প্রীতিভাজনেষু: আপনাদের প্রশ্ন, সম্পাদকের জবাব

ঢাকায় বিবিসি বাংলা দলের কয়েকজন
Image caption ঢাকায় বিবিসি বাংলা দলের কয়েকজন

বিবিসি বাংলার রেডিও এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠানসূচীতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পর এক মাস পার হয়ে গেল। এখনো এই বিষয়, বিশেষ করে দুটি রেডিও অনুষ্ঠান বন্ধের বিষয়টি নিয়ে চিঠি আসা অব্যাহত আছে। তবে চিঠি-পত্র একটি বিষয়ের মধ্যে আটকে নেই। আমাদের শ্রোতা-দর্শক-পাঠকরা বিভিন্ন বিষয়ে লিখছেন, প্রশ্ন করছেন, প্রশংসা করছেন, সমালোচনা করছেন। প্রীতিভাজনেষুতে আমরা সব বিষয়ই বিবেচনা করবো।

গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইড় থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন ছোট ছোট কয়েকটি ইমেইল করেছেন এবং প্রত্যেকটিতে একটি করে বিষয়ে বিবিসিতে প্রতিবেদন প্রচারের প্রস্তাব দিয়েছেন।

যেমন,বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা কীভাবে জীবন যাপন করছেন, তার ওপর একটি অনুসন্ধানী রিপোর্টের অনুরোধ করেছেন। আবার, বাংলাদেশে ফুটবল-এর বর্তমান অবস্থা এবং সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারেরও প্রস্তাব দিয়েছেন।

গার্মেন্টস নিয়ে প্রায়ই প্রতিবেদন, সাক্ষাৎকার ইত্যাদি প্রচার করা হয়। তবে অনুসন্ধানী কিছু করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়না। শুধু শ্রমিকদের জীবন যাপনের বিষয় না, এই শিল্পের নানা দিক নিয়ে রেডিও এবং অনলাইনে ধারাবাহিক রিপোর্ট করা যেতেই পারে।

দ্বিতীয় বিষয়টি সংবাদ পরিবেশনার দিক থেকে আরেকটু বেশি জরুরি, কারণ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ প্রায় দোরগোড়ায় চলে এসেছে। কাজেই বাংলাদেশের ফুটবলের হাল-হকিকত নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করার এটাই সময়।

বাংলাদেশে বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান এফ এম ব্যান্ডে সম্প্রচার হয় বাংলাদেশ বেতারের সাথে একটি চুক্তির মাধ্যমে, এবং নীলফামারীর মাগুরা ফুলেরঘাট থেকে তারিফ হাসান এ'বিষয়ে জানতে চেয়ে লিখেছেন:

''অনুষ্ঠান প্রচার বিষয়ে বিবিসি'র সাথে বাংলাদেশের কত বছরের চুক্তি রয়েছে? এবং এই চুক্তি কত বছর পর পর করা হয়?''

বাংলাদেশ বেতারের সাথে এই মুহূর্তে দুটি চুক্তি রয়েছে। একটি চুক্তি শুধু মাত্র ঢাকায় এফ এম সম্প্রচার নিয়ে, অন্যটি আরো নয়টি শহরে এফ এম নিয়ে । দুটি চুক্তির মেয়াদই তিন বছর, অর্থাৎ প্রতি তিন বছর সেগুলো নবায়ন করতে হয়। ঢাকার চুক্তিটি প্রথম করা হয় ১৯৯৪ সালে আর ঢাকার বাইরে এফ এম প্রচারে সম্প্রসারণ হয় ২০০৮ সালে এবং আবার ২০১৩ সালে।

ছবির কপিরাইট MANJUNATH KIRAN

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সব চেয়ে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সরকারি চাকুরীতে কোটার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের আন্দোলন এবং তার ফলাফল। সে বিষয়ে লিখেছেন ঢাকা থেকে মোনায়েম খান নিজাম:

''বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করার ঘোষণা না দিয়ে তা একেবারে বাতিল করে দিলেন। অদূর ভবিষ্যতে এ নিয়ে যে আরও সমস্যার সৃষ্টি হবে না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে? বিবিসি বাংলার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট আমার এই প্রশ্ন।''

আমার মনে হচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চয়তা শুধুমাত্র সরকারই দিতে পারবে। কোটা বাতিল করার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই একাধিক বার ঘোষণা করা হয়েছে। এখন দেখতে হবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, যেমন নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী - তাদের সুবিধার্থে কী পদক্ষেপ সরকার নেবে, যেটা কোটা বাতিলের নেতিবাচক প্রভাব কাটাতে পারবে। আর এই বিষয়ে ছাত্ররা আবার আন্দোলনে নামলে তা যে অত্যন্ত বিতর্কিত হবে, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এ'বিষয়ে প্রীতিভাজনেষুর পাঠকদের কী মতামত, তা জানতে আমি বেশ আগ্রহী!

বিবিসি বাংলার একটি রেডিও অনুষ্ঠান ফেসবুকে সরাসরি ভিডিও হিসেবে প্রচার শুরু হওয়ায় অনেকে খুশি, আবার অনেকে কিছুটা সন্দেহপ্রবণ হয়ে গেছেন। যেমন, দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেককে বেশ চিন্তিতই মনে হচ্ছে। তিনি লিখেছেন:

''আপনাদের সান্ধ্যকালীন প্রবাহ ফেসবুক লাইভে দেয়াতে বহুদিন পর বিবিসি স্টুডিওতে বসে খবর পড়া দেখার সাধ কিছুটা ঘোলে মিটলো ঠিকই, কিন্তু তাতে কোন ভিডিও ফুটেজ না থাকায় সেটা একঘেয়েমিও বটে। কিন্তু এখানে আমার প্রশ্ন, মানুষ রেডিও বলতে পর্দার আড়ালের মানুষকেই বুঝে থাকে। কিন্তু বিবিসি রেডিও দিনদিন যে হারে আধুনিক থেকে আধুনিকতর হয়ে পর্দার সামনে চলে আসছে, তাতে করে আমার সন্দেহ হয়, ভবিষ্যতে এই মাধ্যমটিকে কেউ কি আর 'বিবিসি রেডিও' বলবে?''

আপনার সন্দেহের যথেষ্ট কারণ রয়েছে মিঃ ইসলাম, এবং বিষয়টি আপনি ঠিকই ধরেছেন। আমারো মনে হয়, অদূর ভবিষ্যতে রেডিও এবং টেলিভিশন, এই দুটি শব্দই তামাদি হয়ে যাবে। তার পরিবর্তে থাকবে অডিও এবং ভিডিও। সেই অডিও এবং ভিডিও আপনি বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে দেখতে এবং শুনতে পাবেন। পুরনো আমলের রেডিও এবং টিভি সেট দিয়ে দেখা আর শোনার যুগ শেষ হয়ে আসছে। আর আপনার সাথে আমি একমত, ফেসবুকে আমাদের রেডিও অনুষ্ঠান সম্প্রচারের সময় ভিডিও বা অন্তত কিছু স্থির ছবি দিয়ে তা প্রাণবন্ত করা উচিত।

ফেসবুক লাইভে অনুষ্ঠান দেখে রেডিও পরিবেশনা নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন আসছে। তার একটি করেছেন ভোলার লালমোহন থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''আমি লক্ষ্য করেছি, সংবাদ প্রচারের মধ্যে অডিও রেকর্ডিং বাজানোর সময় উপস্থাপক হাতের ইশারা করেন। কিন্তু বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের টেলিভিশন লাইভ প্রচারের সময় উপস্থাপক হাতের কোন ইশারা ব্যবহার করেন না। তাছাড়া, স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল লাইভ খবরের সময়ও উপস্থাপক কোন হাতের ইশারা ব্যবহার করে না। হাতে লেখা স্ক্রিপ্ট পড়ার সময় যে জায়গায় অডিও রেকর্ডিং আছে, সেটা লক্ষ্য করলেই তো হয়। তাহলে বিবিসি বাংলা কেন হাতের ইশারা ব্যবহার করছে?''

হাতের ইশারার ভাল কারণ আছে মিঃ রহমান। প্রথমত, লন্ডনে যারা স্টুডিও ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন এবং সম্প্রচারের কারিগরি দিক নিয়ন্ত্রণ করেন, তারা বাঙালি নন। কাজেই কোন ইশারা ছাড়া তারা জানবেন না কোথায় অডিও বাজাতে হবে। তবে ঢাকাতেও উপস্থাপক ইশারা করেন, যাতে তার সাথে স্টুডিও ম্যানেজারের যোগাযোগ নির্ভুল হয়।

টেলিভিশনে সেটা করা সম্ভব না, কারণ উপস্থাপককে বিভিন্ন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে স্ক্রিপ্ট পড়তে হয়, তাই গ্যালারিতে যিনি ভিডিও প্লে করার দায়িত্বে থাকেন তিনি পরিচালকের নির্দেশে প্লে করেন। উপস্থাপক কখন কোন্‌ ক্যামেরার দিকে তাকাবেন, কখন কোন্‌ ক্যামেরার ছবি আপনাদের স্ক্রিনে দেখানো হবে, এই সব সিদ্ধান্ত গ্যালারিতে পরিচালকই নেন। রেডিও বিষয়টি আরো সহজ - উপস্থাপক সরাসরি স্টুডিও ম্যানেজারকে দেখতে পান এবং ইশারা করেন।

এবারে চিঠি-পত্র নিয়ে একটি চিঠি, লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার: ''প্রভাতী এবং পরিক্রমা বন্ধের পর এক মাস পেরিয়ে গেল। খুব জানতে ইচ্ছা করে, চিঠি-পত্রের প্রবাহটি কি আগের মতোই আছে, না কি কমেছে বা বেড়েছে?''

বলা মুশকিল মিঃ সরদার। সেরকম কোন হিসেব কখনো রাখি নাই। তবে আমাদের ইনবক্সে অনেক পুরনো নাম যেমন দেখতে পাচ্ছি, আবার বেশ কিছু নাম দেখতে পাচ্ছি না। অর্থাৎ নিয়মিত পত্রলেখকদের মধ্যে কয়েকজন কম লিখছেন বা না লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সাথে, ঢাকায় বিবিসির পোস্ট বক্স বন্ধ করে দেবার পর ডাক যোগে যারা চিঠি পাঠাতেন, তাদের চিঠি বন্ধ হয়ে গেছে। আমার হাতে যদিও কোন পরিসংখ্যান নেই, তারপরও বলা যেতে পারে, এপ্রিলের আগের তুলনায় চিঠি কম আসছে।

শুরুতেই যেটা বলেছি, দুটি রেডিও অনুষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এক মাস হলো, কিন্তু তা নিয়ে চিঠি আসা এখনো বন্ধ হয়নি। যেমন লিখেছেন রাজশাহীর বাগমারা থেকে অমরেশ পাল:

''অনেক দু:খের সহিত লিখতে বসলাম । কেননা, যেদিন থেকে প্রভাতী ও পরিক্রমা বন্ধ হয়েছে সেই দিন থেকে আমার বিবিসি বাংলা খবর শোনাও বন্ধ হয়ে গেছে। কর্ম ব্যস্ততার কারণে আর খবর শুনতে পাই না । এখন কি করবো, অন লাইনে খবর গুলো পড়ি ।''

আমি সম্পূর্ণ একমত যে রেডিও শোনার মজাই আলাদা। যারা রেডিও শুনে অভ্যস্ত তাদের জন্য অনলাইনে খবর পড়া দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতই মনে হতে পারে। তবে একথাও ঠিক, মানুষ এক সময় খবর এবং বিনোদন দুটোর জন্যই শুধু রেডিও শুনতেন, কিন্তু এখন তাদেরই বেশির ভাগ টেলিভিশন দেখেন। অনেকের বাসায় রেডিও নেই; অনেকের বাসায় রেডিও থাকলেও অকেজো হয়ে গেছে কিন্তু সারাবার কোন তাগিদ নেই। আবার নতুন প্রজন্ম রেডিও-টেলিভিশন বাদ দিয়ে তাদের খবর এবং বিনোদনের চাহিদা ইন্টারনেট থেকে মেটাচ্ছে।

প্রযুক্তির সাথে মানুষের স্বভাব পাল্টাচ্ছে এবং তার সাথে আমাদেরও পাল্টাতে হচ্ছে। আর একটা কথা, অনলাইনে আপনি অনেক বেশি খবর এবং ফিচার পড়তে পারবেন বা ভিডিও দেখতে পারবেন, যেটা ৩০মিনিটের রেডিও অনুষ্ঠানে কখনোই সম্ভব না।

ছবির কপিরাইট OLI SCARFF

ইন্টারনেটে আমাদের খবর পরিবেশন নিয়ে একটি ছোট পর্যবেক্ষণ পাঠিয়েছেন বগুড়া থেকে হাদিউল ইসলাম। তিনি লিখেছেন:

''এমন কোন দিন নাই যে অন্তত: দশবার বিবিসি বাংলা ওয়েব সাইটে ঢুকি না। নিরপেক্ষ নিউজের প্রচণ্ড তৃষ্ণা থেকেই এই আগমন। আপনাদের ভিডিও নিউজ গুলো নিয়ে একটু ভাবা উচিত। বাংলাদেশের মোবাইল ইন্টারনেটে এই ভিডিওগুলো দেখা সহজ না, বিশেষ করে যদি গ্রাম অঞ্চলের কথা চিন্তা করি। অথচ নিউজ গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার অভিজ্ঞতায় থ্রি জি দিয়ে এই ভিডিওগুলো দেখেছি এমনটি বলা খুবই অসম্ভব। আমার পরামর্শ হলো ভিডিওর সঙ্গে টেক্সটও দেয়া উচিত।''

আপনি ঠিকই বলেছেন, ভিডিওর সঙ্গে টেক্সট থাকলে অনেক সুবিধা হয়। তবে আমরা এখনো বড় ভিডিওতে সাব-টাইটেল ব্যবহার করছি না। আমরা দু'ধরণের ভিডিও তৈরি করি। প্রথমটি হচ্ছে টেলিভিশনের জন্য তৈরি ভিডিও, যেগুলোতে কোন টেক্সট থাকে না। সেগুলো আমাদের ইউ টিউবে এবং ওয়েবসাইটেও দেয়া হয়।

অন্যদিকে, ডিজিটাল মাধ্যমের জন্য যে ভিডিওগুলো তৈরি করা হয় বা ইংরেজি থেকে যেগুলো অনুবাদ করা হয়, সেগুলোতে বাংলা সাব-টাইটেল থাকে। আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহতে সাময়িক ঘটনার ওপর যে প্রতিবেদন এবং সাক্ষাৎকার প্রচার করা হয়, সেগুলো কোন সাব-টাইটেল ছাড়াই ইউ টিউবে দেয়া হয়।

অনেকদিন যার চিঠি আমার খুব একটা চোখে পরেনি, সেই ফুলবাড়ি, কুড়িগ্রামের ফরিদুল হক হঠাৎ করেই অবাক হয়ে লিখেছেন। হঠাৎ বলছি এই কারণে, যে তিনি যেটা জানতে চেয়েছেন সেটা মার্চ মাসে অন্য শ্রোতার প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। তবে প্রশ্ন পুরনো হলেও, সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটেই লিখেছেন তিনি:

''বিবিসি বাংলা আমি অবাক.......!!! আমি হতভম্ব......!!! কারণ একটাই। বিবিসির অধিকাংশ কর্মীই জ্ঞানী ও বিজ্ঞ। বিবিসির সুন্দর কিছু পরিকল্পনা চোখে পড়লো, যেমন ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং বা অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার। তাছাড়া, আরো একটা জিনিস দেখে বেশি ভালো লাগলো, প্রীতিভাজনেষু বিবিসির ওয়েবসাইটে পুরোপুরি প্রশ্নসহ জবাব দেখে। বেশ সাধুবাদ জানাচ্ছি আপনাদের ডিজিটাল এই প্রচেষ্টাকে। তবে হঠাৎ করে এরকম পরিকল্পনা মাথায় আসার সুনির্দিষ্ট কোন কারণ আছে কি?''

অবশ্যই আছে মিঃ হক। মার্চ মাসে রেডিও শ্রোতাদের প্রশ্নের উত্তরে যা বলেছিলাম, বাংলাদেশে টেলিভিশন এখন সবচেয়ে বড় মাধ্যম তবে তার প্রবৃদ্ধি বর্তমানে স্থবির অবস্থায় আছে। অন্যদিকে রেডিওর চাহিদা দিন দিন কমছে। তবে ডিজিটাল মাধ্যম ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রেডিও কমিয়ে ডিজিটাল এবং টেলিভিশনে আমাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করার। ফেসবুকে অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচার, প্রীতিভাজনেষু ওয়েবসাইটে দেয়া ইত্যাদি হচ্ছে নতুন কৌশলের অংশ।

আরো অনেকে লিখেছেন, তাদের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে আজ শেষ করছি। ভাল থাকবেন, সবাইকে ধন্যবাদ।  

শামীম উদ্দিন শ্যামল, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

সবুজ বিশ্বাস, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বঙ্গ

মারুফ হাসান, চট্টগ্রাম

কামরুল সুজন, দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত

আজহারুল ইসলাম, যশোর

শাওন সজীব, সুইডেন

মোহাম্মদ আল-আমীন, ঢাকা

ইমরুল মিলটন, রাজশাহী

মনির হোসেন, জলঢাকা, নীলফামারী।

আমাদের সাথে যোগাযোগের ঠিকানা:

ইমেইল: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক: www.facebook.com/BBCBengaliService/

টুইটার: https://twitter.com/bbcbangla

সম্পর্কিত বিষয়