ছবিতে দেখুন: বাংকারে হিটলারের অফিস কেমন ছিলো। রাজধানী বার্লিনে তার একটি নমুনা

আডল্ফ হিটলারের বাঙ্কারের একটি নমুনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে এখানেই জীবনের শেষ সময় কাটিয়েছিলেন জার্মান স্বৈরশাসক। রাজধানী বার্লিনে এটি দর্শকদের জন্যে খুলে দেওয়া হয়েছে।

ছবির ক্যাপশান,

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে এই বাংকারেই জীবনের শেষ সময় কাটিয়েছিলেন জার্মান স্বৈরশাসক আডল্ফ হিটলার। নাৎসী যুগে বিমান হামলার হাত থেকে বাঁচার জন্যে এই বাংকার তৈরি করা হয়েছিলো। এর একটি নমুনা তৈরি করা হয়েছে রাজধানী বার্লিনে

ছবির ক্যাপশান,

হিটলারের বসার ঘরের একটি নমুনা। এটাই ছিলো তার অফিস। কিন্তু আসবাবপত্রগুলো তখনকার সময়ের নয়।

ছবির ক্যাপশান,

হিটলারের টেবিল। বাইরে যখন যুদ্ধ চলতো হিটলার তার সহযোগীদের নিয়ে এখানেই বৈঠক করতেন। সেখানে আরো থাকতেন এফা ব্রাউন, যাকে তিনি জীবনের শেষ দিনগুলোতে এই বাংকারের ভেতরে বিয়ে করেছিলেন।

ছবির ক্যাপশান,

ধারণা করা হয় এটিই হিটলারের শেষ অফিসিয়াল ছবি। ১৯৪৫ সালের ৩০শে এপ্রিল তিনি নিজেকে নিজে গুলি করে হত্যা করেন।

ছবির ক্যাপশান,

এখানে বাংকারের একটি মডেল দেখা যাচ্ছে। ৩০টি কক্ষ আছে এখানে। ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের কাছে রাইশ চ্যান্সেলরি গার্ডেনের কাছে বাংকারের এই নমুনাটি তৈরি করা হয়েছে।

ছবির ক্যাপশান,

এই ছবিগুলো ১৯৪৫ সালে হিটলারের বাংকার সম্পর্কে অনেক গল্পই তুলে ধরছে। কোনো কোনো ছবিতে এর ভেতরে সোভিয়েত সৈন্যদের দেখা যাচ্ছে।

ছবির ক্যাপশান,

একজন মার্কিন সৈন্যকে দেখা যাচ্ছে ১৯৪৫ সালে হিটলারের আত্মহত্যার পর পুড়ে যাওয়া বাংকারের ভেতরে।

ছবির ক্যাপশান,

যুদ্ধবিধ্বস্ত বার্লিনে হিটলারের কথিত কবরের সামনে রুশ সৈন্যদের পোজ দিয়ে তোলা ছবি, ১৯৪৫ সালে তোলা।

ছবির ক্যাপশান,

কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানি ১৯৫৯ সালে হিটলারের বাংকার থেকে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নেয়।