প্রসঙ্গ: মুজিব হত্যা মামলার রায়

The panelists

প্যানেল সদস্যরা (বাঁ থেকে): দিলীপ বড়ুয়া, মো ইয়াহিয়া আখতার, উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা, রেহেনা বেগম রানু এবং গোলাম আকবর খন্দকার।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

এবারের বাংলাদেশ সংলাপের আয়োজন ছিলো গত ২১শে নভেম্বর, ২০০৯ তারিখে। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনিস্টিটিউটে আয়োজিত এবারের সংলাপের প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র আহবায়ক গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো ইয়াহিয়া আখতার এবং বেসরকারি সংগঠন ‘ফাইট ফর উইমেনস্ রাইট’ এর প্রেসিডেন্ট রেহেনা বেগম রানু। আমন্ত্রিত দর্শকরা মিলনায়তনে প্রবেশের সময় যে লিখিত প্রশ্নগুলো জমা দেন প্রতিবারের মতো তা থেকেই বাছাই করে নেয়া হয় এবারের বাংলাদেশ সংলাপের প্রশ্ন সমূহ। প্যানেল সদস্যরা উত্থাপিত প্রশ্নের উপর তাৎক্ষনিকভাবে তাদের বক্তব্য কিংবা মতামত দেন। সেই সাথে উপস্থিত অন্য দর্শকরাও সেইসব প্রশ্নের উপর বিভিন্ন মতামত প্রদানের এবং সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান।

এবারের সংলাপের প্রথম প্রশ্ন করেন মনিরউদ্দীন। তিনি জানতে চান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষনা করা হলেও যারা এই হত্যাকাণ্ডের ইন্ধন যুগিয়েছে তাদের বিচার হবে কিনা?

বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই বলেন দিলীপ বড়ুয়া। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার ইন্ধনদাতাদের সুনির্দিষ্টভাবে প্রচলিত বিচারের আওতায় আনা সহজ নয়। একই সাথে তিনি মতে, জনগন রাজনৈতিক সচেতনতার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ইন্ধনদাতাদের চক্রান্ত নস্যাৎ করতে পারে।

মো ইয়াহিয়া আখতার এ প্রসঙ্গে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার নেপথ্য নায়কদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘমেয়াদী হলেও এর প্রয়োজন আছে। একইসাথে তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের গবেষক, সাংবাদিক এবং ইতিহাসবিদদের উচিত ছিলো দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার নেপথ্য নায়কদের চিহ্নিত করতে সহায়তা করা।

এসময় একজন দর্শক জানতে চান: ১৯৭৫ থেকে বর্তমান সময়ের মধ্যে সংঘটিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার করার কোন পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের আছে কিনা?

দর্শকদের মধ্যে আরেকজন জানতে চান: খন্দকার মোশতাক সরকারের মন্ত্রীসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৎকালীন সেনাপ্রধান, নৌবাহিনী প্রধান এবং বিমান বাহিনী প্রধানসহ যারা অংশগ্রহন করেছিলেন তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে কিনা?

রেহেনা বেগম রানু বিষয়টি নিয়ে বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত এবং গবেষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার নেপথ্য নায়কদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

গোলাম আকবর খন্দকার এ প্রসঙ্গে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময়ে সংঘটিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার করা গেলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। তিনি মনে করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার নেপথ্য নায়কদের চিহ্নিত করতে হলে সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার নেপথ্য নায়কদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারে কিনা সেটি দেখার বিষয়।

দর্শকদের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ বড়ুয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের সাথে তৎকালীন কর্মরত বিভিন্ন চাকুরিজীবিদের গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

মুক্তা দাস ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তিনি জানতে চান: ভারতকে ট্রানজিট দেয়া কতটা যুক্তিযুক্ত?

প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি আখতার। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতকে ট্রানজিট দেয়া হচ্ছে না করিডর দেয়া হচ্ছে সেটি সরকারের পক্ষ থেকে এখনও খোলাসা করা হয়নি। তিনি মনে করেন, ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বিষয়টি নিয়ে সংসদে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করা উচিত।

মি বড়ুয়া এ প্রসঙ্গে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতার জন্য বহুপাক্ষিক ট্রানজিট চালু করা উচিত। তিনি আশ্বাস দেন, ট্রানজিট নিয়ে সংসদে আলোচনা করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

এ সময় একজন দর্শক জানতে চান: দ্বিপাক্ষিক অথবা বহুপাক্ষিক ট্রানজিট বাংলাদেশের জন্য কি সুফল বয়ে আনবে?

আরেকজন দর্শক জানতে চান: ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার পাশাপাশি দেশীয় পন্যের বাজার রক্ষার বিষয়ে সরকার কি ভাবছে?

দের্শকদের আরেকজন জানতে চান: সরকার ট্রানজিট সহ জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি জনগনের কছে স্পষ্ট করবে কিনা?

আরেকজন দর্শক অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের মন্ত্রীরা ট্রানজিট সহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি প্রদান করেন। তিনি জানতে চান: বিষয়টি কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

রেহেনা বেগম রানু এ প্রসঙ্গে বলেন, ট্রানজিটের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। একইসাথে তিনি এও জানান, তথ্য অধিকার আইনের আওতায় জনগনের দেশের যে কোন বিষয়ে জানার অধিকার আছে। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকার দেশের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজ করবে না।

মি খন্দকার এ বিষয়ে বলতে গিয়ে ট্রানজিটকে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি মনে করেন, ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বিষয়টি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামতের নিয়ে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।

রেহেনা বেগম রানু বলেন, ট্রানজিট সহ যেকোন বিষয়ের রাজনৈতিক সমাধানের জন্য বিরোধী দলের সংসদে উপস্থিত থেকে বিষয়টি নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনা করা উচিত।

মি খন্দকার রেহেনা বেগম রানুর সম্পূরক মতামতের ভিত্তিতে বলেন, বিরোধী দলকে সংসদে আমন্ত্রণ জানানোর আগে সংসদে নেয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

দর্শকদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ বড়ুয়া বলেন, বিশ্বায়নের যুগে আঞ্চলিক দেশগুলির মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতার প্রয়োজন আছে। তিনি মনে করেন, জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার বাস্তবসম্মত কোন পদক্ষেপ নিলে সকলেই সেটি বাস্তবায়নে সহায়তা করা উচিত।

মি আখতার এ প্রসঙ্গে বলেন, কোন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক বিনিময় নিশ্চিত করতে হবে।

জিনিয়া আয়শা খালেদ আলী ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তার জিজ্ঞাসা ছিলো: ‘ডে-লাইট সেভিং’ নীতি শিল্পক্ষেত্রে কোন যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে কিনা?

বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে মি বড়ুয়া প্রথমেই জানান, ‘ডে-লাইট সেভিং’ নীতি এখন পর্যন্ত শিল্পক্ষেত্রে যুগান্তকারী কোন পরিবর্তন আনতে পারেনি।

মি আখতার বলেন, ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে আনার ফলে শীতকালে স্কুলগামী বাচ্চারা বিড়ম্বনায় পড়ছে। তিনি আরও বলেন, ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনার ফলে কতটুকু বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে জনগনের কাছে সেটির পরিসংখ্যান তুলে ধরা উচিত।

এ সময় একজন দর্শক বলেন, ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে আনার সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের জনপ্রিয়তা কমছে।

দর্শকদের মধ্যে আরেকজন বলেন, শীতকালে ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে রেখে সরকার স্বেচ্ছাচারী নীতি অবলম্বন করছে।

আরেকজন দর্শক জানতে চান: ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে আনার ক্ষেত্রে সরকারি নীতি নির্ধারকেরা বাচ্চাদের বিষয়টি মাথায় রাখবেন কিনা?

দর্শকদের একজন বলেন, জনগন জানে না ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনার ফলে কতটুকু বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে।

এ প্রসংগে মি খন্দকার বলেন, ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে আনার ফলে দেশের কতটুকু বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে এবং জনগন কিভাবে উপকৃত হয়েছে জনগনের সেটি জানার অধিকার আছে।

রেহেনা বেগম রানু এ প্রসঙ্গে বলেন, ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে দেয়ার ফলে জনগন দিনের আলোর সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারছে। তিনি আরও মনে করেন, ডে-লাইট সেভিং এর ফলে বিদ্যুতের যে সাশ্রয় হয়েছে সেটি শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মি বড়ুয়া এ প্রসঙ্গে বলেন, ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনার ফলে সাশ্রয়কৃত বিদ্যুতের পরিমাণ জানতে হলে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের শরণাপন্ন হতে হবে।

এরপর প্রশ্নকারী ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি জানতে চান: চট্টগ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে সকল সরকারের নিস্পৃহ থাকার কারণ কি?

মি রেহেনা বেগম রানু এ প্রসঙ্গে বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা নেয়া প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য কাজ করবে।

মি আখতার এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকারের উচিত সুনির্দিষ্ট কোন এলাকার উন্নয়নের উপর মনোযোগ না দিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেয়া। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে অন্যান্য জেলাগুলির বিচারে চট্টগ্রাম যথেষ্ট উন্নত।

এ সময় একজন দর্শক অভিযোগ করেন, শিল্পমন্ত্রী চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত হলেও ঢাকামুখী প্রবণতার কারণে তিনি (মি বড়ুয়া) চট্টগ্রামের শিল্প উন্নয়নে তেমন কোন ভূমিকা রাখতে পারেন নি।

আরেকজন দর্শক অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামের রাজনীতিবিদরা দলীয় কোন্দল নিয়ে এত বেশী নিয়ে ব্যস্ত থাকেন যে তাদের পক্ষে চট্টগ্রামের উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেয়া সম্ভব হয় না।

মি খন্দকার এই প্রসঙ্গে জানান, বিগত চারদলীয়-জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামের কিছুটা উন্নয়ন সাধিত হলেও সেটি কাঙ্খিত নয়। তিনি মনে করেন, বিরোধী দলকে সামলাতেই সরকারকে হিমশিম খেতে হয় ফলে জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। একইসাথে তিনি জানান, বর্তমান সরকার বিরোধী দল সংক্রান্ত এমন কোন সমস্যায় না পড়লেও চট্টগ্রামের তেমন কোন উন্নয়ন সাধন করতে পারেন নি।

মি বড়ুয়া এ বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রথমেই অভিযোগ করেন, বিগত জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামের অনেক সাংসদ মন্ত্রীত্ব পেলেও তারা চট্টগ্রামের উন্নয়নে তেমন ভূমিকা পালন করেন নি। তিনি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের কিছু পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন, দেশকে শিল্পায়িত করতে হলে সিঙ্গেল ডিজিট ইন্টারেস্ট পদ্ধতি চালু করার পাশাপাশি কয়লা ভিত্তিক শক্তির দিকে ঝুঁকতে হবে।

এবারের বাংলাদেশ সংলাপের সর্বশেষ প্রশ্নকারী ছিলেন তাবাস্সুম মখদুমা। তিনি জানতে চান, নারীদের পরোক্ষভাবে অসম্মান করে তৈরি বিজ্ঞাপচিত্রের প্রচার বন্ধ করার জন্য সরকােরের কোন ভূমিকা নেয়া উচিত কিনা৻

প্রথমেই রেহেনা বেগম রানু এ প্রসঙ্গে বলেন, নারীর গায়ের রং কে প্রাধান্য দিয়ে বিজ্ঞাপনচিত্র তৈরি করা হলেও গায়ের রং কখনই একজন নারীর যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। একইসাথে তিনি মনে করেন, নারীকে হেয় করে যারা বিজ্ঞাপন বানান তারা মানসিকভাবে দরিদ্র। তিনি বলেন, বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রয়োজন।

মি আখতার এ বিষয়ে রেহেনা বেগম রানুর সাথে একমত পোষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপন নির্মাতারা দর্শকের রুচিতে বিকৃতি ঘটাচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় একজন দর্শক বলেন, বিজ্ঞাপনে রাঁধুনী হিসেবে নারীকে উপস্থাপন করা হলেও পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক ভালো রান্না করেন।

আরেকজন দর্শক জানতে চান: সরকার কোন বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রস্তুত করবেন কিনা?

মি খন্দকার এ বিষয়ে বলেন, যে কোন বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি এটির নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োগ সুনিশ্চিত করতে হবে। তিনি মনে করেন, প্রয়োগ সুনিশ্চিত করতে না পারলে হলে নীতিমালা অকার্যকর হয়ে যাবে।

মি বড়ুয়া বিষয়টি নিয়ে বলেন, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে দেখানো হয়। তিনি মনে করেন, বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টির সামগ্রিক সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

অনুষ্ঠানটি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত হয় গত ২২শে নভেম্বর, ২০০৯ প্রবাহ অধিবেশনে

বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করেছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ