নেপালে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্ত, মৃতদেহ উদ্ধার

ছবির কপিরাইট SAROJ BASNET
Image caption উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী

ঢাকা থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ইউএস বাংলার একটি বিমান কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে বহু মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিবিসির নেপালি সার্ভিস জানাচ্ছে, বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যান্ডিং করার সময় দুর্ঘটনা ঘটে।

নেপাল পুলিশের মুখপাত্র মনোজ নেউপানে বিবিসি নিউজ নেপালিকে জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

ইউএস বাংলার মুখপাত্র কামরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, তারা বিমান বিধ্বস্ত হবার খবর পেয়েছেন।

তবে, কী কারণে দূঘর্টনা ঘটেছে, এবং কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোন তথ্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, ধ্বংসস্তুপ থেকে বেশ কিছু মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নেপাল সরকারের একজন মুখপাত্র নারায়ন প্রাসাদ দুয়াদি এএফপিকে বলেন, "আমরা ধ্বংসস্তুপ থেকে আহতদের এবং মৃতদেহ উদ্ধার করেছি"।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেতরি জানিয়েছেন, আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল কর্মীরা।

বিমান বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান থেকে ধোঁয়া বেরুতে এবং তাড়াহুড়া করে যাত্রীদের বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছেন তারা।

ছবির কপিরাইট TWITTER/@BISHNUSAPKOTA
Image caption দুর্ঘটনার পর সেখান থেকে কালো ধোয়া উড়ছে

ঢাকায় ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, দুপুর ১২টা ৫১মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ছেড়ে যায়।

তবে প্রাথমিকভাবে বিধ্বস্ত হবার কারণ জানাতে পারেননি কর্মকর্তারা। হতাহতের সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।

সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কাঠমান্ডু বিমানবন্দর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডুলী উঠছে।

ইউএস বাংলার মোট আটটি বিমান আছে, এর মধ্যে চারটি ড্যাশ এইট, চারটি বোয়িং।

এর মধ্যে একটি ড্যাশ এইট নষ্ট থাকার কারণে কিছুদিন যাবত হ্যাঙ্গারে পড়ে রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গন্তব্য ছাড়াও কোলকাতা, কাঠমান্ডু, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, দোহা এবং মাসকট রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে ইউএস বাংলা।

এছাড়া এপ্রিলে চীনের গুয়াংঝু শহরে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।