_smith_ipl_rajasthan_royals
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

মাঠে-ময়দানে

আইপিএলের আকর্ষণে কি ভাঁটার টান?

আট বছরে পা দিল বিশ্বের সবচেয়ে দামী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আইপিএল, কিন্তু শুরুর দিকের আকর্ষণ আজ কতটা ধরে রাখা যাচ্ছে?

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের রেশ তখনও ফুরোয়নি – এরই মধ্যে দিনদশেক আগে ভারতে হই হই করে শুরু হয়ে গেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের আট নম্বর মরশুম।

এপ্রিল-মে মাসের তীব্র গরমেও কিন্তু আইপিএল জমজমাট, বস্তুত এই ইভেন্টটা এখন ভারতের ক্রিকেট-দর্শক আর সাধারণ ক্রীড়ামোদীদের বার্ষিক বিনোদনের ক্যালেন্ডারেই ঢুকে পড়েছে।

উদ্যোক্তারা তো দাবি করছেন – গোটা ভারতই আবার ক্রিকেটজ্বরে আক্রান্ত, কারণ ভারতের ‘তেওহার’ বা উৎসব শুরু হয়ে গেছে যে!

ছবির কপিরাইট Bcci
Image caption চিয়ারলিডারদের নাচগানের টানেও অনেকে আইপিএল দেখতে আসেন

কিন্তু আট বছর আগে যে আগ্রহ-উদ্দীপনা আর ক্রিকেট বিনোদনের নতুন সংজ্ঞা নিয়ে আইপিএল হাজির হয়েছিল, তার কতটা আজ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে?

স্পট ফিক্সিং বা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ আইপিএলের আবেদনকে কতটা ক্ষুণ্ন করেছে? না কি ভারতের আম-দর্শক সে সব নিয়ে ভাবিত নন, দশ-বিশটা ছক্কা আর চিয়ারলিডারদের নাচ দেখলেই তারা খুশি?

এসব নিয়েই কথা হচ্ছিল ভারতের প্রবীণ ক্রিকেট-ভাষ্যকার কিশোর ভিমানির সঙ্গে, দেশে বিদেশে ক্রিকেট কভার করার অভিজ্ঞতা যার প্রায় পঞ্চাশ বছরের। অনুষ্ঠানে থাকবে মি ভিমানির সাক্ষাৎকার।

ডাবলসে বিশ্বসেরা সানিয়া মির্জা

ভারতের টেনিস-তারকা সানিয়া মির্জা এ সপ্তাহেই মেয়েদের এটিপি ডাবলস র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছেন – যে কৃতিত্ব এর আগে কোনও ভারতীয় মেয়ে অর্জন করতে পারেননি।

পার্টনার মার্টিনা হিঙ্গিসকে নিয়ে চার্লসটনে ডব্লিউটিএ ফ্যামিলি সার্কল কাপ জেতার পরই এই স্বীকৃতি পেলেন সানিয়া – এবং তার আগে ইন্ডিয়ান ওয়েলস ও মায়ামিতেও হিঙ্গিসকে নিয়ে খেতাব জিতেছিলেন তিনি।

শুধু টানা তিনটে টুর্নামেন্ট জেতাই নয়, মার্চে হিঙ্গিসের সঙ্গে সানিয়া জুটি বাঁধার পর একটা ম্যাচেও হারেননি তারা। গত ফলে বুধবার যখন সানিয়া নিজের শহর হায়দ্রাবাদে ফেরেন, তাঁকে নিয়ে ছিল বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।

সানিয়া বলছিলেন, ‘বিশ্বের এক নম্বর হয়ে ঘরে ফেরার অনুভূতিটাই আলাদা, তবে এর পেছনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর প্রচুর আত্মত্যাগও কিন্তু আছে।’

ছবির কপিরাইট Getty
Image caption ডাবলস পার্টনার মার্টিনা হিঙ্গিসের সঙ্গে সানিয়া মির্জা

‘আমার টেনিসে কিংবা ব্যাডমিন্টনে সাইনা নেহওয়ালের এক নম্বর হওয়া, মেরি কমের পদক – এসবের পর ভারতের মেয়েরা আরও বেশি করে খেলাধুলোয় আসবে বলেই আমার বিশ্বাস!’

তবে ডাবলসে বিশ্বসেরা হলেও মাত্র আঠাশ বছরেই কেন সানিয়া মির্জা সিঙ্গলস কেরিয়ার একরকম ছেড়েছুড়ে পুরোপুরি ডাবলসেই মন:সংযোগ করলেন, এই প্রশ্নটা অবশ্য থেকেই যাচ্ছে।

সানিয়া মির্জাদের পারিবারিক বন্ধু এবং ভারতের নামজাদা টেনিস কোচ ও সাবেক ডেভিস কাপ ক্যাপ্টেন আখতার আলি এর জবাবে যা বলছেন, অনুষ্ঠানে থাকবে সেই সাক্ষাৎকার।

এ সপ্তাহের মাঠে-ময়দানে পরিবেশন করেছেন শুভজ্যোতি ঘোষ