সৌদি যুবরাজ যে কারণে ইসরায়েলিদের মাতৃভূমির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন

Image caption সৌদি যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সালমান

সৌদি আরব কখনো ইসরায়েল রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু সৌদি যুবরাজের এই বক্তব্যকে ইসরায়েল প্রসঙ্গে সৌদি আরবের অবস্থান পরিবর্তন সংক্রান্ত 'খুবই গুরুত্বপূর্ণ' একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাগাজিন আটলান্টিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সালমান বলেছেন, ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি উভয় জনগোষ্ঠীরই নিজস্ব ভূমির পূর্ণ অধিকার আছে।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকে তাকে কখনোই সৌদি আরব স্বীকৃতি না দিলেও সাম্প্রতিক সময়ে দুদেশের মধ্যে কিছুটা গোপনেই সম্পর্কের বেশ উন্নতি হয়েছে।

আরো পড়ুন:

ইসরায়েলি সৈন্যকে চড় মেরে ঝড় তুলেছে এক কিশোরী

সৌদি-মার্কিন বৈঠকের এই ছবি নিয়ে কেন এত বিতর্ক

তালেবানকে অস্ত্র দিচ্ছে রাশিয়া?

এ কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, দুপক্ষই মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে তাদের বিশাল হুমকি বলে মনে করছে। ফলে ইরানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও শক্তি মোকাবেলার লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক ভাল করার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।

এমনকি গত নভেম্বরে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইরানকে মোকাবেলায় তার দেশ প্রয়োজনে সৌদি আরবের সাথে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের জন্যেও প্রস্তুত রয়েছে।

সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইসলাম পন্থী সশস্ত্র জঙ্গিদের উত্থানকেও দুই দেশই বর্তমান সময়ের বড় ঝুঁকি বলে মনে করে। ফলে গত কয়েক মাসে ইসরায়েল-সৌদি আরব সম্পর্ক বেশ নিবিড়ও হয়ে উঠেছে।

এছাড়া সিরিয়া পরিস্থিতি এবং ইরান এবং লেবাননের হেজবুল্লাহ গ্রুপের ক্রমবর্ধমান প্রভাব বৃদ্ধির ফলেও কিছুটা শঙ্কিত ইসরায়েল।

আরো পড়ুন:

মাশরাফির অবসর ভাবনা: ক্রিকেট নাকি রাজনীতি?

খালেদা জিয়া আগেই অসুস্থ, তবে মাত্রা বেড়েছে: চিকিৎসক

চুরি যাওয়া পশুর বাহন যখন বিলাসবহুল শেভ্রলে