'নির্বাচন সহায়ক সরকার' নিয়ে আলোচনা চাইবে বিএনপি

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাথে খালেদা জিয়া ও বিএনপির অন্যান্য নেতারা

ছবির উৎস, BB

ছবির ক্যাপশান,

নির্বাচন কমিশন গঠণ নিয়ে সংলাপের পর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাথে খালেদা জিয়া ও বিএনপির অন্যান্য নেতারা (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি নির্বাচনকালীন একটি সহায়ক সরকারের একটি প্রস্তাব দেবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মি. আলমগীর বলেন, "নির্বাচনকালীন সময়ে যদি নিরপেক্ষ সরকার না থাকে তাহলে কারো পক্ষেই সেখানে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব না"।

নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রস্তাবটি তারা প্রধানমন্ত্রীকে দেবেন বলেও জানান বিএনপির মহাসচিব।

সোমবার ঢাকায় বিএনপি কার্যালয়ে একটি বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

"এখন প্রধানমন্ত্রীকেই আমরা এই প্রস্তাব দেব যে এইভাবে আসতে হবে" - নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করার পর বলেন মি. আলমগীর।

"তা না হলে সকল দায়-দায়িত্ব তাকেই গ্রহণ করতে হবে"।

সহায়ক সরকার নিয়ে "সরকারকেই আলোচনার উদ্যোগ নিতে বলবো" বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ছবির উৎস, FOCUS BANGLA

ছবির ক্যাপশান,

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করার পর বিএনপি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে। দলটি ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনও বর্জন করে।

তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বরাবরই বলে আসছে যে সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এখন পর্যন্ত দলটি নির্বাচনকালীন অন্য যেকোন ধরণের সরকারের ধারণা নাকচ করে চলেছে।

নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা জানতে চাইলে সাংবাদিকদের বিএনপি মহাসচিব বলেন, "সেটি পরের ব্যাপার"।

প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন নিয়ে এর আগেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল বিএনপি।

নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণার পর বিএনপি তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছিল, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ীই নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে বলে তারা মনে করে।