রুশ-সম্পর্কিত কোম্পানিতে মার্কিন মন্ত্রীর বিনিয়োগ

ছবির কপিরাইট বিবিসি
Image caption রুশ সম্পর্কিত কোম্পানিতে বিনিয়োগ রয়েছে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের

বিবিসির দেখা কিছু দলিলপত্রে দেখা যাচ্ছে যে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের এমন একটি কোম্পানিতে শেয়ার আছে - যার সাথে ক্রেমলিনের সম্পর্ক আছে।

বিবিসির অনুষ্ঠান প্যানোরামা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়াম (আইসিআইজে), এবং জার্মান সংবাদপত্র জুয়েডয়েচে জাইটুং-এর করা এক তদন্তের অংশ হিসেবে এক কোটি ৩০ লক্ষেরও বেশি দলিল পত্র পাওয়া গেছে।

ছবির কপিরাইট বিবিসি
Image caption সিবুর-এর মালিকদের দুজন পুটিনের ঘনিষ্ঠ এবং তাদের ওপর মার্কিণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এই দলিলগুলো থেকে উদঘাটিত হয়েছে যে মি. রসের 'নেভিগেটর হোল্ডিংস' নামে একটি শিপিং কোম্পানিতে মালিকানায় অংশীদারিত্ব রয়েছে - যা রুশ জ্বালানি কোম্পানি সিবুর-এর জন্য তেল ও গ্যাস পরিবহন করে লক্ষ লক্ষ ডলার আয় করে থাকে।

সিবুর-এর মালিকের মধ্যে দু'জন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছেন, এবং তারা প্রেসিডেন্ট পুটিনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

বিবিসির একজন সংবাদদাতা বলছেন, মি. রস যদিও অন্যায় কিছু করেন নি, কিন্তু এই তথ্য প্রকাশ পাওয়াটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

প্রকাশিত দলিলপত্রে ব্রিটেনের রানির বিনিয়োগ তথ্য

ছবির কপিরাইট EPA
Image caption রানি এলিজাবেথ

এই তদন্তে আরো জানা গেছে যে রানি এলিজাবেথের এক কোটি পাউন্ড পরিমাণ ব্যক্তিগত অর্থ কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ এবং বারমুদার 'অফশোর ফান্ডে' বিনিয়োগ করা হয়েছে।

এই অর্থের খানিকটা এমন একটি ব্যবসায় গিয়েছে যাকে - নিম্ন আয়ের গ্রহীতাদের প্রতি খারাপ ব্যবহার করার কারণে - ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।

ব্রাইটহাউস হচ্ছে এমন একটি 'হায়ার-পারচেজ' কোম্পানি যা অতিরিক্ত দাম রাখার কারণে এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি সুদহারের কারণে সমালোচিত হয়েছিল।

ছবির কপিরাইট Alamy
Image caption ব্রাইটহাউস একটি হায়ার-পারচেজ কোম্পানি

এর ফলে তাদের পণ্য সরাসরি কিনলে যে দাম হতো তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয়সাপেক্ষ হতে পারে।

এই বিনিয়োগ করা হয়েছিল ১০ বছর আগে, এবং তখন তার মূল্য ছিল পাঁচ লক্ষ ডলারের সামান্য কম।

রাজকীয় কর্মকর্তারা বলছেন, এই অর্থ বিনিয়োগের সিদ্ধান্তের সাথে রানি সংশ্লিষ্ট ছিলেন না।