মাদকাসক্ত সাপ সারিয়ে তুলতে ১৫ জন পরিচর্যাকারী

সাপ

ছবির উৎস, Corrective Services NSW

ছবির ক্যাপশান,

আইনগত কারণে সাপটির নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না ।

অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য ছিল মাদক আটক। কিন্তু উল্টো মিলে গেল মাদকাসক্ত এক অজগর সাপ।

মাদক তৈরির একটি কারখানায় অভিযান পরিচালনার জন্য পুলিশের প্রস্তুতি ছিল বেশ কিছু ধরে।

তাদের মনে হয়েছিল, অভিযান পরিচালনা করা হলে সেখানে কয়েক কেজি মাদকদ্রব্য, মাদক তৈরির যন্ত্রপাতি এবং বিপুল নগদ অর্থ পাওয়া যাবে।

কিন্তু সেখানে পাওয়া গেল ছয় ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ। ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। তবে সে জায়গাটিতে যে মাদক ছিল তা পরিষ্কার। কারণ যে সাপটিকে পাওয়া গেছে সেটি মাদকাসক্ত ছিল।

একটি সাপ কিভাবে মাদকাসক্ত হয়? এনিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে।

ছবির উৎস, Corrective Services NSW

ছবির ক্যাপশান,

কারাগারের তত্তাবধায়ক ইয়ান মিচেল

কর্মকর্তারা বলছেন, সাপটি তার চামড়ার সাহায্যে মাদক গ্রহণ করেছে। কারণ সাপটি যে জায়গায় থাকতো সেখানে বেশ উচ্চ মাত্রার মাদক ছিল।

ফলে চামড়ার সাহায্যে সে মাদক গ্রহণ করা সম্ভব বলে কর্মকর্তারা বলছেন। সাপটির আচরণ বেশ আগ্রাসী ছিল। কর্মকর্তারা বলছেন, মাদকের প্রভাবেই এটি হয়েছে।

অজগরটি এতো ব্যাপক মাত্রায় মাদক গ্রহণ করেছিল যে তাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাত মাস সময় লেগেছে। ১৪ জন কয়েদি এ সাপটির যত্ন করেছে সাত মাস যাবত।

কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক অপরাধী তাদের গোপন অস্ত্র এবং মাদক রক্ষার জন্য বিষাক্ত সাপ ব্যাবহার করে।

কারাগারের গভর্নর জানিয়েছেন কারাগারটিতে গত ২০ বছর যাবত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কার্যক্রমে কয়েদিদের ব্যবহার করা হচ্ছে।

কয়েদিরা যখন বন্যপ্রাণীকে যত্ন করে তখন তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয় বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। এতে করে কয়েদিদের মধ্যে যত্ন করার মনোভাব গড়ে উঠে এবং তারা আরো মানবিক হয়ে উঠে।