আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

মাঠে ময়দানে

ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption গোল্ডেন বল হাতে রোনাল্ডো

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার ফিফার 'গোল্ডেন বল' বা বলোঁ ডি'অর পুরস্কার পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগীজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো।

তিনি যে শুধুই এ যুগের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় তাই নয়, সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের মধ্যেও তাকে অন্যতম বলে মানেন ফুটবল পন্ডিতরা।

এর আগেও এ পুরস্কার পেয়েছেন রোনাল্ডো, কিন্তু লিওনেল মেসি নামের এক আর্জন্টাইন যাদুকর গত চার বছর ধরে তার পথ আটকে না রাখলে হয়তো এর মধ্যেই আরো কয়েকবার পেয়ে যেতেন তিনি।

স্পেনে ফুটবল বিশ্লেষক ফিল মিনশুলের সাথে কথা হচ্ছিল রোনাল্ডোকে নিয়ে, তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন কেন রোনাল্ডো অন্য ফুটবলারদের চাইতে একেবারে আলাদা ।

ছবির কপিরাইট AP

ফিল মিনশুল বলেন, "রোনাল্ডো একজন পূর্ণাঙ্গ ফুটবলার। তিনি একাধারে একজন মিডফিল্ডার, এবং সেন্টার ফরোয়ার্ড, আবার উইঙ্গার হিসেবে তিনি ডান-বাম উভয় দিকেই খেলতে পারেন। ফুটবলের সব দিকেই তিনি সমান দক্ষ। গত ২০১৩ সালে তিনি তার ক্লাব এবং দেশের হয়ে সব ম্যাচ মিলিয়ে ৬৯টি গোল করেছেন। তার আগে ২০১২ সালে করেছেন ৬৩টি গোল। সুতরাং সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের মধ্যেও তার মতো পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় কমই এসেছে। সর্বকালের সেরা পাঁচ-ছয়জন ফুটবলারের মধ্যে তিনি একজন - এ কথা বলতেই হবে।"

ফিল মিনশুল বলছেন, রোনাল্ডো পরিশ্রমী এবং অনুশীলন করার ব্যাপারে খুবই ঐকান্তিক।

"অন্য খেলোয়াড়রা যখন বান্ধবী বা পরিবার নিয়ে সমুদ্রসৈকতে বা অন্যত্র অবকাশ যা্পন করছেন - তখন রোনাল্ডোকে দেখা যায় জিমনাসিয়ামে শরীরচর্চা করতে বা ফুটবল প্র্যাকটিস করতে। একদিকে তিনি সুদর্শন এবং ফটোজেনিক, তার বান্ধবী একজন রাশিয়ান সুপারমডেল এবং তার আছে দারুণ সব দামী দামী গাড়ি, তার চারপাশে সবসময়ই সুন্দরী মেয়েভক্তদের ভিড়। কিন্তু রোনালডো তার স্বাস্থ্য ঠিক রাখা, সঠিক খাবার খাওয়া, মদ্যপান না করা - এসব ক্ষেত্রে এত মনোযোগী যে বোঝা যায় তিনি একজন ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড়, যিনি বিপুল অর্থ ও খ্যাতির মালিক হয়েও এটা ভুলে যান নি যে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ফুটবল খেলা।"

ছবির কপিরাইট AFP
Image caption রোনাল্ডো ও পেলে

তবে রোনাল্ডো এবং আধুনিক ফুটবলের আরেক তারকা লিওনেল মেসি এখনো তাদের দেশের হয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল জেতেননি। তাই এবারের বিশ্বকাপে তারা নিজ নিজ দেশকে ফুটবলের এই শীর্ষ শিরোপা এনে দিতে পারেন কিনা। কারণ বিশ্বকাপ না জিতলে একজন শ্রেষ্ঠ ফুটবলারের মহত্ব ঠিক যেন পূর্ণতা পায় না।

ক্রিকেট

অস্ট্রেরিয়াকে হারিয়ে এ্যাশেজ শিরোপা ধরে রাখার আশা নিয়ে এবার অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরে ইংল্যান্ড এ্যাশেজ তো হারিয়েছেই, এই সফরের চাপ নিতে পারেন নি ইংল্যান্ড দলের অনেক খেলোয়াড়ও।

মানসিক বিপর্যর সামলাতে না পেরে প্রথম টেস্টের পর দেশে ফিরে গেঝেন, জোনাথন ট্রট, সিরিজ শেষ হতে না হতেই অবসর নিয়েছেন গ্রেম সোয়ান। সবশেষ ঘটনা, ইংলিশ ফাস্ট বোলার স্টিভেন ফিন – যাকে পুরো সফরে একটি ম্যাচও খেলানো হয় নি - তাকে একদিনের সিরিজের মাঝখানে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, বলা হয়েছে তাকে কিছুদিন ক্রিকেট থেকে দুরে থেকে নিজের মনকে আবার চাঙ্গা করে নিতে।

কয়েক বছর আগে আরেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান মার্কাস ট্রেসকোথিকের সফরের মাঝখান থেকে ফিরে আসার কথাও হয়তো অনেকের মনে আছে।

ক্রিকেটারদের কেন এমন মানসিক সংকটে পড়তে হয়? ব্যাখ্যা করছেন বাংলাদেশে ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট।