যুক্তরাষ্ট্রের এক চিকিৎসকের হাতে ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের ছেলে উদয়ের চিকিৎসা
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

সাদ্দামের ছেলে উদের চিকিৎসা করেছিলেন অ্যামেরিকান ডাক্তার

অ্যামেরিকার একজন মনোবিজ্ঞানীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ইরাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো ২০০১ সালে। তাকে বলা হয়েছিলো ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের বড় ছেলে উদে হোসেনকে সম্মোহনের মাধ্যমে চিকিৎসা করতে। মার্কিন ওই চিকিৎসক ল্যারি গ্যারেট বলেছেন, তার চাকরি জীবনে এটা ছিলো, সন্দেহাতীতভাবে একেবারেই অন্যরকমের এবং উত্তেজনাকর এক অ্যাসাইনমেন্ট।

৭৫ বছর বয়সী শিকাগোর এই চিকিৎসক ল্যারি গ্যারেটের সাথে ২০০১ সালের বসন্তকালে হঠাৎ করেই যোগাযোগ করেন ইরাকের একজন স্নায়ুবিজ্ঞানী। এতে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন। ওই স্নায়ুবিজ্ঞানী ডাক্তারদের এক সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।

তিনি বলেন, ওই ইরাকি ডাক্তার সেসময় তাকে অদ্ভুত এক অনুরোধ করেন। তাকে বলা হয় যে তার কাজ হবে একজনকে সম্মোহিত করার মাধ্যমে চিকিৎসা করা। তবে সেই ব্যক্তির নাম পরিচয় প্রকাশ করেন নি ইরাকি ও স্নায়ু বিজ্ঞানী। তিনি শুধু বলেন যে ওই ব্যক্তি ইরাকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যবসায়ী।

কোন রকম দেরি না করেই ল্যারি এই কাজটি গ্রহণ করতে রাজি হয়ে যান। তিনি বলেন, "এটা ছিলো আমার জন্যে খুবই উত্তেজনাকর এক অ্যাসাইনমেন্ট। ভেতরে ভেতরে একটা উত্তেজনা বোধ করছিলাম। ভাবছিলাম এরপর আমি কি করতে পারি যেটা আমাকে একটু উত্তেজিত করতে পারে।"

কিন্তু ল্যারি গ্যারেটকে তো তখনও বলা হয়নি যে তিনি ইরাকে কার চিকিৎসা করতে যাবেন। এটা নিয়ে কি তার মধ্যে কোন উদ্বেগ ছিলো না? তিনি বলেন, "না, ঠিক এরকম কিছু নয়।"

"আমাকে বলা হয়েছিলো, আমি একজন ব্যবসায়ীর চিকিৎসা করবো। তিনি নাকি শারীরিক চোট পেয়েছেন। এই আঘাতের কারণে তার মধ্যে মানসিক কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তারা জানতে চেয়েছিলো এ কাজটা আমি করতে পারবো কীনা। বললাম, হ্যাঁ, আমি করতে পারি। এরপর দুই থেকে তিন সপ্তাহ ধরে লোকজন আমাকে বলতে লাগলো এই কাজটা আমার জন্যে কতোটা বিপজ্জনক হতে পারে, আমি হয়তো আর কখনোই ইরাক থেকে ফিরে আসতে পারবো না, আমাকে মেরে ফেলা হবে- - ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমি চিন্তাভাবনা করে ওদেরকে বললাম, আমাকে যেহেতু আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, সেকারণেই আমি হয়তো সেখানে নিরাপদ থাকবো।"

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption উদে ছিলেন সাদ্দাম হোসেনের ক্ষমতার উত্তরাধিকারী। নারীদের প্রতি তার ঝোঁক, খুব জোরে গাড়ি চালানো এবং সহিংসতার জন্যে ইতোমধ্যেই তার নাম ছড়িয়ে পড়েছিলো

সেসময় ইরাক ছিলো বিপজ্জনক একটি দেশ। বিশেষ করে পশ্চিমাদের জন্যে। সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত দখল করে নেওয়া এবং প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের পর তৎকালীন ইরাক সরকারের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিলো। ফলে এই অ্যাসাইনমেন্টে যাওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ল্যারি গ্যারেটের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিলো।

ইরাকি যে ব্যক্তি ল্যারির সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি তাকে বিমানের একটি টিকেট পাঠালেন। তারপর ২০০১ সালের মে মাসে তিনি উঠে বসলেন জর্ডানগামী একটি বিমানে। সেখানে ইরাকিরা তাকে স্বাগত জানান এবং তারপর মরুভূমির ভেতর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানী বাগদাদে। এবং তখনই প্রকৃত রোগীর নাম পরিচয় তার কাছে প্রকাশ করা হয়। তিনি আর কেউ নন- উদে হোসেন। ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের বড় ছেলে।

"তখনই আমি অনুভব করি যে আমার শরীরটা কেমন জড়োসড়ো হয়ে গেছে। কিন্তু ততোক্ষণে আমি আমার বাড়ি থেকে ১০ হাজার মাইল দূরে চলে এসেছি। আটকা পড়ে গেছি আরেকটা দেশের ভেতরে। আমি বুঝতে পারলাম, এই পৃথিবীতে সবচেয়ে খারাপ লোকগুলোর একজনকে এখন আমার মানসিক চিকিৎসা দিতে হবে।"

১৯৯৬ সালে ইরাকি টেলিভিশনে সংবাদ পাঠক জানালেন উদে হোসেনকে কিভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিলো। এরপর থেকে ৩২ বছর বয়সী উদেহোসেন হাঁটাচলা করতে একরকম অক্ষম হয়ে পড়েছিলেন।

উদেই ছিলেন সাদ্দাম হোসেনের ক্ষমতার উত্তরাধিকারী। নারীদের প্রতি তার ঝোঁক, খুব জোরে গাড়ি চালানো এবং সহিংসতার জন্যে ইতোমধ্যেই তার নাম ছড়িয়ে পড়েছে। একটি খুনের দায়ে তার পিতা তাকে অন্তরীণও করে রেখেছিলেন। তখন আরো খবর বের হয় যে তিনি ইরাকের জাতীয় ফুটবল দলের একজন খেলোয়াড়কে পিটিয়ে নির্যাতন করেছেন। এই পেটানোর পেছনে কারণ ছিলো বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে ইরাকের হেরে যাওয়া।

ছবির কপিরাইট AFP
Image caption পিতা সাদ্দাম হোসেনের সাথে উদে হোসেন

বাগদাদে পৌঁছানোর পর ল্যারিকে একদিন মাঝরাতে ঘুম থেকে ডেকে তোলা হয়। উদের সাথে সাক্ষাতের জন্যে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি হাসপাতালে। সেখানে এস হাজির হলেন উদে হোসেন। তাকে ঘিরে ছিলো একদল ডাক্তার আর দেহরক্ষী।

তিনি বলেন, "হেঁটে হেঁটে তিনি একটা কক্ষের ভেতরে এলেন। তার সঙ্গে ঢুকলো আরো কয়েকজন দেহরক্ষী। ওখানে আরো যারা ছিলো তারা উদেকে দেখে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। মনে হলো একজন ঈশ্বর ওই গৃহে প্রবেশ করেছেন। সবাই তাকে অভ্যর্থনা জানালো, মনে হচ্ছিলো তারা তাকে খুব সম্মান ও শ্রদ্ধা করছে। কিন্তু পরে আমি দেখেছি যে ওটা আসলে ছিলো এক ধরনের ভয়।"

"তিনি সরাসরি আমার কাছে চলে এলেন। প্রথমে আমাকে শুভেচ্ছা জানালেন। তারপর আমি যে ওখানে গিয়েছি সেজন্যে আমাকে ধন্যবাদ জানালেন। তিনি বললেন যে, আমি যাওয়াতে উনি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছেন। তারপর আমরা একসাথে বসে একটু কথাবার্তা বললাম। আধা ঘণ্টা চলে গেলো। আর তখনই আমি তাকে প্রথমবারের মতো সম্মোহিত করার মাধ্যমে চিকিৎসার কাজটা শুরু করেছিলাম।"

দৃশ্যত মনে হয়, ল্যারির কাজটা খুব সহজ ছিলো। তার কাজ ছিলো সম্মোহনের মাধ্যমে উদে হোসেনের ভেতর থেকে দুশ্চিন্তা উদ্বেগ এসব দূর করা। উদ্দেশ্য ছিলো, তাকে হত্যার চেষ্টার পর তিনি যে হাঁটাচলা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন সেই ক্ষমতা তাকে ফিরিয়ে দেওয়া। কিন্তু তাদের দুজনের মধ্যে এতোটা বিভেদ সত্ত্বেও এই কাজটা ল্যারি কিভাবে করেছিলেন

"উদের সাথে যখন আমার দেখা হয় তখন তার বয়স ৩৮ থেকে ৩৯। আমার ছেলের বয়সী। ফলে আমি নিজেকে তার সামনে একজন পশ্চিমা নাগরিক হিসেবে তুলে ধরিনি। কারণ আমি জানতাম অ্যামেরিকানদের প্রতি হয়তো তার কোন সম্মান ছিলো না। একই সাথে আমি তাকে একজন সন্ত্রাসী, খুনী কিম্বা ধর্ষণকারী হিসেবেও দেখিনি। তাকে দেখেছি ভীত-সন্ত্রস্ত একটি শিশু হিসেবে যে তার হাঁটাচলার ক্ষমতা ফিরে পেতে চেষ্টা করছে। সেও আমাকে দেখেছিলো এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে যে তাকে সাহায্য করতে চায়। ফলে আমরা আমাদের মধ্যে একটা সম্পর্ক গড়ে তুলতে পেরেছিলাম। এবং তৃতীয় সেশনের পরই, কোন রকমের দ্বিধা ছাড়াই সে হেঁটে উপরের তলায় উঠতে পারতো।"

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption যুক্তরাষ্ট্র নিহত উদে হোসেনের এই ছবিটি প্রকাশ করেছিলো

এসব সেশনে ল্যারি তাকে সম্মোহনের মাধ্যমে বলার চেষ্টা করতেন খুব সাধারণভাবে হেঁটে যেতে। উদের মনের ভেতরে যুক্তির সাথে তার আবেগের যে বিরোধ ছিলো সেটাই তিনি দূর করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি কি কখনো উদের সাথে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলেছিলেন?

"কখনো না, কখনোই না। কারণ এটা তো আমার বিষয় ছিলো না। আমি মনে করেছি, এসব উল্লেখ করা ঠিক হবে না। কারণ মানসিকভাবে তিনি খুব বিপর্যস্ত ছিলেন। একজন সহিংস মানুষকে কখনো তার সম্পর্কে খারাপ কিছু বলা ঠিক নয়। বরং তাকে নানা ভাবে আশ্বস্ত করতে হবে।"

এক পর্যায়ে উদে হোসেন ল্যারি গ্যারেটকে প্রশ্ন করলেন- আপনি কি আমার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে কিছু জানেন?

"আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি জানি। তিনি জানতে চাইলেন, এটা কি আমার জন্যে কোন সমস্যা? বললাম, না, আমার জন্যে এটা কোন বিষয় নয়। তিনি বললেন তার জন্যেও এটা কোন সমস্যা নয়। এভাবেই চিকিৎসা চলতে লাগলো।"

"তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন আমি যে ইরাকে আছি, এটা নিয়ে আমার মধ্যে কোন ভয় আছে কিনা। আমি বললাম, অবশ্যই না, ভয় পাওয়ার কি আছে! আমি মোটেও নার্ভাস ছিলাম না।"

উদে হোসেনের সাথে এসব সেশন ও কথাবার্তার বেশিরভাগই হয়েছে তার বিলাসবহুল বাড়ির শোওয়ার ঘরে।

ল্যারি গ্যারেট বলেন, "উদের বিছানার উপরের দিকে একটা বড় পেইন্টিং ঝুলানো ছিলো। তাতে ছিলো বড় একটা তরবারি হাতে এক যোদ্ধা যে আক্রমণকারী এক পাখির হাত থেকে একজন নারীকে রক্ষা করার চেষ্টা করছিলো। ছবিটা দেখে আমি ভাবতাম তিনি হয়তো এর মধ্য দিয়ে দেখাতে চেষ্টা করছেন যে তিনি আসলে কতোটা শক্তিশালী হতে চান।"

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption সাদ্দাম হোসেনের পরিবার

২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে ল্যারিকে দ্বিতীয়বারের মতো বাগদাদে ফিরে যেতে অনুরোধ করা হয়, যাতে তিনি তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারেন। বাগদাদে থাকা অবস্থাতেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উপর ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার খবরটা পেয়েছিলেন। সেদিন দুপুর বেলাতেই তাকে উদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো

সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ল্যারি গ্যারেট বলেন, "তিনি তখন আমার কাছে তার উদ্বেগের কথা জানালেন। বললেন, আপনি কি জানেন যে এর জন্যে আপনাদের দেশ এখন আমাদের দেশকে দায়ী করবে? আমি তখন সেটা বুঝতে পারি নি। কিন্তু পরে দেখলাম ঘটনাটা কোন দিকে মোড় নিয়েছে। আমি তাকে বললাম, আপনি চাইলে আমরা একটা ভিডিও করতে পারি যেখানে আপনি এই ঘটনায় আমাদের দেশের জন্যে শোক প্রকাশ করবেন। তিনি তখন বললেন, ঠিক আছে, আমি একটু কথা বলে দেখি। পরে সেদিন সন্ধ্যায় তার সাথে আমার যখন আবার কথা হলো তিনি বললেন, এটা খুব একটা ভালো আইডিয়া নয়।"

কিন্তু উদে হোসেনের এসব কথাবার্তাকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে ল্যারি কি নিজেকে একজন সাদাসিধে মানুষ হিসেবেই পরিচয় দিয়েছেন এই প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি সাদাসিধা কেউ নই।

"মানুষের স্বভাব সম্পর্কে আমি জানি। কোনো মানুষ ভালো না খারাপ সে সম্পর্কে আমি সচেতন। আমি বুঝতে পারি সে আমাকে আঘাত করবে কি করবে না। উদেকে আমি বেশ ভালো করেই চিনতে পেরেছিলাম। আমার সঙ্গে কথা বলাও তিনি খুব উপভোগ করতেন। কারণ আমি ছিলাম গুটিকয় মানুষের একজন যে কীনা তার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত ছিলাম না। এবং একইসাথে আমি তার ভালো মন্দও বিচার করিনি।"

নাইন ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার এক সপ্তাহ পরে ল্যারি যুক্তরাষ্ট্রে তার বাড়িতে ফিরে যান। এর দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ২০০৩ সালের জুলাই মাসে উদে এবং তার ছোট ভাই কুসে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের সাথে গোলাগুলিতে নিহত হন। মার্কিন সৈন্যরা তখন ইরাক দখলের অভিযান শুরু করেছে তার পিতা সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের লক্ষ্যে।

ল্যারি তখনও শিকাগোতে সম্মোহনের মাধ্যমে লোকজনের চিকিৎসা অব্যাহত রেখেছেন। পরে ইরাকে তার অভিজ্ঞতার উপরে তিনি একটি বইও লিখেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু ইরাকি নেতার ছেলেকে চিকিৎসা করার কারণে তার অনেক সমালোচনাও হয়েছে। কিন্তু ল্যারি বলছেন, এবিষয়ে তার অনুশোচনা খুবই কম।

"আমার মধ্যে একটা ফ্যান্টাসি ছিলো। এটা হয়তো আমার বইয়েও আমি লিখতে পারতাম। যে দেশটার সাথে আমাদের দেশের খুব একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিলো না সেই দেশ থেকেই আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। আমি ভেবেছিলাম এর মধ্য দিয়ে দুটো দেশের মধ্যে হয়তো কিছুটা ঘনিষ্ঠতা তৈরি হতে পারে। আমি জানি এটা একটা বোকা বোকা কথা। কিন্তু এটাও তো ঠিক যে কখনও কখনও মাত্র একজন ব্যক্তিই বিশ্বকে বদলে দিতে পারেন," বলেন তিনি।

ল্যারি গ্যারেট এখনও শিকাগোতে থাকেন এবং সেখানেই কাজ করছেন।

ইতিহাসের সাক্ষীতে মাইক ল্যাঞ্চিনের এই প্রতিবেদনটি পরিবেশন করেছেন মিজানুর রহমান খান।

সম্পর্কিত বিষয়