'বাংলাদেশি জঙ্গিদের সঙ্গে আকায়েদের সম্পর্ক ছিল না'

ছবির কপিরাইট CBS
Image caption আকায়েদ উল্লাহর ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের পুলিশ

নিউ ইয়র্কে আত্মঘাতী বোমা হামলার চেষ্টা চালিয়ে ধরা পড়া আকায়েদ উল্লাহর সঙ্গে বাংলাদেশের জঙ্গিদের কোন সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের কাউন্টার টেররিজম পুলিশের প্রধান মনিরুল ইসলাম বুধবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।

নিউ ইয়র্কের ঘটনার পরপরই কাউন্টার টেররিজম পুলিশ ঢাকায় আকায়েদ উল্লাহর স্ত্রী এবং শ্বশুর-শ্বাশুড়ীকে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে আকায়েদ উল্লাহর কোন যোগাযোগ ছিল কীনা—এ প্রশ্নের উত্তরে মনিরুল ইসলাম বলেন, "আমাদের তদন্তে সেরকম কোন তথ্য এখনো পাইনি। সে যখন শেষ বার বাংলাদেশ আসে তখন ঢাকাতেই থেকেছে বেশিরভাগ সময়। তার বাচ্চাকে সময় দিয়েছে। তবে আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে।"

"আমরা জানার চেষ্টা করছি যে সে হোম-গ্রোন টেররিস্ট গ্রুপগুলোর সঙ্গে কোন যোগাযোগের চেষ্টা করেছে কিনা।"

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে হামলাকারী সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?

নিউইয়র্কে হামলাকারী 'বাংলাদেশী অভিবাসী': পুলিশ

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption নিউ ইয়র্কে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টার পর সতর্কাবস্থায় পুলিশ

তিনি জানান, বাংলাদেশের পুলিশের খাতায় আকায়েদ উল্লাহ সম্পর্কে কোন তথ্য নেই। কোন টেররিস্ট এক্টিভিটির বা ক্রিমিনাল রেকর্ডস নেই। আকায়েদ উল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েই জঙ্গি মতাদর্শের দিকে ঝুঁকেছে বলে ধারণা করছেন তারা।

মনিরুল ইসলাম জানান, আকায়েদ উল্লাহ তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে জসীমউদ্দীন রাহমানি নামে এক জঙ্গী ইসলামী নেতার বইপত্র সম্পর্কে কিছু কথাবার্তা বলার চেষ্টা করতো। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এটা তারা জানতে পেরেছেন।

তিনি জানান, সন্দ্বীপে জন্ম হলেও আকায়েদ উল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে ঢাকাতেই বসবাস করতেন তার পরিবারের সঙ্গে। ঢাকার সিটি কলেজে বিবিএ কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে ছাত্র থাকাকালেই ২০১১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। তার বড় ভাই যুক্তরাষ্ট্রেই থাকেন।

আকায়েদ উল্লাহ সর্বশেষ বাংলাদেশে আসেন গত সেপ্টেম্বরে তার সন্তানকে দেখতে।

তখন তার আচরণে পরিবার কি কোন পরিবর্তন দেখেছে? এ প্রশ্নের উত্তরে মনিরুল ইসলাম বলেন, আকায়েদের বিয়ে খুব বেশিদিন আগে হয়নি। বিয়ের আগে থেকেই আকায়েদ ধর্মপ্রাণ ছিলেন। তার মুখে দাড়ি ছিল। কাজেই পরিবার কোন কিছু সন্দেহ করেনি।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর