BBC navigation

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে গণভোটের দাবি

সর্বশেষ আপডেট সোমবার, 19 নভেম্বর, 2012 14:17 GMT 20:17 বাংলাদেশ সময়

পর্ব-১

বিবিসির ‘বাংলাদেশ সংলাপ’ এর প্রথম পর্বের আলোচনার মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হতে পারে।

দেখুন:

ক্লিক করুন ইউটিউব

ক্লিক করুন ভিমিও

Bangladesh Sanglap Panel

বাংলাদেশ সংলাপের প্যানেল সদস্যগণ। বাম থেকে, বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন, উপস্থাপক আকবর হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরিন খন্দকার এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

বাংলাদেশ সংলাপ প্রথম পর্ব

বাংলাদেশ সংলাপ প্রথম পর্ব

শুনুনmp3

আপনার ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ভার্সনটি সঠিক নয়

বিকল্প মিডিয়া প্লেয়ারে বাজান

বাংলাদেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হতে পারে এমন প্রশ্নে বিরোধীদল বিএনপি বলছে তারা সরকারি দলের সাথে সংসদ কিংবা সংসদের বাইরে আলোচনায় প্রস্তুত। তবে সরকারি দল আওয়ামী লীগ বলছে সংবিধানের নিয়ম মেনেই নির্বাচন স্বচ্ছ করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিবিসির বাংলাদেশ সংলাপে এমন মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি গণভোটের কথাও বলেছে।

m k alamgir

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর

প্রায় তিন বছর পর বিবিসির ‘বাংলাদেশ সংলাপ’ এর নতুন মওসুমের প্রথম দিনেই ঢাকার লালবাগ কেল্লায় দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা, নির্বাচন কমিশনের সাবেক কমিশনার সহ নানা শ্রেনী-পেশার মানুষ অংশ নেয়। প্রথম দিনের আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য ছিল বাংলাদেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হতে পারে

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত দর্শকরা নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন রাখেন বিবিসি বাংলা বিভাগ ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের যৌথ উদ্যোগের এ আয়োজনে।

বিবিসি বাংলার সাংবাদিক আকবর হোসেনের উপস্থাপনায় প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি দল আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, বিরোধীদল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরিন খন্দকার।

ঢাকার মিরপুরের একজন শিক্ষক মোহাম্মদ আশরাফ হারুনের প্রশ্ন ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কেন দু’টি প্রধান রাজনৈতিক দল বসছেনা? এবং কেন কোন গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসছে না? এ প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন সরকারি দল নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে যেখানে আলোচনা করতে বলবে সেখানেই তারা আলোচনা করবেন।

নাসরিন খন্দকার

"ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি দূতাবাসসহ সিভিল সোসাইটি যারা কিনা জনগণের সাথে সম্পৃক্ত নন, কিন্তু একটা এলিট ক্লাসের প্রতিনিধিত্ব করেন তারা দুই দলের বাইরে গিয়ে তৃতীয় শক্তি সৃষ্টি করার নামে একটা গণ-বিচ্ছিন্ন সরকার আমাদের দুই বছর ভুগিয়েছে। "

তিনি বলেন, “যদি সরকার বর্তমান বাস্তবতা স্বীকার করে নিয়ে এই উপলব্ধিতে আসেন যে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অর্থবহ হবেনা, তাহলে অবশ্যই আলোচনার পথ সুগম হবে এবং তারা যদি বলেন যে আমরা একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই তাহলে আমরা সংসদ কিংবা সংসদের বাইরে আলোচনায় বসতে অবশ্যই রাজী আছি।‌”

তবে এর জবাবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর সরকারি দলের অবস্থান পুর্নব্যক্ত করে বলেন সংবিধানের নিয়ম মেনে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করার বিষয় সহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

তিনি বলেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও আমরা সংবিধান সংশোধনের সময় আপনাদের আহবান করেছিলাম, তাতে আপনারা সাড়া দেননি। এখন এটা সংবিধানের অংশ এবং এই বিধানকে মেনে নিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কিভাবে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করা যায়, কোথায় নির্বাচন সংক্রান্ত আইন সংশোধন করা দরকার সে বিষয়ে আলোচনা আসলে আমরা আলোচনায় রাজী আছি।‌”

sanglap_ep1_audience5

বাংলাদেশ সংলাপে প্রশ্ন করছেন একজন দর্শক।

এ পর্যায়ে বিএনপি নেতা মি. আহমদ বলেন, “তাহলে গণভোটে আসেন। জনগণের কাছে দেন, জনগণই ঠিক করুক।‌” এর আগে, অনুষ্ঠানে একজন দর্শকও মন্তব্য করেন গণভোটের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে জনগণের মত নেয়ার।

অনুষ্ঠানে একজন দর্শক কুহেলি সুলতানা প্রশ্ন রাখেন দুই দলের দ্বন্দ্ব সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ করে দিতে পারে কিনা। এ প্রশ্নে সরকারি ও বিরোধী দুই দলের নেতাই বলেন কোন অসাংবিধানিক শক্তির ক্ষমতা গ্রহণের কোন আশংকা তারা করছেননা। তবে এ প্রসঙ্গে প্যানেল বক্তা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরিন খন্দকার বলেন ভবিষ্যতে এমন ক্ষমতা গ্রহণের আশংকা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‌এক-এগারোর অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি এমন অভিজ্ঞতা আমাদের আগেও সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং ভবিষ্যতেও তা সৃষ্টি হতে পারে এবং এ ধরনের পরিস্থিতির সুযোগ নেয়ার জন্য সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল রয়েছে।

moudud_ahmed

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

“ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি দূতাবাসসহ সিভিল সোসাইটি যারা কিনা জনগণের সাথে সম্পৃক্ত নন, কিন্তু একটা এলিট ক্লাসের প্রতিনিধিত্ব করেন তারা দুই দলের বাইরে গিয়ে তৃতীয় শক্তি সৃষ্টি করার নামে একটা গণ-বিচ্ছিন্ন সরকার আমাদের দুই বছর ভুগিয়েছে। ফলে তেমন পরিস্থিতির আশংকা আমরা এখনও করি বলেই সমাধানের জন্য তটস্থ হয়েছি,” বলছিলেন নাসরিন খন্দকার।

তবে যদি নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হয়, তাহলে তা কি সমস্যার সৃষ্টি করে? এমন প্রশ্নে সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে কিনা এমন প্রশ্ন থেকে যায়। তিনি বলেন “রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা হস্তক্ষেপ না করলেও, মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী কাজে যে হস্তক্ষেপ আসে তা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাঁধা। ‌”

মি. হোসেন বলেন, অনেকগুলো স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলেও তাতে সরকারের উচ্চ মহল থেকে কোন চাপ না আসলেও কোন কোন স্থানে সংসদ সদস্যদের কারণে তিন মাস পর্যন্ত নির্বাচন বন্ধ রাখতে হয়।

এম সাখাওয়াত হোসেন

"রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা হস্তক্ষেপ না করলেও, মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী কাজে যে হস্তক্ষেপ আসে তা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাঁধা।"

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনেক শক্ত আইন আছে যা অনেকে প্রয়োগ করতে চায়না, ফলে এটিও একটি বড় সমস্যা। নির্বাচন কমিশনে এমনভাবে লোক নিয়োগ হয় যে তারা সেই আইন প্রয়োগ করতে চায়না কেননা আইন প্রয়োগে সৎসাহসের প্রয়োজন হয়।

“আপনার প্রশ্ন, আপনার ভবিষ্যৎ”কে সামনে রেখে বাংলাদেশ সংলাপ-এর মোট ৬০ টি পর্ব প্রচার হবে বিবিসি বাংলা রেডিও এবং চ্যানেল আই’তে।

এছাড়া বিবিসি বাংলা রেডিও’র ফোন-ইন অনুষ্ঠান ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগ্রহী ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তাদের মতামত জানাতে পারবেন।

এর আগে ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ-এর দেড়শ’রও বেশি পর্ব প্রচারিত হয়েছিল যা টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রায় আড়াই কোটি মানুষের কাছে পৌঁছুতে সক্ষম হয়।

আপনাদের মন্তব্য:

বাংলাদেশ সংলাপ আবার চালু করার জন্য বিবিসিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের চিন্তাভাবনার কথা সরকার ও রাজনীতিকদের জানানোর জন্য এটা গুরুত্ত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে।

-- আনামুল হক, কুমিল্লা

হ্যাঁ, গণভোটের জন্য তো আবার আরেক তত্ত্বাবধায়ক দরকার হবে। এই সব পণ্ডিত এই রকম চিন্তা কেমনে করে? বাংলাদেশের রাজনৈতিক কালচারের ক্ষেত্রে গণতন্ত্রের বেঁচে থাকার জন্য তত্ত্বাবধায়ক অপরিহার্য। এখানে আর কোন ভোটের দরকার নাই।

-- মো. মুস্তাফিজুর রহমান, ফেসবুক থেকে

Caretaker govt. must be needed in Bangladesh because we do not believe any party.

-- Alam Mia, Dhaka

বিবিসি বাংলার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আশা করি সরকারি দল ও বিরোধীদল একটা ঐক্যমত্যে পৌঁছুতে পারবে।

-- শাহীন উদ্দিন, বিনোদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

তাহলে গণভোটে আসেন। জনগণের কাছে দেন, জনগণই ঠিক করুক।

-- ফিরোজ আহমেদ, কাঁঠাল বাগান, ঢাকা

গণভোট প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকারে প্রতি আস্থা রাখা যায় না।

-- নোমান রনক, ঢাকা

বর্তমানে আওয়ামী লীগের স্থলে যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকত এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্বতি বাতিল করত সেক্ষেত্রে গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা ও সম্মান দেখিয়ে আওয়ামী লীগ কি তা মেনে নিত? বিএনপি ক্ষমতা ত্যাগের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে যে কূটকৌশল করেছিল তাঁর ফলেই সৃষ্টি হয়েছে ১/১১ পরিস্থিতি। এখন আওয়ামী লীগ পুরো পদ্বতি বাতিল করে ১/১১ চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে দেশকে।

-- মো. কায়সার, পটিয়া

কোন দলকে বিশ্বাস করব? এ দেশে তো রাজনীতির কোন রেখা নেই। শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। সুতরাং নির্বাচন হওয়া চাই নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে।

-- নাজমুল হাসান, ভাগবা, কয়রা, খুলনা

বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের অবস্থানে থাকতো তবে কী তারা তত্ত্বাবাধায়ক ব্যবস্থা বাতিল মেনে নিত? তাদের ওপর জনগণের কোন আস্থা নেই। তবে তারা কোন ভয়ে দিতে চাচ্ছে না?

-- নায়েম শেখ, কাপাসিয়া

Caretaker govt is not needed in Bangladesh because election is possible by our Election Commission.

-- Babul Roy, dhaka

No election in Bangladesh without caretaker’s government.Because all parties patronize terrorism when their in power.

-- Bablu, Dhaka

I am in favour of caretaker govt. because bd. politicians are not honest, they work only for themselves, not for people. So, gen. public has not faith on them.

-- Muhammad Rafiqul, Vienna, Austria

গণতান্ত্রিক দেশের রাজনৈতিক দলগুলো যখন বড় ধরনের কোন সমস্যা সমাধানে ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে অক্ষম, তখন গণভোটের মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিৎ এবং গণভোট নেওয়া অপরিহার্য। এতে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়। ধন্যবাদ বিবিসি সংলাপ...

-- নুর মোহাম্মদ মজুমদার, কাতার

বাংলাদেশ সংলাপ আবারও শুরু করেছে বলে ধন্যবাদ বিবিসিকে। বিবিসির এই উদ্যোগ আমাদের দর্শকদের সমসাময়িক ভাবনাগুলোতে নিজের অংশগ্রহণ, মতামত প্রদান থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়গুলো নিয়ে জানার অনেক সু্যোগ করে দেয়। আলোচ্য বিষয় নিয়ে বলতে পারি- আমরা যেমন একটি ভালো সরকার চাই ঠিক তেমনি একটি শক্তিশালী বিরোধী দলও আশা করি সবসময়।প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনা অথবা বিতর্কের মাধ্যমে একজন সাধারণ নাগরিক তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সহায়তা পায়, সমসাময়িক আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন তার উদাহরণ বলে দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করছি দু’দলের কাছে।

-- মোঃ জাকির হোসেন, ঢাকা

বিবিসির উদ্যোগটা অনেক ভাল, মনে হচ্ছে আমেরিকাতে আছি, কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা কী কোন কিছু শেখে? তারা তো শুধু কাদা ছুঁড়তে জানে। কিছু হলেই একজন আরেকজনের দোষ দিচ্ছে। কিন্তু এটা মনে হয় জানে না একজন পাগলের থেকেও শেখা যায়। যখন তারা ক্ষমতায় যায় তারা মনে হয় ভুলে যায় যে তারাও একদিন বিরোধী দলে ছিল, আবারও যাবে। তারা বিরোধী দলে গেলে আজকে যাদেরকে তারা অ্যারেস্ট করছে, দু’দিন পরে তো এরাও এ রকম করবে। আমেরিকাতে নির্বাচনের পরে রমনি ওবামাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তৃতা মঞ্চে আসে, আর এই দেশে নির্বাচনের পরে সাথে সাথে

-- খালিদ, ঢাকা

Free, neutral and well accepted election is not possible by current government. They did not influence in local election just to say that neutral election is possible by current government so no need caretaker government. This is a political trap by AL government. If Government wants by heart yet not possible because Chattro Leoge and few AL MP is uncontrollable which is proved earlier. SK. Hasina requested them several times to stop terrorist activities but could not. So we need Caretaker gv.

-- Harun-or-Rasid

যেহেতু আওয়ামী গভর্মেন্টের প্রতি পাবলিকের আস্থা নেই তাই ইলেকশন অভিআসলি কেয়ারটেকার গভর্মেন্টের অধীনেই হতে হবে। তা না হলে আমার মনে হয় দেশে আবারো ১/১১-এর মতো ঝামেলা হবে। রেজাল্ট হবে পাবলিকের ভোগান্তি।

-- মো. জাহিদুল ইসলাম, সাভার, ঢাকা

Bangladeshi politics is still turbulent so caretaker govt. is much more need here otherwise the national election will be influenced. Though the ruling party claim that local election is being fairly but national election and local election are not same. So I support caretaker govt. in Bangladeshi perspective.

-- ABM Mustafa Kamal, Dhaka

আওয়ামী লীগ ১/১১ চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে দেশকে।

-- সাইফুল ইসলাম, ঢাকা

আওয়ামী লীগ এক এগারোর চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে।

সাইফুল ইসলাম, ঢাকা থেকে

আমি মনে করি কেয়ারটেকার সরকার প্রশ্নে গণভোট দেয়া উচিৎ।

শাহাদাত, ঢাকা

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়া উচিৎ।

ফুয়াদ চৌধুরি, মাদারিপুর

আওয়ামী লীগ কি বিএনপির অধীনে নির্বাচন মেনে নিত?

নাজমুল হাসান হিমেল, ঢাকা

মওদুদ আহমেদ আসলে কোন দল করেন? আওয়ামী লীগ, বিএনপি নাকি জাতীয় পার্টি?

আবু সুফিয়ান, ঢাকা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে নির্ভেজাল নির্বাচন সম্ভব নয়।

আরিফ হক, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর

বাংলাদেশে নির্বাচনের বাকী আর মাত্র এক বছর। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দু দলের এক সঙ্গে বসা উচিৎ। এক এগারো যেন আবার না ঘটে।

কিশোরকুমার, দিনাজপুর

আমাদের দুই নেত্রী আন্তরিক হলেই দেশের অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। দেশের সার্থে দুই নেত্রীর আলোচনায় বসা একান্ত প্রয়োজন। সময় ফুরিয়ে গেলে পিছনে আর তাকানো যাবে না। সময় থাকতে আলোচনার মাধ্যমে

সমাধান প্রয়োজন। আর যদি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান নাই হয় তাহলে গণভোট আয়োজন করে জনমতের ভিত্তিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া ঠিক করা যেতে পারে।

এন আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র

সবাই জানে যে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ওরা হারবে। সেজন্যেই ওরা কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেছে। আমি আশা করবো বিবিসির বাংলাদেশ সংলাপের মাধ্যমে তারা জনগণের প্রকৃতি দাবি উপলব্ধি করতে পারবে।

মেহেদি হাসান, নোয়াখালি

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংকট আলোচানার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। নতুবা দেশ অনেক খারাপ সময় অতিবাহিত করেব। এখানে দু দলকেই ছাড় দিতে হবে।

সাখাওয়াত হোসেন বিদু্ত, আন্দুলবাড়ীয়া, ঝিনাইদহ

দুদল সংলাপে বসা জরুরি, নইলে পরবর্তী দায়ভার তাদেরই নিতে হবে।

রহমত আলী, সিলেট

যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের পক্ষে তাদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি……যেহেতু পৃথিবীর বহু গণতান্ত্রিক দেশে দলীয় সরকারের অধীনে ভোট হয়, আমাদের দেশে সেই নিয়মে ভোট হলে ক্ষতি কি? কোনো একটা নিয়ম দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছে বলেই তাকে আর পরিবর্তন করা যাবে না এটা ভুল কথা। তত্ত্বাধায়ক সরকারের অধীনে ভোট হলেই তা নিরপেক্ষ হবে বা হয়েছে সে ব্যাপারে আমরা কি নিশ্চিত? বহুদিন পরে হলেও নতুনভাবে গনতান্ত্রিক পদ্ধতি যখন আসছে তখন সেটাকে স্বাগত জানানোটাই আধুনিকতা বলে মনে করি।

অম্লান রায়, কাঠালবাগান ঢাকা

বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা দরকার, কারণ আমরা কোন দলকে বিশ্বাস করি না।

শ্রীমান সমর, চট্টগ্রাম

প্রায় তিন বছর পর বিবিসির বাংলাদেশ সংলাপ দেখলাম। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে যে সব প্রাণবন্ত আলোচনা হলো, তাতে শাসকদল এবং বিরোধীদল উভয়েরই ভাবোদয় হবে। মনে হলো মনের কথা বলার বা খাঁটি কথা শুনার একটা প্লাটফর্মে আবারও দাঁড়ালাম। অব্যাহত রাখতে হবে এ ধারা। বিশেষজ্ঞ নির্বাচনে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ার এখলাছ উদ্দিন, পাবনা

সরকারের কাছে প্রশ্ন, ভোট না দেয়ার অপশন কেন তারা তুলে নিল?

মাহফুজুল কাদের, ঢাকা

যেহেতু সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি বাদ দেওয়া হয়েছে সেহেতু কোন প্রশ্ন আাসেনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। অতএব, ১. দু'দলের সমঝোতার ভিত্তিতে একটা নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে ২. জনগণের মতামত নেওয়া যেতে পারে গনভোটের মাধ্যমে। নচেত, দেশে স্মরনকালের ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে তাতে সন্দেহ নেই। পাশাপাশি বর্হিবিশ্বের কাছে বাংলাদেশ গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পাবে। যার ফলাফলটা জনসাধারণের উপর পড়বে এবং দেশ রসাতলে যেতে পারে।

প্রজিত বিশ্বাস, দক্ষিণ কোরিয়া,

আমি কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা পছন্দ করি। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সততা নেই, রাজনীতির গ্রহণযোগ্যতা নেই।

আনোয়ার জাহিদ, ঢাকা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি

মোরশেদ আলম, ঢাকা

বাংলাদেশ সংলাপ আবার শুরু করার জন্য বিবিসিকে ধন্যবাদ। সামনের নির্বাচন যেন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয়, সেজন্য সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংলাপ দরকার। দরকার শক্তিশালী এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন। তারপর কেয়ার টেকার সরকারের কোন দরকার হবে না।

আতাউর রহমান রঞ্জু, ঢাকা

একই ধরনের খবর

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻