আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

বিজ্ঞানের আসর

জলবায়ুর পরিবর্তন কি মানুষের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে? যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষকের উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ। জলবায়ুর পরিবর্তন মানুষের আচরণকে যথেষ্ট প্রভাবিত করে। বিশেষ করে মানুষের সহিংস আচরণের সঙ্গে জলবায়ুর পরিবর্তনের যথেষ্ট সম্পর্ক রয়েছে বলে তারা দাবি করছেন।

যে বিজ্ঞানীরা এই গবেষণা চালিয়েছেন তাদের একজন হচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্ণিয়ার মার্শাল বার্ক। তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি যে, স্বাভাবিক তাপমাত্রা বা বৃষ্টিপাতে অল্প তারতম্য ঘটলেই মানুষের মধ্যে নানা ধরণের সংঘাত উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে”।

ভারতে সম্প্রতি যে দীর্ঘস্থায়ী খরা চলেছে, সেসময় গার্হস্থ্য সহিংসতা অনেক বেড়ে যায় বলে দুটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র তাপপ্রবাহের সময় সেখানে বেড়ে গিয়েছিল খুন এবং ধর্ষণের ঘটনা। মার্শাল বার্ক বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের আচরণের এই সম্পর্ক তারা নানা ক্ষেত্রেই দেখতে পেয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা যদি অব্যাহত থাকে এবং বিশ্বের তাপমাত্রা যদি মাত্র দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তাতে ব্যক্তিগত অপরাধের মাত্রা পনের শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। আর দলগত সহিংসতার মাত্রা কোন কোন অঞ্চলে পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

স্বল্প খরচে জিপিএস ট্র্যাকিং ডিভাইস

যানবাহনের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য জিপিএস ট্র্যাকিং ডিভাইসের ব্যবহার চলছে বহুদিন ধরে, এটি সেই অর্থে কোন নতুন প্রযুক্তি নয়। কিন্তু বাংলাদেশের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র বাংলাদেশের বাস্তবতা মাথায় রেখে সম্প্রতি উদ্ভাবন করেছেন এরকম একটি যন্ত্র, যা তারা ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে কাজে লাগাচ্ছেন। ছাত্ররা এই উদ্ভাবনের কাজটি করেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়েরই অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবালের তত্ত্বাবধানে। তিনি বিবিসিকে বলেছেন, কিভাবে তরুণ ছাত্ররা তাদের এই উদ্ভাবনের কাজটি করেছে।

পূর্ণিমা রাতের অনিদ্রা

পূর্ণিমার রাতকে ঘিরে রহস্যের শেষ নেই। অনেকের ধারণা, পূর্ণিমার রাতে অনেক মানুষ উদভ্রান্ত আচরণ করে, নানা রকম অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে। পূর্ণিমার সময় অনিদ্রায় ভোগেন অনেক মানুষ। কিন্তু তাদের এই অনিদ্রার সঙ্গে কি আসলেই চাঁদের কোন সম্পর্ক আছে ?

সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, পূর্ণিমা আসলেই মানুষের সুনিদ্রায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। তবে এর কারণ পূর্ণিমার রাতের বাড়তি আলো নয়। চাঁদের আবর্তনের সঙ্গে আমাদের দেহের এক অদ্ভূত সম্পর্ক আছে, সেটাই হয়তো এর কারণ।

সুইটজারল্যান্ডের ব্যাজেল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা গবেষণাটি চালান তেত্রিশ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর। তারা দেখেছেন, ফুল মুন বা পূর্ণিমার সময় এদের ঘুমাতে গড়ে পাঁচ মিনিট বেশি সময় লাগছে। তাদের ঘুম খুব গভীর হচ্ছে না। এবং তারা ঘুমাচ্ছেনও তুলনামূলকভাবে বিশ মিনিট কম সময় ধরে।