৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া প্রসঙ্গে বিতর্ক

আপনার ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ভার্সনটি সঠিক নয়

বিকল্প এভি ফরম্যাট চালান

সংসদে প্রতি সপ্তাহে উত্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোচিত বিষয়াবলী নিয়ে আয়োজিত ‘সংসদ এ সপ্তাহে’ এর চলতি সিরিজের শেষ পর্বটি অনুষ্ঠিত হয় গত ৬ই নভেম্বর, ২০০৯ তারিখে। আকবর হোসেনের সঞ্চালনায় এবারের আয়োজনে অতিথি হিসেবে স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, বিএনপি’র সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জুঁই চাকমা। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা চলতি সপ্তাহে সংসদ অধিবেশনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে তাদের বক্তব্য, মতামত তুলে ধরেন এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো সংসদে এ সপ্তাহে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য বিষয়াবলী নিয়ে মাহামুদুল করিম চঞ্চলের একটি প্রতিবেদন। প্রতিবেদনের শুরুতে বলা হয়, গত ৪ঠা অক্টোবর সংবিধান দিবসে সংসদ সদস্যরা ’৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার আহবান জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় ’৭২ এর সংবিধানের মূলনীতিতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে জানিয়ে পুণরায় ’৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন। একই সাথে তিনি (শেখ হাসিনা) এও জানান, ’৭২ এর সংবিধান পুণরায় ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর বিষয়গুলি বিবেচনা করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংসদে এবারই প্রথম দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র (পিআরএসপি) নিয়ে সংসদে সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পিআরএসপি নিয়ে সাধারণ আলোচনায় সরকারদলীয় সাংসদ সদস্যরা দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্রের সমালোচনা করেন।

প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, সংসদে এ সপ্তাহে সরকারি খাতে ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার জন্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিল পাশ হয়েছে। এর ফলে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত সরকারি ক্রয়ে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগবে না। প্রধান বিরোধী দল এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিলের এই বিশেষ সুবিধাটির সমালোচনা করে। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা জয়নাল আবদীন ফারুক অভিযোগ করেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিলের মাধ্যমে আইনগতভাবে টেন্ডারবাজির অনুমোদন দেয়া হলো। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে কোন প্রকার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ২ কোটি টাকা পর্যন্ত সরকারি ক্রয়ে অংশগ্রহনের বিধানকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনের পরপরই রেহেনা আক্তার রানুর কাছে জানতে চাওয়া হয় ’৭২ এবং সংবিধানে ফিরে আসার বিষয়ে বিএনপি কেন প্রবল আপত্তি তুলছে?

এ প্রসংগে রেহেনা আক্তার রানু তার একজন শিক্ষকের উদ্ধতি দিয়ে ’৭২ এর সংবিধানকে চারপায়ের একটি ছাগলের সাথে তুলনা করেন। তিনি মনে করেন, ’৭২ এর সংবিধানের ধারাগুলি পারস্পারিক সামঞ্জস্যপূর্ন নয়। এর পাশপাশি তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগই প্রথম ’৭২ এর সংবিধানে কাঁটাছেড়া করে বাকশাল কায়েম করেছিলো।

এরপর মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ’৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে বিরোধী দলের আপত্তির বিষয়ে তিনি কি মনে করেন?

ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়

মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ

এ প্রসংগে বলতে গিয়ে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন মনে করেন, সংবিধান হিসেবে ’৭২ এর সংবিধান অনেক বেশী পরিপূর্ণ। তিনি অভিযোগ করেন, নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ক্ষমতাসীন পক্ষ বারবার ’৭২ এর সংবিধানকে কাটাছেড়া করেছে। রেহেনা আক্তার রানুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগনের উন্নয়নের লক্ষ্যে পরীক্ষমূলকভাবে বাকশাল ব্যবস্থার চালু করতে চেয়েছিলো। তিনি মনে করেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবড়ি করা ঠিক না হলেও ’৭২ এর সংবিধানকে কাঁটাছেড়া করে এতে ধর্ম টেনে আনা হয়েছে।

এরপর রেহেনা আক্তার রানুর কাছে জানতে চাওয়া হয় ’৭২ এর সংবিধানের কোন মূলনীতিতে বিএনপি’র আপত্তি সবচেয়ে বেশী?

জবাবে রেহেনা আক্তার রানু প্রথমেই প্রশ্ন তুলেন, ’৭২ এর সংবিধানে ফিরে গিয়ে সরকার কেন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে না নিয়ে পিছনের দিকে যেতে চাইছেন? তিনি মনে করেন, দেশের জনগন সংবিধান পরিবর্তনের চেয়ে তাদের মৌলিক অভাব পূরণের নিশ্চয়তা পেতে বেশী আগ্রহী।

রেহেনা আক্তার রানুর মতামতের বিষয়ে মি. মহিউদ্দীনের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি রেহেনা আক্তার রানুর সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি জানান, সরকার ’৭২ এর সংবিধানের যুগোপযোগী এবং আধুনিক ধ্যান ধারণাগুলিকে গ্রহণ করবে।

সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছেন, আজকে ‘ডিজি’ বাদ হয়ে সবকিছু ‘টাল’ হয়ে গেছে

রেহেনা আক্তার রানু, সংসদ সদস্য, বিএনপি

এরপর রেহেনা আক্তার রানুর কাছে জানতে চাওয়া হয় দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র নিয়ে সংসদে যে আলোচনা হয়েছে সে বিষয়টি বিএনপি কিভাবে দেখছে?

রেহেনা আক্তার রানু এ বিষয়ে তার মতামত দিতে গিয়ে জানান, দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্রের ফলে মাতৃমৃত্যু এবং শিশুমৃত্যুর হার কমেছে। তিনি আরও জানান, খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচী নারীশিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্রকে স্বাগত জানান।

দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র নিয়ে মি. মহিউদ্দীন মনে করেন, দাতাগোষ্ঠীদের তৈরী পরামর্শ দিয়ে সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তিনি আরও মনে করেন, দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্রের মাধ্যমে জনগনের স্বাস্থ্য, শিক্ষার উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা সম্ভব হলেও দাতাগোষ্ঠীর পরামর্শগুলি নতুন করে চিন্তা করা উচিত।

এরপর রেহেনা আক্তার রানুর কাছে জানতে চাওয়া হয় সম্প্রতি পাশ হওয়া পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিলে সরকারী ক্রয় এবং অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত বিধানটি নিয়ে বিএনপি আপত্তি তুলছে কেন?

রেহেনা আক্তার রানু এ প্রশ্নের জবাবে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের চাঁদাবজি-টেন্ডারবাজির মাত্রা দেখেই বিএনপি পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিলে সরকারী ক্রয় এবং অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত বিধানটি নিয়ে আপত্তি তুলছে।

এরপর মি মহিউদ্দীনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিল নিয়ে বিরোধী দল টেন্ডারবাজি এবং চাঁদাবজির যে আশংকা করছে সরকার কিভাবে সেটির নিরাপত্তা দিবে?

মি মহিউদ্দীন রেহেনা আক্তার রানুর অভিযোগকে প্রত্যাখান করেন। তিনি সরকারের সমালোচনার করার আগে চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি নিয়ে বিএনপি’র অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করার কথা উল্লেখ করেন।

আমরা নিজেদেরকে আদিবাসী বলে পরিচয় দিতে বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

জুঁই চাকমা, ছাত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে উপস্থাপক জানিয়ে দেন এ সপ্তাহের সংসদ অধিবেশনে দুটি বিল পাশ হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো স্থানীয় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বিল (২য় সংশোধনী)। এই বিলটি পাশ হওয়ার ফলে ২০১০ সালের ২৫শে জানুয়ারির মধ্যে নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দল তাদের সংশোধিত গঠনতন্ত্র জমা না দিলে নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে। এছাড়া সংসদে পাশ হওয়া অপর বিলটি হলো বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন বিল, ২০০৯। এর ফলে চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহারকারী শ্রমিক-কর্মচারীরা সমষ্টিগত ভাবে এবং শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকরা স্ব স্ব বন্দরে একটি করে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে পারবেন। এছাড়া এ সপ্তাহের সংসদ অধিবেশনে পোস্ট অফিস সংশোধন আইন, ২০০৯, জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সংশোধন বিল, ২০০৯ এবং বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০০৯ বিলগুলি উত্থাপিত হয়েছে।

এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জুঁই চাকমার দৃষ্টিতে সংসদে আলোচিত বিষয়াবলীর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি তুলে ধরা হয় ‘এ সপ্তাহের স্পট লাইট’ অংশে।

জুঁই চাকমা চলতি সংসদ অধিবেশনে উত্থাপিত নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত বিলটি নিয়ে মতামত প্রদান করেন। একইসাথে তিনি মনে করেন, নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিলটির নামকরণে নৃ-তাত্ত্বিক শব্দটির পরিবর্তে আদিবাসী কথাটি উল্লেখ করা হলে ভালো হতো।

এ সপ্তাহের স্পট লাইটের পরপরই জুঁই চাকমা আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে স্টুডিওতে যোগ দেন। তিনি নৃ-তাত্ত্বিক এবং আদিবাসীর শব্দগত বিষয়ে তার উদ্বেগের কারণ হিসেবে জানান, জাতিসংঘ ‘আদিবাসী’ শব্দটিকে প্রাধান্য দেয় এবং আদিবাসীরাও নিজেদেরকে আদিবাসী পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তিনি আরও জানান, নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী বলতে আদিবাসীর পাশাপাশি অন্যান্য জনগোষ্ঠীকেও নির্দেশ করে তাই স্বকীয়তা বজায় রাখার জন্য তিনি ‘আদিবাসী’ শব্দটির উপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সাথে তিনি জানান, নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিলটি সম্পর্কে আদিবাসীদের মধ্যে অনেকেই অবগত নন। তিনি মনে করেন, আদিবাসী সংক্রান্ত এই বিলটি সংসদে উত্থাপনের আগে বিষয়টি নিয়ে সংসদের বাইরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাথে আলোচনা করা উচিত ছিলো।

এরপর মি মহিউদ্দীনের কাছে জানতে চাওয়া হয় সংসদে আইন পাশ হওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে এর সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষরা বিষয়টি নিয়ে অবগত থাকেন না কেন?

এ প্রসংগে মি মহিউদ্দীন জানান, নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত বিলটি সংসদে উত্থাপন হয়েছে মাত্র। তিনি মনে করেন, নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত বিল নিয়ে আদিবাসীরা সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যের সাথে আলোচনা করতে পারেন। তিনি আরও মনে করেন, নৃ-তাত্ত্বিক এবং আদিবাসীর শব্দগত জটিলতা সমাধানের বিষয়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাথে আলোচনা করার সবচেয়ে উত্তম। তিনি আশ্বাস দেন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতামতটি সংসদে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে তাদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যকে তিনি অনুরোধ করবেন।

এরপর রেহেনা আক্তার রানুর কাছে জানতে চাওয়া হয় নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত বিলটি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য কতটুকু প্রয়োজনীয়?

এ প্রসংগে রেহেনা আক্তার রানু মনে করেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত বিলটির প্রয়োজন আছে। এর পাশাপাশি তিনি এও মনে করেন, আদিবাসী সংক্রান্ত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করার আগে আদিবাসীদের মতামত নেয়ার প্রয়োজন ছিলো।

এরপর জুঁই চাকমার কাছে জানতে চাওয়া হয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত আইনের ফলে সংস্কৃতির বিকাশ সাধন করা সম্ভব কিনা?

জুঁই চাকমা বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে মনে করেন, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ সম্পর্কিত আইন সৃষ্টির ফলে সংস্কৃতির বিকাশ সাধন করা সম্ভব। সবশেষে তিনি মনে করেন, আদিবাসীদের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশের জন্য সরকারকে আরও বন্ধুত্বপূর্ন আচরণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানটি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত হয় গত ৬ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত সাড়ে দশটায়

সংসদ এ সপ্তাহেপ্রযোজনা করেছেন ক্রেইগ স্কট

সর্বশেষ সংবাদ

অডিও খবর

ছবিতে সংবাদ

বিশেষ আয়োজন

BBC navigation

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻