুনামও জড়িত।

সম্পর্কিত বিষয়