গুলশান হামলার অর্থ ও অস্ত্র বিদেশ থেকে আসে: পুলিশ

হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার রাতে গুলশান এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা
ছবির ক্যাপশান,

হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার রাতে গুলশান এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক দুটো বড় ধরণের সন্ত্রাসী ঘটনায় অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ বিদেশ থেকে করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের সন্ত্রাস-বিরোধী ইউনিট বলছে, অর্থ পাঠানো হয়েছিল হুন্ডির মাধ্যমে, আর অস্ত্র আসে ভারত হয়ে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট বলছে, ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে গত ১লা জুলাইয়ের নজিরবিহীন জঙ্গি হামলা আর এর পরপরই ঈদুল ফিতরের দিন শোলাকিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার দুটো ঘটনার জন্যে বিদেশ থেকে হুন্ডি করে অর্থ পাঠানো হয়েছিল।

মোট কতো টাকা এসেছে সেবিষয়ে পুলিশ কিছু বলতে না পারলেও একটি চালানেই প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা আসে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই অর্থের মাধ্যমেই অস্ত্র সংগ্রহ ও বাসা ভাড়া করা হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।

ছবির ক্যাপশান,

পুলিশ ও র‍্যাবের অভিযান

অর্থের উৎস হিসেবে তিনি নির্দিষ্ট করে কোন দেশের নাম উল্লেখ করেননি, তবে হুন্ডি বেশী হয় এমন একটি দেশ থেকে এই অর্থ আসে বলে তিনি জানান।

মি. ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে অর্থ গ্রহণকারীকে তারা চিহ্নিত করেছেন। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে।

তবে এই অর্থ কে বা কারা পাঠিয়েছে সেবিষয়ে পুলিশ এখনও কিছু জানাতে পারেনি।

অন্যদিকে, এই দুটো হামলায় ব্যবহার করা অস্ত্রও বিদেশ থেকে এসেছে, এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত না জানা গেলেও তা ভারত হয়ে বাংলাদেশে ঢোকে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

গুলশানের জঙ্গি হামলায় ১৭জন বিদেশিসহ মোট ২২ জন নিহত হয়।

এই হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট।

হামলার পর আইএস রেস্তোরার ভেতরে নিহত ও হামলাকারীদের ছবিও ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে।