সাবেক স্পিকারের কথিত দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ

চলতি সংসদ অধিবেশনে প্রতি সপ্তাহে উত্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোচিত বিষয়াবলী নিয়ে আয়োজিত ‘সংসদ এ সপ্তাহে’ এর এবারের পর্বটি অনুষ্ঠিত হয় গত ১৬ই অক্টেবর, ২০০৯ তারিখে। আকবর হোসেনের সঞ্চালনায় এবারের আয়োজনে অতিথি হিসেবে স্টুডিওতে এসেছিলেন সরকার দলীয় সাংসদ মেহের আফরোজ চুমকি এবং বিএনপি’র সাংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এছাড়া বিশ্লেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কন্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবী। আমন্ত্রিত অতিথিরা চলতি সপ্তাহে সংসদে আলোচিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁদের মতামত দেন এবং এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন৻

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো সংসদে এ সপ্তাহে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য বিষয়াবলী নিয়ে মাহামুদুল করিম চঞ্চলের একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হয়, এ সপ্তাহের সংসদ অধিবেশনে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমীরুদ্দীন সরকার, সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী এবং সাবেক চিফ হুইপ খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের কথিত দুর্নীতি তদন্তের দায়িত্ব দুর্নীতি দমন কমিশনকে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিবেদক জানান, বিধি বহির্ভূতভাবে সাবেক এই তিনজন সাংসদ যে অর্থ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, ঐ অর্থ আদায় এবং তাঁদের কথিত অনিয়ম তদন্তের দায়িত্ব দুর্নীতি দমন কমিশন দেওয়া সহ পাঁচ দফা প্রস্তাব গ্রহন করে সংসদ। প্রতিবেদক আরও জানান, সাবেক স্পিকারের সদস্যপদ বাতিলের প্রস্তাবটি বাদ দিয়ে সরকারী জোটের সাংসদ রাশেদ খান মেননের ৬ দফা প্রস্তাব খন্ডিতভাবে গৃহীত হয়।

তদন্ত কমিটির সুপারিশের (অভিযুক্ত সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল) মূল বিষয়টি বাদ যাওয়ার বিষয়ে সর্বদলীয় তদন্ত কমিটির সভাপতি ফজলে রাব্বী মিঞা বলেন, সংসদের সিদ্ধান্তে কমিটি অসস্তুষ্ট নয়।

এছাড়া সরকারী জোটের সাংসদ সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত ‘পয়েন্ট অব অর্ডারে’ একটি জাতীয় দৈনিকে রাষ্ট্রপতির সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এহতেশামকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন। মি গুপ্ত জানান, ২০০১ সালে সিলেট সফরে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনাকারী এক জঙ্গিকে, বিডিআর-এ কর্মরত থাকাকালীন, মি এহতেশাম চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে স্পিকার মনে করেন, সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নিবে এবং সংসদকে বিবৃতির মাধ্যমে অভিহিত করবে। তবে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বা প্রতিরক্ষামন্ত্রী সংসদে এখন পর্যন্ত কোন মন্তব্য করেননি।

প্রতিবেদনের পরপরই মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, রাষ্ট্রপতির সাবেক সামরিক সচিবের বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করা হলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন বিবৃতি না আসার কি কারণ থাকরেত পারে৻

এ প্রসংগে মেহের আফরোজ চুমকি বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন এবং স্পর্শকাতর বলে অভিহিত করেন।

এরপর তার কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, মি এহতেশামকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব থেকে রংপুরের জিওসি হিসেবে বদলি করাকে পদোন্নতি নাকি পদাবনতি হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে৻

মেহের আফরোজ চুমকি এর উত্তরে জানান, সংসদের আলোচনায় বিষয়টি জানা যাবে।

এরপর নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাছে জানতে চাওয়া হয়, মি এহতেশামকে নিয়ে সংসদে প্রতিরক্ষমন্ত্রীর বিবৃতি দাবির বিষয়টিকে তিনি কিভাবে দেখছেন৻

মি মঞ্জু এই দাবীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, সংসদে বিবৃতি দিয়ে মি এহতেশামকে নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করা উচিত।

এরপর মি মঞ্জুর কাছে জানতে চাওয়া হয়, জঙ্গিদের দীর্ঘ জবানবন্দীতে মি এহতেশামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়ার পর তৎকালীন জোট সরকার কি বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে নিয়েছিল কিনা৻

এ প্রশ্নের জবাবে মি মঞ্জু বলেন, তাঁর মতে, মি এহতেশামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার সাথে সাথে সেটি ঝুলিয়ে না রেখে বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি করা উচিত ছিলো।

এরপর সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারকে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করতে অনুরোধ করা হলে, তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

এরপরই মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয়, দুর্নীতির অভিযোগে এসব সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল করতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ গৃহীত না হওয়ার বিষয়টি তিনি কিভাবে দেখছেন৻

মেহের আফরোজ চুমকি তাঁর উত্তরে বলেন, এই আলোচনায় বিরোধী দল উপস্থিত থাকলে বিষয়টি নিয়ে আরও ফলপ্রসূ আলোচনা করা সম্ভব হতো।

এরপর মি মঞ্জুর কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, সংসদ সদস্য পদ বাতিলের সুপারিশটি সংসদে গ্রহন না করার বিষয়ে কোন রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছিল কিনা৻

এ বিষয়ে মি মঞ্জু জানান, সাবেক সাংসদদের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের সুপারিশটি গ্রহন না করার সিদ্ধান্ত কোন প্রকার রাজনৈতিক সমঝোতার ফসল নয়। তিনি আরও মনে করেন, সাংসদরা দুর্নীতি করলে সেটি তদন্ত করার প্রয়োজন আছে। তবে অভিযোগকারীদেরই বিষয়টির তদন্তভার দেয়ার সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে জন সাধারণের প্রতিক্রিয়ায় দেখা যায় যে, তাঁদের একজন মনে করেন, সাংসদদের দুর্নীতির বিষয়ে সংসদ সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আবার কেউ বা মনে করেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সাংসদদের সংসদ সদস্যপদ বাতিল করা উচিত।

অন্য একজন এ বিষয়ে বলছেন, তাঁর ধারণা, বিরোধী দলকে সংসদে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়েছে।

এরপর মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিএনপিকে সংসদে আনতে সাবেক সাংসদদের দুর্নীতির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোন ছাড় দেয়া হয়েছে কিনা৻

মেহের আফরোজ চুমকি এ প্রশ্নের জবাবে বলেন, স্পিকার সাংসদদের দুর্নীতির বিষয়ে সংসদের অবস্থানের কথা জানিয়ে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণ করেছেন এবং উপস্থিত সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করেছেন। তিনি মনে করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন সাংসদদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পেলে অভিযুক্ত সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়া উচিত।

মি মঞ্জুর কাছে জানতে চাওয়া হয় সংসদ সাবেক স্পিকার, সাবেক ডেপুটি স্পিকার, এবং সাবেক চিফ হুইপের সংসদ সদস্যপদ বাতিল না করার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটি বিএনপি’র কাছে কতখানি স্বস্তিদায়ক৻

মি মঞ্জুর এ প্রশ্নের উত্তরে বলেন, অভিযুক্ত তিনজন সাবেক সাংসদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক কিনা এটি নির্ধারন করবেন আদালত। তিনি জানান, শুধুমাত্র সাবেক তিনজন সাংসদদের বিরুদ্ধে কথিত দুর্নীতির অভিযোগে বিএনপি সংসদ বর্জন করেনি। এর পাশপাশি তিনি মনে করেন, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি সরকারের কাছ থেকে আরও সম্মান আশা করে।

সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দলকে যথাপোযুক্ত সম্মান না দেয়ার অভিযোগ সাকচ করে দিয়ে মেহের আফরোজ চুমকি বলছেন, তাঁর ধারণা, সংসদে সামনের সারির আসন নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হওয়ার কারণেই সংসদ বর্জন করেছে।

এরপর মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয় সাবেক সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং তদন্তের সাথে জাতীয় নির্বাচনের যে সম্পর্কের কথা মি সরকার বলেছেন সে বিষয়টি তিনি কিভাবে দেখছেন?

মেহের আফরোজ চুমকি, মি সরকারের অভিযোগ নাকচ করে দেন। তিনি জানান, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে উপস্থাপক জানিয়ে দেন এ সপ্তাহের সংসদে দুটি বিল পাশ হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো ‘জাতির পিতার পরিবারের নিরাপত্তা বিল-২০০৯’ (এর ফলে জাতির পিতার পরিবারের সদস্যগন স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের অধীনে আজীবন ভিআইপি নিরাপত্তা সুবিধা ভোগ করবেন)। সংসদে পাশ হওয়া অপর বিলটি ছিলো ‘দি জুট এ্যামেন্ডমেন্ট বিল-২০০৯’ (এর ফলে ম্যাট্রিক পদ্ধতির সাথে সমন্বয় সাধনের জন্য পাট অধ্যাদেশে কাঁচা বেইলের ওজন কিলোগ্রাম হিসেবে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে)।

এরপর ফাহমিদা নবীর বিবেচনায় সংসদে আলোচিত বিষয়াবলীর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি তুলে ধরা হয় ‘এ সপ্তাহের স্পট লাইট’ নামক প্রতিবেদনে।

এ সপ্তাহের স্পট লাইটে ফাহমিদা নবী সংসদে সামনের সারির আসনধারী সাংসদদের অনুপস্থিতির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, সংসদে সামনের সারির সাংসদদের অনুপস্থিতির বিষয়ে স্পিকারকেও উষ্মা প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, দেশের জনগনও চায় সামনের সারির নেতারা সংসদে উপস্থিত থাকুন এবং যে আইনগুলি নিয়ে সংসদে আলোচনা হচ্ছে সে আলোচনায় অংশগ্রহন করুন।

এরপরই ফাহমিদা নবী আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে স্টুডিওতে যোগ দেন। সংসদে আলোচিত বিভিন্ন বিষয়গুলির মধ্যে থেকে সামনের সারির সাংসদের অনুপস্থিতির বিষয়টি বেছে নেয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের আইন প্রণয়নের কেন্দ্রস্থলের এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এর পাশাপাশি তিনি মনে করেন, সংসদ সদস্যদের একটি পরিবার হিসেবে গন্য করে এ পরিবারের সদস্যদের ভেতরকার বিভিন্ন সমস্যাগুলি সমাধানের উপর গুরুত্ব দেয়া উচিত।

এরপর মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয় সামনের সারির সংসদ সদস্যদের সংসদে উপস্থিতির বিষয়ে এত অনাগ্রহ কেন?

এ প্রশ্নের জবাবে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, তাঁর মতে, সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন আলোচনা এবং সমালোচনা মাধ্যমে সংসদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেন।

এরপর সংসদে সামনের সারির সাংসদদের অনুপস্থিতির বিষয়ে মি মঞ্জুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি মনে করেন, সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতির কারণে সংসদে কোরাম-সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি আরও মনে করেন, বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে সংসদ নিরুত্তাপ হয়ে গেছে এবং এটি জনগনের কাছে আস্থা হারাচ্ছে।

এরপর ফাহমিদা নবীর কাছে জানতে চাওয়া হয় সংসদ সদস্যদের আচরণ এবং অনুপস্থিতি নিয়ে স্পিকারের উষ্মা প্রকাশের বিষয়টি তিনি কিভাবে দেখছেন?

ফাহমিদা নবী বলেন, সংসদে সাংসদদের অনুপস্থিতির বিষয়ে সাধারণ জনগনের অংশ হিসেবে তিনি আতংক বোধ করছেন।

এরপর মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয় সরকারি দলের সাংসদ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী স্পিকারকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন এ বিষয়ে তিনি কি মনে করেন৻ (উল্লেখ্য মি লতিফের মন্তব্যটি ছিলো, ‘স্পিকার প্রভু নন, সেবক।‘)

মেহের আফরোজ চুমকি বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে মনে করেন, মি লতিফ স্পিকার নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন সেটি সম্পূর্ণ তাঁর (মি লতিফের) নিজস্ব মতামত।

মি লতিফের মন্তব্যের বিষয়ে মি মঞ্জুর মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি দাবী করেন, সংসদে স্পিকারের বক্তব্যের মাধ্যমে সংসদের সার্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি মনে করেন, স্পিকারকে নিয়ে মি লতিফ যে মন্তব্য করেছেন সেটি সমীচীন হয়নি। তিনি আরও মনে করেন, সংসদকে কার্যকর করার জন্য স্পিকারের বক্তব্য এবং সংসদের সার্বিক বিষয়গুলি নিয়ে ভাবা উচিত।

মেহের আফরোজ চুমকির কাছে জানতে চাওয়া হয় বিরোধী দল যতদিন সংসদে আসছে না ততদিন পর্যন্ত কি সংসদ নিরুত্তাপ থাকবে?

এ প্রশ্নের জবাবে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, বিরোধী দলের অনুপস্থিতির কারণে সংসদ কিছুটা নিরুত্তাপ থাকবে।

এরপর ফাহমিদা নবীর কাছে জানতে চাওয়া হয় সংসদে সরকারদল ও বিরোধীদল নিয়ে তিনি কি প্রত্যাশা করেন?

এ বিষয়ে ফাহমিদা নবী বলছেন, তাঁর মতে, সরকারের সমালোচনার জন্য এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিরোধী দলের সংসদে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে উপস্থাপক জানান, জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশন আগামী ২৮শে অক্টোবর, ২০০৯ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষনা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানটি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত হয় গত ১৬ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত সাড়ে দশটায়

সংসদ এ সপ্তাহেপ্রযোজনা করেছেন ক্রেইগ স্কট