আওয়ামী লীগের গোলাগুলিতে আহত সাংবাদিকের মৃত্যু, খবর শুনে মারা গেলেন নানীও

ছবির কপিরাইট Daily Samakal
Image caption নিহত সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুলের রক্তাক্ত পরিচয়পত্র

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপের সংঘর্ষে সিরাজগঞ্জে গুলিবিদ্ধ এক সাংবাদিক শুক্রবার মারা গেছেন। আর এই খবর বাড়িতে এসে পৌঁছানোর পর মারা গেছেন ঐ সাংবাদিকের নানীও।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় গুলিতে আহত হন দৈনিক সমকালের স্থানীয় প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। সেখান থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে শুক্রবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

এই খবর শুনে তাঁর নানী রোকেয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন।তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছিল।তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৯০বছর বয়স্ক রোকেয়া বেগম বার্ধক্যজনিত নানান রোগে ভুগছিলেন। এরইমাঝে গুলিতে নাতির নিহত হওয়ার খবর শুনে তা সহ্য করতে পারেননি।

তাঁর মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ হয় এবং তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান।এখন নাতি এবং নানী, দু'জনেরই দাফন শনিবার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁদের পরিবার।

বৃহস্পতিবার শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুল গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন।তাঁকে হত্যার অভিযোগে মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং সেখানকার পৌর মেয়র হালিমুল হকের দুই ভাইকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শাহজাদপুরে সাংবাদিকের মৃত্যুর ঘটনা তারা দলীয়ভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

সম্পর্কিত বিষয়