আইএস-বিরোধী নতুন অভিযান শুরু করেছে ইরাকি সেনাবাহিনী

ইরাকের সরকার-পন্থী বাহিনী গত বছর ফালুজা শহর দখল করে। ছবির কপিরাইট এএফপি
Image caption ইরাকের সরকার-পন্থী বাহিনী গত বছর ফালুজা শহর দখল করে।

ইরাকের সরকার বলছে, তারা তথাকথিত ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে।

ইরাকি সেনাবাহিনী বলছে, সিরিয়ার সীমান্তের কাছে কিছু শহরকে ইসলামিক স্টেটের কবল থেকে উদ্ধারের লক্ষ্যে তারা অভিযান শুরু করেছে।

সেনাবাহিনীর সাথে যোগ দিয়েছে স্থানীয় উপজাতীয় যোদ্ধারা। বলা হচ্ছে, আমেরিকার নেতৃত্বে কোয়ালিশন বাহিনীও অভিযানে সাহায্য করবে।

বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে ফোরাত নদীর তীর বরাবর আনা, রাওয়া আর আল-কাইম শহরগুলো।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেনাবাহিনী উত্তরে মসুল শহরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাচ্ছে।

এখন এই নতুন অভিযান চালানোর মধ্যে দিয়ে ইরাকি সরকার দেশের পশ্চিমাঞ্চলেও একটা নতুন রণাঙ্গনে যুদ্ধ শুরু করল।

গত বছর ইরাকি সরকারি বাহিনী রামাদি আর ফালুজা শহরসহ আনবার প্রদেশের বেশিরভাগ এলাকা থেকে ইসলামিক স্টেট যোদ্ধাদের হটিয়ে দিয়েছিল।

এখন ইরাকি সরকারের লক্ষ্য ফোরাতের তীরবর্তী এই শহরগুলোরও নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। এই আনা, রাওয়া আর আল-কাইম শহরগুলো সিরিয়া সীমান্তগামী মহাসড়কের উপর।

উত্তরে মসুল দখলের লড়াইয়েও ইরাকি বাহিনীতে বিদেশী সামরিক উপদেষ্টার সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিগুণ বেড়েছে।

ছবির কপিরাইট রয়টার্স
Image caption ইরাকি বাহিনী মুসলের এ তৃতীয়াংশের নিয়ন্ত্রণ হতে নিয়েছে।

কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই শহর দখলে ইরাকি বাহিনীকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য মিত্র দেশগুলোর ৪৫০ জন সামরিক উপদেষ্টা।

অক্টোবরে মসুলে সেনা অভিযান শুরু হবার সময় ধারণা করা হয়েছিল মসুল থেকে তথাকথিত আইএস জঙ্গিদের নতুন বছর শুরুর আগেই হঠানো সম্ভব হবে।

কিন্তু ঐ লড়াইয়ে ডিসেম্বরের পর সেভাবে অগ্রগতি হয় নি। ইরাকি বাহিনীতে সেখানে প্রচুর প্রাণহানি হয়েছে।

এরপর এখন আরও তিনটি শহর আইএস মুক্ত করতে নতুন রণাঙ্গনে যুদ্ধে নামল ইরাকি সৈন্যরা।

সম্পর্কিত বিষয়

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর