ধর্ম যার যার রাস্ট্র সবার

প্যানেল সদস্যরা (বাঁ থেকে): এইচ টি ইমাম, কাবেরী গায়েন, উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা, সালাউদ্দিন বাবর এবং হাফিজউদ্দিন আহমেদ।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

এবারের বাংলাদেশ সংলাপের আয়োজন ছিলো ঢাকায় গত ৩১শে অক্টোবর, ২০০৯ তারিখে। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বঙ্গব্ন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এবারের সংলাপের প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন এবং দৈনিক নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর। আমন্ত্রিত দর্শকরা মিলনায়তনে প্রবেশের সময় যে লিখিত প্রশ্নগুলো জমা দেন প্রতিবারের মতো তা থেকেই বাছাই করে নেয়া হয় এবারের বাংলাদেশ সংলাপের প্রশ্ন সমূহ। প্যানেল সদস্যরা উত্থাপিত প্রশ্নের উপর তাৎক্ষনিকভাবে তাদের বক্তব্য কিংবা মতামত দেন। সেই সাথে উপস্থিত অন্য দর্শকরাও সেইসব প্রশ্নের উপর বিভিন্ন মতামত প্রদানের এবং সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, সম্প্রতি সাংসদ শেখ ফজলুর করিম সেলিম জাতীয় সংসদে অভিযোগ করেন, ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং সংসদ সদস্য ফজলে নুর তাপসের উপর বোমা হামলার সাথে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া জড়িত। তিনি জানতে চান বিষয়টি কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই বলেন হাফিজউদ্দিন আহমেদ। প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মি সেলিমের অভিযোগকে তিনি হাস্যকর এবং দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। একইসাথে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আলোচনার জায়গা থেকে সংসদ দিন দিন সরে আসছে।

কাবেরী গায়েন এ প্রসংগে মনে করেন, সংসদে কোন অভিযোগ করার আগে সাংসদদের উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ সহ তার বক্তব্য উত্থাপন করা উচিত। তিনি মনে করেন, উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ ছাড়া দেয়া বক্তব্য বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।

এসময় একজন দর্শক জানতে চান, প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা কেন মি তাপসের উপর বোমা হামলার পরে নিন্দা প্রস্তাব জ্ঞাপন করলেন না?

দর্শকদের মধ্যে আরেকজন মনে করেন, মি সেলিম উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই প্রধান বিরোধী দলীয় নেতাকে অভিযুক্ত করেছেন।

আরেকজন দর্শক মনে করেন, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া সংসদে কোন বিষয় নিয়ে সময়ক্ষেপন করা ঠিক নয়।

সালাউদ্দিন বাবর বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে মনে করেন, তদন্তাধীন কোন বিষয় নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কোন ব্যক্তির কোন প্রকার মন্তব্য করা ঠিক নয়। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে পরস্পারিক শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে অনাকাঙ্খিত বলে উল্লেখ করেন।

এইচ টি ইমাম এ প্রসংগে বলতে গিয়ে জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরাবরই প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে এসেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার সাথে প্রধান বিরোধী দলের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করার উপায় নেই।

হাফিজউদ্দিন আহমেদ এ প্রসংগে আরও যোগ করতে গিয়ে মনে করেন, বিচারাধীন কোন বিষয় নিয়ে মন্তব্য কার ঠিক নয়। তিনি মনে করেন, সংসদে কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে বলা উচিত। তিনি আরও মনে করেন, সস্তা বাহবা পাওয়ার জন্যেই মি সেলিম সংসদে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বোমা হামলার অভিযোগ তুলেছেন।

কাবেরী গায়েন এ বিষয়ে আরও বলতে গিয়ে জানান, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য না করার পরামর্শ দিতে গিয়ে হাফিজউদ্দিন আহমেদ নিজেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলা (যেটি বিচারাধীন রয়েছে) মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও জানান, জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট থাকাবস্থায় আইন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার কাজ বন্ধ করেছিলেন।

এইচ টি ইমাম বিষয়টি নিয়ে আরও যোগ করতে গিয়ে অভিযোগ করেন, চার দলীয় জোট সরকারের আমলে সংসদে তৎকালীন স্পিকার ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা নিয়ে কোন প্রকার আলোচনা করতে দেননি।

হাফিজউদ্দীন আহমেদ আরও বলতে গিয়ে মনে কনে, বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের অতীত ভালো নয়, তাই অতীতকে ভুলে সবার সামনের দিকে তাকানো উচিত।

সৈয়দা লুৎফুন্নাহার মনি ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার সংসদ সদস্যসহ সাধারণ জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি জানতে চান দেশের বর্তমান অবস্থায় সাধারণ জনগন কিভাবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিন্ত হবে?

প্রথমেই কাবেরী গায়েন এ প্রসংগে বলতে গিয়ে মনে করেন, ক্রসফায়ারসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে জন নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলেও দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুব বেশী অবনতি হয়নি।

মি বাবর দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কাবেরী গায়েনের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি মনে করেন, সন্ত্রাসবাদের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গঠে তোলার পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের রাজনীতির ছত্রছায়া থেকে বের করে আনতে হবে।

এ সময় একজন দর্শক মনে করেন, দেশের টেন্ডার-চাঁদাবাজি ব্যাপকহারে বেড়ে গেছে।

আরেকজন দর্শক মনে করেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ির পরিবর্তে বোমা ছোঁড়াছুড়ির সংস্কৃতি চালু হয়েছে।

দর্শকদের আরেকজন মনে করেন, যে দেশে সাংসদ সদস্যের উপর বোমা হামলা হয় সেদেশে সাধারণ জনগনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার যথেষ্ট কারণ আছে।

দর্শকদের মধ্যে একজন মনে করেন, দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শুধু সরকারকে একা দোষারোপ করা ঠিক নয়।

মি আহমেদ এ প্রসংগে অভিযোগ করেন, বর্তমানে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তিনি দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হওয়ার পেছনে সরকারদলীয় কিছু গডফাদারকে দায়ী করেন। সেই সাথে তিনি মনে করেন, এসব গডফাদারদের কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

মি ইমাম এ বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রথমেই অভিযোগ করেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে শুধুমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেরই প্রায় ২৩,০০০ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে। তিনি মনে করেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী পক্ষের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি জানান, টেন্ডারবাজি এবং চাঁদাবাজি রোধে সরকার ডিজিটাল টেন্ডার পদ্ধতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, টেন্ডারবাজ এবং লুটেরাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তার জিজ্ঞাসা ছিলো, পোশাক শিল্পে আর কত দিন অস্থিরতা বিরাজ করবে?

প্রথমেই মি ইমাম এ প্রসংগে বলেন, যে সকল গার্মেন্টসগুলিতে নিয়মনীতি মেনে চলা হচ্ছে সেগুলিতে কোন প্রকার অস্থিরতা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, পোশাক শিল্প মালিকদের অনেকেই মুনাফা অর্জন করলেও নিয়মিত শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ না করায় পোশাক শিল্পে অস্থিরতার সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি মনে করেন, পোশাক শিল্পে অস্থিরতা দূর করার জন্য শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রদান করার পাশাপাশি শ্রমিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ হওয়া দরকার।

এ প্রসংগে মি আহমেদ মি ইমামের সাথে একমত পোষন করেন। তিনি মনে করেন, শ্রমিকদের প্রতি মালিকপক্ষের আরও সহানুভূতিশীল থাকা উচিত। এর পাশাপাশি তিনি এও মনে করেন, বেতন-ভাতা প্রাপ্তিতে সাময়িক অসুবিধার কারণে শ্রমিকদের সহিংস আচরন করা উচিত নয়। তিনি মনে করেন, পোশাক শিল্প সংক্রান্ত সমস্যার গভীরে গিয়ে এই শিল্পের অস্থিরতা দূর করতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিত।

এসময় একজন দর্শক মনে করেন, যে সকল পোশাক শিল্প মালিকগন সরকারি নীতিমালা মেনে চলছে না, সেসব শিল্প কারখানাগুলি বন্ধ করে দেয়া উচিত।

দর্শকদের মধ্যে আরেকজন জানতে চান, বেতন-ভাতার দাবিতে শ্রমিকরা আন্দোলন করলেও সরকার কেন শ্রমিকদের এ সমস্যা সমাধানের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন না?

আরেকজন দর্শক জানতে চান, পোশাক শিল্পে সহিংসতার জন্য শ্রমিকপক্ষ এবং মালিকপক্ষের বাইরে তৃতীয় কোন শক্তি জড়িত আছে কিনা?

এ বিষয়ে বলতে গিয়ে কাবেরী গায়েন জানতে চান, পোশাক শিল্প বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হওয়া সত্ত্বেও এই শিল্পের শ্রমিকরা কেন তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবে? তিনি মনে করেন, দীর্ঘসময় ধরে বেতন ভাতা না পেয়ে শ্রমিকরা সহিংস হয়ে উঠতে পারে। তিনি মনে করেন, শ্রমিকদের বেতন ভাতা ঠিকমতো পরিশোধ করতে না পারলে দেশের পোশাক শিল্প একদিন মুখ থুবড়ে পড়বে। একই সাথে তিনি মনে করেন, পোশাক শিল্পের মালিকেরা যাতে শ্রমিকদের ঠিক মতো বেতনভাতা পরিশোধ করেন সরকারের পক্ষ থেকে সেটি নিশ্চিত করা উচিত।

বিষয়টি নিয়ে মি বাবর মনে করেন, পোশাক শিল্পে সহিংসতা দূর করার জন্য সুষ্ঠু শ্রম আইনের মাধ্যমে শ্রমিক অধিকার আদায় নিশ্চিত করতে হবে।

মো তাজুল ইসলাম ইসলাম ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তার জিজ্ঞাসা ছিলো, শুধুমাত্র কিছু রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব কিনা?

প্রথমেই মি বাবর এ প্রসংগে মনে করেন, গুটিকয়েক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা যাবে না। তিনি মনে করেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দেশের জনগন ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। তিনি মনে করেন, কোন সংগঠনকে জঙ্গি সন্দেহে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার আগে সেটির সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে কাবেরী গায়েন মনে করেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা, আইনী সচেতনতা সৃষ্টি করে একে একটি সংঘবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের দিকে নিয়ে যেতে না পারলে জঙ্গিবাদ সমূলে বিনাশ করা যাবে না।

এসময় একজন দর্শক মনে করেন, ’৭২ এর সংবিধানকে সংশোধন করে ধর্মনিরপেক্ষতার জায়গা থেকে সরে আসার কারণে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে।

আরেকজন দর্শক মনে করেন, জঙ্গিবাদের মূল সমস্যাটি আগে খতিয়ে দেখা দরকার।

এ প্রসংগে মি আহমেদ মনে করেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে সুশিক্ষা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনতে পারলে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব হবে।

মি ইমাম বিষয়টি নিয়ে মি আহমেদের সাথে একমত পোষন করেন। তিনি মনে করেন, জঙ্গিদের অর্থ এবং অস্ত্রের উৎস বন্ধ করে দিতে পারলে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব হবে। এরপাশাপাশি তিনি জানান, প্রশ্নকর্তা প্রশ্নের এক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদের অভিযোগ তুললেও ধর্মীয় জঙ্গিবাদের সাথে অনেকেই যাদের সম্পৃক্ত করে থাকেন সেই দলটির নাম একেবারেই উল্লেখ করেননি।

কাবেরী গায়েন এ বিষয়ে আরও যোগ করতে গিয়ে মনে করেন, ধার্মিকতার সাথে ধর্ম নিরপেক্ষতার কোন বিরোধ নেই।

এবারের বাংলাদেশ সংলাপের সর্বশেষ প্রশ্নকারী ছিলেন নাজমুল হাসান। তিনি জানতে চান, বিডিআর বিদ্রোহের বিচারে অভিযুক্ত বিডিআর জওয়ানদের ন্যায় বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?

(উল্লেখ্য, বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের সময় অভিযুক্ত বিডিআর জওয়ানরা আইনজীবি নিয়োগ করতে পারবেন, কিন্তু সেই আইনজীবিরা শুধুমাত্র অভিযুক্তদের জওয়ানদের আত্মপক্ষ সমর্থনের বিভিন্ন পরামর্শ দিতে পারবেন।)

মি ইমাম এ বিষয়ে বলতে গিয়ে মনে করেন, বিডিআর আদালতে সংগঠিত বিডিআর বিদ্রোহের বিচারে অভিযুক্ত বিডিআর জওয়ানরা ন্যায় বিচার পাবেন।

মি আহমেদ এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মনে করেন, অভিযুক্ত বিডিআর জওয়ানরা আইনজীবি নিয়োগ করার ফলে কিছু সুবিধা ভোগ করবে। তিনি অভিযুক্ত বিডিআর জওয়ানদের পক্ষে আইনজীবি নিয়োগ করতে দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন।

মি বাবর বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া উচিত।

সবশেষে কাবেরী গায়েন এ প্রসংগে বলতে গিয়ে বিডিআর বিদ্রোহের দায়ে অভিযুক্ত জওয়ানদের আইনজীবি নিয়োগ করার পক্ষে মত দেন। তিনি মনে করেন, একটি গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রত্যেকেরই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকা উচিত।

অনুষ্ঠানটি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত হয় গত ১লা নভেম্বর, ২০০৯ প্রবাহ অধিবেশনে

বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করেছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ