নব্বুই বছরের পুরোনো বিমানগুলো উড়ে গেল আট হাজার মাইল

মহড়ায় অংশ নেয়া কিছু পুরোনো বিমান
ছবির ক্যাপশান,

মহড়ায় অংশ নেয়া কিছু পুরোনো বিমান

একেবারে লক্কর-ঝক্কর মার্কা কিছু বিমান। ১৯২০ বা ১৯৩০ এর দশকে তৈরি। কোন কোনটির ককপিট খোলা। নেভিগেশনের যন্ত্রপাতি একেবারেই সেকেলে।

এসব বিমান নিয়েই আট হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছেন একদল পাইলট। এটি ছিল তাদের এক মহড়ার অংশ। এটি শুরু হয় গত নভেম্বরে।

যাত্রাপথে এসব বিমান থেমেছে মিশরের পিরামিড এবং মাউন্ট কিলিমানজারোর কাছে।

এই মহড়ার নাম দেয়া হয়েছিল ক্রেট-টু-কেপ র‍্যালী। ১১ নভেম্বর শুরু হওয়া এই র‍্যালী মূলত আফ্রিকার ওপর দিয়ে বিমান চালনার প্রথম যুগের একটি রুট অনুসরণ করেছিল।

ছবির ক্যাপশান,

মিশরের পিরামিডের কাছে অবতরণের অনুমতি দেয়া হয়েছিল পুরোনো দিনের এই বিমানগুলোকে

পুরোনো এই বিমানগুলো মিশরের কায়রো হয়ে নীল নদের ওপর দিয়ে খার্তুম এবং ইথিওপিয়ার পর্বতময় অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এরপর এগুলো কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে গিয়ে নামে।

মহড়ায় অংশ নেয়ার সময় একটি বিমানের ইঞ্জিন প্রায় বিকল হয়ে গিয়েছিল।

ছবির ক্যাপশান,

বিমানগুলো ককপিট ছিল উন্মুক্ত, এগুলোর যন্ত্রপাতিও একেবারে সেকেলে

ছবির ক্যাপশান,

মহড়ায় অংশ নেন অনেক পেশাদার পাইলট।

অপর একজন, ৭২ বছর বয়সী ব্রিটিশ পাইল মরিস কার্ক দুবার তার বিমান সহ নিখোঁজ হয়ে যান। তাকে ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ গ্রেফতার করে একবার। এরপর তিনি ভুল করে দক্ষিণ সুদানের এক যুদ্ধ কবলিত এলাকায় গিয়ে নামেন।

এই বিমান মহড়ার আয়োজক স্যাম রাদারফোর্ড বলেন, এ পর্যন্ত এই মহড়াকে সফলই বলতে হবে। তবে সব বিমান যখন কেপ টাউনে গিয়ে নামবে, তারপর আমরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবো।

মোট ১১ টি পুরোনো বিমান এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাতটি বিমানের দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন পর্যন্ত যাওয়ার কথা।

ছবির ক্যাপশান,

বিমানগুলো কেনিয়ায় উড়ে আসার পর উৎসুক দর্শকদের ভিড়

ছবির ক্যাপশান,

পুরোনো বিমানগুলোর ছবি তুলতে ব্যস্ত সাংবাদিকরা