রাজন হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

শিশু রাজনকে খুঁটির সাথে বেধে পিটিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে

ছবির উৎস, ইউটিউব

ছবির ক্যাপশান,

শিশু রাজনকে খুঁটির সাথে বেধে পিটিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে

বাংলাদেশের সিলেট জেলায় শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।

এর আগে ২০১৫ সালের ৮ই নভেম্বর মাত্র ১৭ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলায় কামরুল ইসলাম ও ময়না চৌকিদারসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

হাইকোর্ট আজ নিম্ন আদালতের দেয়া ফাঁসির রায় রেখেছে।

২০১৫ সালের ৮ই জুলাই চুরির সন্দেহে ১৩ বছর বয়সী শিশু রাজনকে খুঁটির সাথে বেঁধে পেটানো হয়।

পরে তার মরদেহ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা উদ্ধার করে।

ছবির উৎস, বিবিসি

ছবির ক্যাপশান,

মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম

নির্যাতনের সময় দৃশ্যটি ভিডিওতে ধারণ করে নির্যাতনকারীরা। পরে সেই ভিডিও ফেসবুকসহ ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে আলোড়নের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার দুই দিনের মাথায় মামলার মূল আসামি কামরুল ইসলাম ওই হত্যাকাণ্ডের পালিয়ে সৌদি আরবে চলে যান।

পরে ভিডিও দেখে প্রবাসীদের সহযোগিতায় তাকে আটক করে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

রাজন হত্যার দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ওই বছর ১৬ই অগাস্ট ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

মাত্র ১৭ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালত ২০১৫ সালের ৮ই নভেম্বর এ মামলায় রায়ে কামরুল ইসলাম ও ময়না চৌকিদারসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

এছাড়া একজনের যাবজ্জীবনসহ পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।