ডাস্টবিনে পাওয়া সোনার বার পাল্টে দিলো জীবন

ছবির কপিরাইট GSO IMAGES
Image caption দেশটির আইন অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীর এগুলোর মালিক হওয়ার সুযোগ আছে

দক্ষিণ কোরিয়ার একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়মিত কাজের সময় একটি ময়লা ফেলার বাক্সে যা পেয়েছেন তা নিয়ে রীতিমত হইচই পড়ে গেছে দেশটির গণমাধ্যমে।

সাত সাতটি সোনার বার পেয়ে প্রায় তারকা হয়ে গেছেন তিনি।

একই সাথে পাল্টে যাবে তার জীবনও-এমন আলোচনাও চলছে তাকে ঘিরে।

মূলত বিমানবন্দরের পরিচ্ছন্নতা কর্মী তিনি। সেখানেই একটি ময়লা ফেলার বাক্সে তিনি সাতটি সোনার বার পান তিনি, যারা বাজার মূল্য প্রায় তিন লাখ ত্রিশ হাজার ডলার।

বারগুলোর প্রতিটির ওজন প্রায় এক কেজি। এগুলো পত্রিকা দিয়ে মোড়ানো ছিলো।

পুলিশের সন্দেহ, ধরা পড়ার ভয়ে কেউ এগুলো ফেলে চলে গেছে। তবে এ মূহুর্তে এসব সোনার বারকে ঘিরে কোন ধরনের অপরাধী বা অপরাধের যোগসূত্র নেই।

আর কাউকে যদি মালিক হিসেবে না পাওয়া যায় - তাহলে নিয়মানুযায়ী ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিজেই এগুলোর মালিকানা দাবি করতে পারবেন।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

বাংলাদেশের সামরিক বাজেট: ভারত ও মিয়ানমারের সাথে পার্থক্য কতটা?

ভারতের গুরগাঁওতে নামাজ পড়ার সময় 'জয় শ্রীরাম' বলে হামলা

স্বামীর পাসপোর্ট দিয়ে ম্যানচেস্টার থেকে দিল্লীতে

দেশটিতে এ ধরনের খুঁজে পাওয়া দ্রব্যের মালিকানা সংক্রান্ত একটি আইন আছে।

সেই আইন অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে কেউ সোনার বারগুলোর মালিকানা দাবি না করলে ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মীই এর মালিক হতে পারবেন।

যদিও দা কোরিয়া টাইমস পত্রিকা বলছে, মালিক হওয়ার পর তিনি সোনার মূল্যের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাবী করতে পারবেন, যা সর্বোচ্চ হবে ৬৫ হাজার ডলার পর্যন্ত।

তবে এটিও পরিষ্কার নয় যে বাকী অর্থের মালিকানা কে পাবে - সরকার নাকি পুলিশ।

কিন্তু পরিমাণ যাই হোক, যেভাবে সোনার বারগুলো পাওয়া গেছে তাতে অনেকটাই নিশ্চিত যে প্রাপ্ত অর্থমূল্যে পাল্টে যাবে ওই পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জীবন।

সম্পর্কিত বিষয়