সুশান্ত পাল ওএসডি, মানসিক চিকিৎসার আদেশ

সুশান্ত পাল সরকারের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার ছবির কপিরাইট facebook page
Image caption সুশান্ত পাল সরকারের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার - ছবিটি তাঁর ফেসবুক পাতা থেকে নেয়া

ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য ও কটূক্তি করার অভিযোগ ওঠার পর সরকারের একজন কাস্টমস কর্মকর্তাকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুশান্ত পাল নামের ঐ কর্মকর্তাকে তাৎক্ষনিক ভাবে অবমুক্ত করা বা স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

একই সাথে তাঁর মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও আদেশ দেয়া হয়েছে বোর্ডের প্রজ্ঞাপনে।

ঠিক কী কারণে মি. পালকে ওএসডি করা হয়েছে, সে সম্পর্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশে কিছু বলা হয়নি।

তবে এতে বলা হয়েছে যে 'সুশাসন ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামোর জিরো টলারেন্স নীতির' আওতায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তবে কাস্টমসের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ফেসবুকে অশোভন মন্তব্য করায় সহকারী কমিশনার অব কাস্টমস সুশান্ত পালকে এনবিআর ওএসডি করেছে।

Image caption জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রজ্ঞাপন

একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের ঐতিহ্য ও গৌরব। তাঁর এই মন্তব্য এই প্রতিষ্ঠানকে অবমাননা এবং অনেককে আহত করেছে মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, সুশান্ত পালকে রংপুরে সংযুক্ত করে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এ ব্যাপারে আরও ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকের পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই ব্যবস্থা নেয়।

এর আগে বৃহস্পতিবারই একজন ছাত্র শাহবাগ থানায় মি. পালের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করেন এবং এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

তবে মি. পাল আগেই এ ব্যাপারে ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।