দুই হাতির লড়াইয়ে পদপিষ্ট হয়ে মহিলার মৃত্যু

শ্রীলংকায় হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দিরে পূজাপার্বণে ব্যবহার করা হয় পোষা হাতি।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

শ্রীলংকায় হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দিরে পূজাপার্বণে ব্যবহার করা হয় পোষা হাতি।

শ্রীলংকার রত্নপুরা শহরে এক উৎসবের প্রস্তুতির সময় দুই হাতির ঝগড়ার মাঝে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ বছরের এক মহিলা।

রত্নপুরার এক মন্দিরে বার্ষিক এক উৎসবের মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য হাতি দুটিকে প্রস্তুত করার সময় তাদের মধ্যে লড়াই বেঁধে যায়।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে মন্দির চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান ষাট বছরের একজন মহিলা এবং আহত হন বেশ অনেকে।

পুলিশ কর্মকর্তা জানাচ্ছেন দুই হাতিকে আলাদা করার চেষ্টায় মাহুত ধারালো আঁকশির মত জিনিস দিয়ে হাতিকে খোঁচা মারে।

হাতিটি যন্ত্রণায় পালাতে গেলে মন্দির চত্বরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।

আরও পড়ুন:

হাতিটি মাহুতের কাছ থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল- কোনো মানুষকে আক্রমণ করার চেষ্টা তার মধ্যে ছিল না বলে পুলিশ জানিয়েছে। কিন্তু আতঙ্কিত মানুষ পালানোর চেষ্টা করলে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে।

নিহত মহিলা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।

রাজধানী কলম্বোর ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে রত্নপুরার ওই মন্দিরে প্রতি বছরের এই অনুষ্ঠান অসংখ্য ভক্ত জড়ো হন। এবছরও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি উপলক্ষে শুক্রবার প্রচুর ভক্ত সেখানে জড়ো হয়েছিল যখন এই ঘটনা ঘটে।

শ্রীলংকার হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দিরগুলোতে পোষা হাতি রাখার চল অনেকদিনের এবং এসব মন্দিরের পূজাপার্বণে হাতিকে পবিত্র পশু হিসাবে দেখা হয়।