যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ, ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন অনড়

২৮শে জানুয়ারি জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বিক্ষোভের চিত্র

ছবির উৎস, Stephanie Keith

ছবির ক্যাপশান,

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে বিক্ষোভ হচ্ছে, জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বিক্ষোভের চিত্র

সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে, সমালোচনা উঠেছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস বিমানবন্দরসহ পুরো দেশজুড়েই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ চলছে। বিশেষ করে বিমান বন্দরগুলোতে যেখানে আটকা পরেছেন বহু মুসলিম, যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চায়। হোয়াইট হাউজের সামনেও বিক্ষোভ হয়েছে।

একজন বিক্ষোভকারী ট্রাম্পের অভিসংশন দাবি করে বলছেন যে, "তার অভিশংসন হওয়া উচিৎ। আমাদের এই বৈষম্য বন্ধ করা উচিত। আমরা এভাবে সামনে এগুচ্ছি না, আমরা আসলে পিছিয়েই পড়ছি। দেশটি কিসে পরিণত হচ্ছে? এসব বন্ধ হওয়া দরকার।"

আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, " প্রত্যেক বৈধ ব্যক্তিরই এদেশে আসা যাওয়ার অধিকার আছে। তাদের কোনো ধরনের সমস্যা হওয়া উচিত নয় আমি মনে করি সবারই সে অধিকার থাকা উচিত।"

শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সাতটি মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রের মানুষকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

এই আদেশের বিরুদ্ধে একটি সংগঠন মামলা করলে সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করেন নিউইয়র্কের ডিস্ট্রিক্ট জাজ অ্যান ডনেলি।

কিন্তু অবস্থানে অনড় রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। লিখিত বক্তব্যে মিস্টার ট্রাম্প মুসলিম নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এসব কিছুর জন্যে মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণাকে দোষ দিয়েছেন। তিনি বলছেন যে, ৯০ দিনের মধ্যে সকল দেশের নাগরিককেই ভিসা প্রদান করা হবে।

এদিকে, ট্রাম্পের অভিবাসী ও শরণার্থী বিরোধী এমন সিদ্ধান্তে সমালোচনা হচ্ছে সারা বিশ্বে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের নিজ দেশে স্বাগত জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

বিশ্বের অন্যান্য নেতাদের সাথে সমালোচনা করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলও।

আরও পড়ুন:

ছবির ক্যাপশান,

ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে যারা আটকা পড়েছেন তাদের জন্য বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়েছেন আইনজীবীরা, ভার্জিনিয়ার ডালাস বিমানবন্দরের চিত্র এটি