ফুটবলারের মাঠের বাইরের জীবন কতটা নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ?

ইংলিশ ফুটবলার ওয়েন রুনির একটি বিয়ের পার্টিতে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত মদ্যপান করার ঘটনাকে নিয়ে আবার সেই পুরোনো বিতর্ক নতুন করে উঠেছে - খেলার সময়ের বাইরের একজন ফুটবলারের কতটা নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করা উচিত?

একটি পেশাদার ক্লাবে ফুটবলাররা কি খাবেন, কখন কোথায় যাবেন, রাতে সর্বোচ্চ কতটা সময় পর্যন্ত জেগে থাকতে পারবেন, তার বান্ধবী বা স্ত্রীর সাথে কতটা সময় কাটাবেন - সবকিছুই কমবেশি নিয়ন্ত্রণের একটা চেষ্টা থাকে। খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এটা করা হয়।

একটি ক্লাব বা জাতীয় দলের ম্যানেজার এবং ফিজিওরা এসব বিষয়ে নজরদারি করেন।

কয়েকদিন আগে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের মধ্যে বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং ম্যচের পর। এতে ইংল্যান্ড ৩ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারায় ।

এর পর ওয়েন রুনি প্রথম অন্য কয়েকজন খেলোয়াড়ের সাথে এবং তারপর একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত মদ্যপান করেন।

জাতীয় দলের অধিনায়ক রুনির ইংল্যান্ডের জার্সি পরা অবস্থায় এই মদ্যপানের ঘটনার ছবি পত্রিকায় বেরুলে হৈচৈ শুরু হয়, ইংলিশ ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেট তার কড়া সমালোচনা করেন। রুনি নিজেও এ ঘটনা নিয়ে দু:খ প্রকাশ করেছেন।

ছবির ক্যাপশান,

পেশাদার ফুটবলারদের মাঠের বাইরের জীবন কতটা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত - তা নিয়ে সবাই একমত নন

তবে অনেকে এ ঘটনাটিকে ততটা গুরুত্ব দিতে চাইছেন না। তারা বলছেনএ যুগের ফুটবলাররা সবাই পেশাদার এবং তারা খেলার সময়ের বাইরে কি করছে তা তত গুরুত্বপূর্ণ নয়।

তবে অন্য অনেকের মত হলো খেলোয়াড়রা রোল মডেল, তাই তাদের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।

এ বারের মাঠে ময়দানেতে শুনবেন এ নিয়ে কি বলছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবল ম্যানেজার ও সাবেক খেলোয়াড়রা।

আরো রয়েছে, বাংলাদেশের একজন ফুটবল ম্যানেজার এ কেএম মারুফুল হকের কথা: একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত জীবন কতটা এবং কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় তাদের ?

ছবির ক্যাপশান,

ওয়েন রুনি

আফ্রিকান নানা ভাষায় ক্রিকেটের ধারাভাষ্য

উপমহাদেশে বাংলা-হিন্দি উর্দুতে ক্রিকেট ধারাভাষ্য তো বহুকাল ধরেই চলছে। কিন্তু ক্রিকেট খেলুড়ে আফ্রিকান দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কি?

আফ্রিকার জিম্বাবুয়ে, বোটসোয়ানা আর দক্ষিণ আফ্রিকা - এই তিনটি দেশের প্রায় ২০ লাখ লোক অনেকেই শোনা বা এনডেবেলে ভাষায় কথা বলেন।

সম্প্রতি শ্রীলংকা ক্রিকেট দল জিম্বাবুয়ে সফরে গেলে ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো রেডিওতে এনডেবেলে ভাষায় ক্রিকেটের ধারাবিবরণী প্রচার করে স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশন।

উদ্দেশ্য ছিল ক্রিকেটকে এনডেবেলে ভাষাভাষীদের আরো কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া।

ক্রিকেটের মতো একটি খেলার ধারাবিবরণী সম্পূর্ণ নতুন এক ভাষায় দেবার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

এ নিয়ে শুনবেন বিবিসির একটি প্রতিবেদন।

এ সপ্তাহের মাঠে ময়দানে পরিবেশন করেছেন পুলক গুপ্ত।