বিশ্বকাপ ২০১৮: পোল্যান্ডের বিপক্ষে সেনেগালের দ্বিতীয় গোলটি নিয়ে কেন বিতর্ক?

বল নিয়ে মাঠে এমবায়ে নিয়াং-এর অ্যকশান।

ছবির উৎস, Quality Sport Images

ছবির ক্যাপশান,

বল নিয়ে মাঠে এমবায়ে নিয়াং-এর অ্যকশান।

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের খেলায় এমন অনেক দল সবাইকে চমকে দিচ্ছে যাদের নিয়ে সেভাবে হয়তো ভাবেননি ফুটবল ভক্তরা।

তাদের একটি হল সেনেগাল। পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুরুটা বেশ ভালোই হয়েছে সেনেগালের।

তাদের এই জয় এবারের বিশ্বকাপে আফ্রিকান কোনও দলের প্রথম।

২০০২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি যারা লায়ন্স অফ তেরাঙ্গা নামে পরিচিত।

কিন্তু শুরুটা একটু বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে। ৩৭ মিনিটে পোলিশ ডিফেন্ডার থিয়েগো সিওনেকের পায়ে লেগে বল নিজেদের জালেই ঢুকে গেলে সেনেগাল এক গোলে এগিয়ে যায়।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ মিনিটে এমবায়ে নিয়াং-এর করা যে গোলটি তাদের জয় নিশ্চিত করেছে সেটি নিয়ে মাঠেই তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করেছে পোলিশ খেলোয়াড়েরা।

কিন্তু কী ঘটেছিলো তখন?

এমবায়ে নিয়াং আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কিছুক্ষণের জন্য মাঠের বাইরে গিয়েছিলেন। খানিক বাদেই দৌড়ে মাঠে ঢোকেন।

সাথে সাথেই মাঝমাঠ থেকে একটি ব্যাকপাসে আসা বল নিয়ে দ্রুত দৌড়ে গোলপোস্টের দিকে যেতে থাকেন।

আরো পড়ুন :

ছবির উৎস, Jean Catuffe

ছবির ক্যাপশান,

তবে তাঁর গোল নিয়ে চলছে বিতর্ক

পোলিশ গোলকিপার ভয়চেখ স্টেন্সনেহ ডি বক্সের বেশ কিছুদূর বাইরে এগিয়ে এসেছিলেন।

তাকে পেছনে ফেলে দারুণ বেগে দৌড়াতে থাকেন এমবায়ে নিয়াং।

তাকে মাঠে দেখে সবাই যেন একটু ভড়কে যায়। রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ইয়ান বেডনারেক একই গতিতে তার পেছনে ছুটে ঠেকানোর চেষ্টা করেন।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তবে গোলের পরপরই রেফারির কাছে প্রতিবাদ জানায় পোলিশরা।

তবে সেই প্রতিবাদ কানে তোলেন নি রেফারি নাওয়াফ শুক্রালা।

ছবির উৎস, VI-Images

ছবির ক্যাপশান,

সেনেগাল চমকে দিয়েছে সবাইকে।

বিতর্কের জায়গাটি হল আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাঠের বাইরে যাওয়ার পর আবার কখন ঢুকে গেলেন এমবায়ে নিয়াং।

ঢোকার আগে তাকে রেফারি অনুমতি দিয়েছিলেন কিনা। অনুমতি ছাড়াই তিনি মাঠে ঢুকেছিলেন কিনা।

তার করা গোলটি তাহলে আদৌ হয়েছে কিনা সেনিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে। ঢোকার পরে কেউ তাকে খেয়ালই করেনি।

তাই এক ধরনের বিভ্রান্তিও বোধহয় তৈরি হয়েছিলো।

বেডনারেক এবং কিপার ভয়চেখও ভুল করেছিলেন বলে মনে করেন অনেকে।

কিন্তু এরপর মরিয়া হয়ে ওঠে পোলিশরা। খেলার শেষ মুহূর্তে ৮৬ মিনিটেরে মাথায় এক ফ্রি কিক নিয়ে জেগশ গোল দিয়ে দলের জন্য শেষ চেষ্টা করেছিলেন।

তবে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

ভিডিওর ক্যাপশান,

আবেগের জোয়ার