ইন্টারনেট কলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে সৌদি আরব

সৌদি নারীরা ছবির কপিরাইট AFP

সৌদি আরবে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ যেমন স্কাইপ, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অডিও-ভিডিও কল করার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে সৌদি আরব।

যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ বুধবার থেকে এসব সুবিধা সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।

দেশটির আইন লঙ্ঘন করছে এমন অভিযোগে এর আগে ভিওআইপি অ্যাপগুলোও ব্লক করে দেয়া কর্তৃপক্ষ।

স্ন্যাপচ্যাটে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বন্ধ করে দেয়ার একদিন পরই সৌদি আরব ইন্টারনটে কলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিলো।

সৌদি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, "কাতারভিত্তিক এ চ্যানেলটি ক্ষতিকর, সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে, প্রপাগান্ডা ছড়ায় এমন খবর প্রকাশ করে"।

২০১৩ সালে বিভিন্ন ভিডিও কলিং অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সৌদি আরব এবং সেবাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়।

দেশটির যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইন্টারনেট এ সেবাগুলো আবারো সবার জন্য খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তটি খুবই গুরুত্বর্পূণ পদক্ষেপ।

"সৌদি অর্থনীতির জন্য ডিজিটাল পরিবর্তন একটা অন্যতম পদক্ষেপ। বিশেষ করে মিডিয়া ও বিনোদন শিল্পের মতো ইন্টারনেট নির্ভর শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে"।

তবে সৌদি আরবের ইন্টারনেট ব্যবহার আইন অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি, জুয়া ও অপরাধের সাথে জড়িত ওয়েবসাইটগুলো আগের মতোই নজরদারিতে থাকবে বলে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে দেশটির বিনোদন ক্ষেত্র গড়ে তোলার জন্য বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ তহবিল রয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি গড়তে এই তহবিল ব্যবহার করা হবে।

যে এন্টারপ্রাইজ গড়ে তোলা হচ্ছে তাতে আড়াই বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে, এতে হাজার মানুষের চাকরির সুযোগও সৃষ্টি হবে।

সৌদি আরবের মতো রক্ষণশীল দেশের নাগরিকরা যেন কিছুটা হলেও আনন্দবিলাসের সুযোগ পায় তা নিয়েও এর আগে ভেবেছে কর্তৃপক্ষ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সুযোগও দেয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের দ্বীপগুলোতে রিসোর্ট বানানোর পরিকল্পনার কথা গত মাসে এক ঘোষণায় জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিবিসি বাংলার আরো খবর:

'মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত'

বিয়ের খরচের জন্য অতিথিদের সাহায্য চাইলেন বর

সৌদি বাদশাহর কাছ থেকে যেসব উপহার পেলেন ট্রাম্প

চাকমা হাজংদের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ

সম্পর্কিত বিষয়