রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের শঙ্কা

থেয়াংখালিতে অস্থায়ী বাসস্থান গড়ে তুলছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। ছবির কপিরাইট AFP
Image caption থেয়াংখালিতে অস্থায়ী বাসস্থান গড়ে তুলছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।

আন্তর্জাতিক মেডিকেল ত্রাণ সংস্থা মেডস্য স্যঁ ফ্রঁতিয়ে বা এমএসএফ বলছে, লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী জন্য অস্থায়ী শিবিরগুলিতে স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের হুমকি তৈরি হয়েছে।

শরণার্থী শিবিরের জনসংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে যাওয়ার ফলে যে কোন সময়ে ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বলে তারা হুঁশিয়ার করছে।

এক বিবৃতিতে এমএসএফ বলছে, নতুন শরণার্থীরা যেসব অস্থায়ী শিবিরে এসে উঠেছেন যেখানে পর্যাপ্ত সংখ্যায় বাসস্থান নেই।

নেই খাবার, নিরাপদ পানীয় জল কিংবা শৌচাগারের সুবিধে।

শিবিরগুলিতে পৌঁছানোর জন্য রাস্তাঘাট নেই। যেগুলো রয়েছে মলমূত্র ছড়িয়ে থাকার কারণে সেগুলোতে হাঁটাচলা করা যায় না।

বিশুদ্ধ পানির সংকটের ফলে লোকজনকে ধানক্ষেত কিংবা ডোবা থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

যে অল্প সংখ্যক টিউবওয়েল রয়েছে মলমূত্রের কারণে তার জল দূষিত হয়েছে বলে এমএসএফ বলছে।

এক হিসেব দিয়ে এমএসএফ জানাচ্ছে, কুতুপালং-এ তাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১২ দিনে তারা ৪৮৭ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে সেবা দিয়েছে।

অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাও অপ্রতুল বলে ত্রাণ সংস্থাটি বলছে।

এমএসএফ এর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২৫শে অগাস্ট থেকে ১৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সহিংসতার শিকার ২২৫ জন শরণার্থীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এদের মধ্যে ২৩ জন রোগী যৌন নিপীড়নের শিকার বলে তারা বলছে।

ছবির কপিরাইট EPA
Image caption আশ্রয় শিবিরের জীবন