কাশিমপুর কারাগারে জামায়াত নেতা মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু

কাশিমপুর কারাগার

ছবির উৎস, Focus Bangla

ছবির ক্যাপশান,

শনিবার সকাল থেকেই গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মানবতা বিরোধী অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড আজ রাতেই কার্যকর করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু হয়ে গেছে।

একটি দায়িত্বশীল সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, এরই মধ্যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গাজীপুরের কাশিমুপর কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদেরকে শেষ সাক্ষাতের জন্য সাড়ে তিনটায় সময় দেয়া হয়েছে।

মীর কাসেম আলীর স্ত্রী-কন্যা সহ একুশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কারাগারে শেষ সাক্ষাতের জন্য রওয়ানা দিয়েছেন বলে পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

মি.আলীর তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছে যে, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না।

ফলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে এখন আর কোন আইনি বাধা নেই।

তবে কখন মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে সেটা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিবিসিকে বলেছেন, "নিয়মানুযায়ী সময় মতোই সব হবে"।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

মীর কাসেম আলী (ফাইল চিত্র)

মীর কাসেম আলীকে কাশিমপুর কারাগারেই রাখা হয়েছে।

এখানে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে এটিই হবে কাশিমপুর কারাগারে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যকর হওয়া প্রথম মৃত্যুদণ্ড।

এর আগে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে সবগুলো মৃত্যুদণ্ডই কার্যকর করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, যেটিকে কদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

এ উপলক্ষে কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য।