বিজ্ঞানের আসর

আগ্নেয়গিরির বিষাক্ত গ্যাস

ইন্দোনেশিয়ায় সুমাত্রা দ্বীপের একটি আগ্নেয়গিরি মাউন্ট সিনেবং সক্রিয় হয়ে আছে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই।

ছবির উৎস, RTRS

ছবির ক্যাপশান,

ইন্দোনেশিয়ায় জীবন্ত এক আগ্নেয়গিরি

কিন্তু গত সপ্তাহেই এর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

নির্গত হচ্ছে উত্তপ্ত গ্যাস, পাথর এবং আকাশের উঁচুতে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে প্রচুর পরিমাণে কালো ছাই।

লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্গত পাইরো ক্লাস্টিক ফ্লোর কারণে ইতোমধ্যেই ১৬জন নিহত হয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এরা নিহত হয়েছেন পাইরো ক্লাস্টিক ফ্লো’র কারণে, যার গতি আগ্নেয়গিরির লাভার চাইতেও দ্রুত।

৭৯ খৃস্টাব্দে পম্পেই নগরী ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো ভিসুভিয়াসের বিস্ফোরণে কারণে।

বহু লোক নিহত হয় এই পাইরো ক্লাস্টিক ফ্লো গ্যাস নিশ্বাসের সাথে গ্রহণের কারণে।

কি এই পাইরো ক্লাস্টিক ফ্লো?

ডলফিন মেলা বাংলাদেশে

বাংলাদেশে চলছে অভিনব এক ডলফিন মেলা। গোলপাতার বিশাল এক নৌকাতে এক মাস ধরে চলবে ভ্রাম্যমাণ এই মেলা।

ছবির উৎস, BBC World Service

ছবির ক্যাপশান,

ধারণা করা হয় বাংলাদেশে ডলফিনের সংখ্যা ৬ হাজারের মতো

খুলনার মংলা থেকে যাত্রা শুরু করে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়াচ্ছে এই নৌকাটি।

জেলে ও সাধারণ লোকজনকে স্তন্যপায়ী ডলফিন ও তিমি রক্ষায় সচেতন করে তুলতে এই মেলার আয়োজন করেছে বন্যপ্রাণী ও তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণে কাজ করছে এরকম একটি সংস্থা- ওয়াইল্ড লাইফ কনজার্ভেশন সোসাইটি, ডাব্লিউ সি এস।

গবেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের নদ নদীতে ও সমুদ্র উপকূলে যতো সংখ্যক ইরাবতী ডলফিন আছে পৃথিবীর আর কোথাও এতো ডলফিন নেই।

কিন্তু এসব প্রাণী যে মাছ নয়, মানুষের মতোই এরা বাচ্চা দেয়, বাচ্চাকে দুধ পান করায় ও লালন পালন করে- মেলায় এসব তথ্যই তুলে ধরা হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও জেলেদের কাছে।

শুনবেন সাবেক একজন জেলের অভিজ্ঞতা আর ডলফিন গবেষক রুবাইয়াৎ মনসুরের সাক্ষাৎকার।

বিজ্ঞানের আসর পরিবেশন করছেন মিজানুর রহমান খান: