World Anti Doping Agency
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

ধোনি-কোহলিরা কি অ্যান্টি-ডোপিং আইনের ঊর্ধ্বে?

ভারতের ক্রিকেটা তারকাদের ডোপ পরীক্ষার আওতায় কীভাবে আনা হবে, তা নিয়ে ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি বা ওয়াডা-র সংঘাত চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই।

সব খেলাতে বিশ্বের সেরা অ্যাথলিটরা যে ড্রাগ পরীক্ষার নিয়মকানুন মেনে চলেন, ওয়াডার সেই রেজিমেনের আওতায় আসতে একেবারেই ইচ্ছুক নয় ভারতীয় বোর্ড বা বিসিসিআই।

তাদের প্রধান আপত্তি হল এই শর্তাবলীর 'হোয়ারঅ্যাবাউট ক্লজ' নিয়ে, যেখানে প্রতি তিনমাস পর পর খেলোয়াড়দের আগাম জানাতে হবে পরবর্তী নব্বই দিনের রোজ অন্তত এক ঘন্টা করে তাদের বিশ্বের কোথায়, কখন পরীক্ষার জন্য পাওয়া যাবে।

বিসিসিআই মনে করে এভাবে নিজেদের ব্যক্তিগত সফরসূচী আগাম জানানোর অর্থ হল ভিরাট কোহলি বা এম এস ধোনির মতো মেগা-তারকাদের নিরাপত্তা বা গোপনীয়তার সঙ্গে আপস করা।

কিন্তু এখন ওয়াডা কার্যত বিসিসিআইকে আলটিমেটাম দিয়েছে, তারা এই শর্ত না-মানলে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত জারি করা হতে পারে।

ছবির কপিরাইট Ryan Pierse
Image caption ভারতীয় ক্রিকেটের দুই মেগা-তারকা ধোনি ও কোহলি

পাশাপাশি এই প্রশ্নও উঠছে, রাফায়েল নাদাল-উসেইন বোল্ট-ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোরা পর্যন্ত যেখানে ওয়াডা রেজিমেন মেনে চলতে বাধ্য, তাহলে কোন যুক্তিতে ছাড় পাবেন কোহলি বা ধোনিরা?

বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলাম ভারতীয় দলের সাবেক উইকেটকিপার ও ওপেনিং ব্যাটসম্যান দীপ দাশগুপ্তর সঙ্গে, অনুষ্ঠানে থাকছে তার সাক্ষাৎকার।

বাঁচাতে পারে ক্লাব ফুটবলই?

সদ্য বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সফর করে গেলেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খালিফা।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন গত সোমবার তাকে বিপুল সংবর্ধনা দিয়েছে, কিন্তু শেখ ইব্রাহিম যাওয়ার আগে এ কথা জানাতে ভোলেননি যে সে দেশের ফুটবল এই মুহুর্তে এক কঠিন সময় পার করছে।

ফুটবলে সুদিন আনার জন্য সংক্ষিপ্ত পরামর্শও দিয়ে গেছেন তিনি - আর সেটা হল ক্লাব ফুটবলকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

ছবির কপিরাইট Jordan Pix
Image caption জর্ডানে বিশ্বকাপের যোগ্যতা নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে নামছে বাংলাদেশ ফুটবল দল (ফাইল চিত্র)

ক্লাবগুলোই নিজস্ব অ্যাকাডেমি গড়ে ফুটবলে তরুণ প্রতিভা তুলে আনতে পারে - যারা একদিন জাতীয় দলেও দারুণ পারফর্ম করবেন, এটাই ছিল এএফসি সভাপতির বক্তব্য।

কিন্তু এককালের তুমুল জনপ্রিয় আবাহনী ক্রীড়াচক্র বা ঢাকা মহামেডানের মতো ক্লাবগুলোর সমর্থনে যেখানে ভাঁটার টান, সেখানে বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে কী সত্যিই নতুন জীবন আনা সম্ভব?

আর সেখানে দেশের ফুটবল ফেডারেশনের ভূমিকাই বা কী হতে পারে?

এ নিয়ে কথা বলেছিলাম আবাহনী ক্লাবের চেয়ারপার্সন কাজী নাবিল আহমেদের সঙ্গে, অনুষ্ঠানে শুনতে পাবেন তার মতামত।

এ সপ্তাহের মাঠে-ময়দানে পরিবেশন করেছেন শুভজ্যোতি ঘোষ

সম্পর্কিত বিষয়