প্রিমিয়ারশিপ ফুটবলে পা রাখছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামজা চৌধুরী

হামযা চৌধুরী। ছবির কপিরাইট Leceister City
Image caption লেস্টার সিটির ফুটবলার বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামজা চৌধুরী।

ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ারশিপ ফুটবলে লেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাবের হয়ে তৃতীয় দিনের মত শনিবার মাঠে নামতে পারেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামজা চৌধুরী।

ব্রিটেনে প্রচুর দক্ষিণ এশীয়ের বাস। কিন্তু পেশাদার ফুটবলে দক্ষিণ এশীয়দের দেখা যায়না বললেই চলে। বিশেষ করে প্রিমিয়ার লীগে তারা একবারেই বিরল।

কিন্তু ব্যতিক্রম হতে চলেছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামজা দেওয়ান চৌধুরী।

প্রিমিয়ার লীগের ২০১৬ সালের শিরোপাধারী ক্লাব লেস্টার সিটির মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসাবে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছেন ২১ বছরের এই যুবক।

এপ্রিলে লেস্টার সিটি তাকে দুটো ম্যাচে মাঠে নামিয়েছে।

বার্নলি ক্লাবের সাথে ম্যাচে প্রিমিয়িারশিপে তার অভিষেক হয়। ম্যাচের পর লেস্টার সিটির ওয়েবসাইটে তার ভূয়সী প্রশংসা বের হয়েছে। ক্রিস্টাল প্যালেসের সাথে পরের ম্যাচেও খেলেছেন তিনি।

আগামিকাল (শনিবার) ওয়েস্ট হ্যাম ক্লাবের সাথে ম্যাচেও তিনি প্রথম ১১ জনের দলে থাকবেন বলে ক্লাব সূত্র উল্লেখ করে পত্র-পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে।

ইউরোপের পেশাদার ফুটবলে এশীয়দের উপস্থিতি যেখানে নেই বললেই সেখানে প্রিমিয়ারশিপের মত কঠোর প্রতিযোগিতামূলক লীগে ঢুকে হামজা ইতিমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।

হামজার জন্ম লেস্টারে। তার বাবা গ্রানাডার বংশোদ্ভূত, মা বাংলাদেশের।

তিনি বড় হয়েছেন মা এবং তার পরিবারের আবহে।

স্থানীয় পত্রিকা লেস্টার মার্কারির সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বলে পরিচয় দিয়েছেন। ঐ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যৌথ পরিবারের সমর্থনেই তিনি পেশার ফুটবলার হতে পেরেছেন।

সাত বছর বয়সে তিনি লেস্টার সিটি ফুটবল অ্যাকাডেমিতে ঢোকেন। সেখান থেকে বিভিন্ন এজ-গ্রুপে খেলতে খেলতে গত বছর লেস্টারের অনূর্ধ্ব ২৩ দলের অধিনায়ক হন তিনি।

২০১৭ সালে কারাবাও কাপের এক ম্যাচে প্রথম লেস্টার সিটির হয়ে লিভারপুলের বিরুদ্ধে সাথে একটি ম্যাচে তাকে নামানো হয়েছিল।

এরপর গত মাসে তার অভিষেক হয় প্রিমিয়ারশিপ ফুটবলে যা একজন এশীয় বংশোদ্ভূত তরুণের জন্য বিরল এক সাফল্য।