ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি কি বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র?

ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসলে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন অনুশোচনা করতে হবে যা ইতিহাসে কখনো ঘটেনি, বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। ছবির কপিরাইট EPA
Image caption ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসলে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন অনুশোচনা করতে হবে যা ইতিহাসে কখনো ঘটেনি, বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসলে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন অনুশোচনা করতে হবে যা ইতিহাসে কখনো ঘটেনি, বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

১২ মে'র মধ্যে ইরানের সাথে করা চুক্তির কিছু ত্রুটি সংশোধন না করা হলে তা থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যাতে পরিবর্তন না হয়, সেজন্যে চেষ্টা করছে ব্রিটেনসহ ইউরোপের কিছু মিত্র দেশ। তবে বরাবরের মতো ইরানের তীব্র বিরোধিতায় ইসরায়েল।

২০১৫ সালে ইরানের সাথে হয়েছিল চুক্তিটি। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ছিল চীন, রাশিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন।

আর এই পরমাণু অস্ত্র না বানানোর এই চুক্তির ফলেই তুলে নেয়া হয়েছিল ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ। কিন্তু ক্ষমতার আসার পর থেকেই বহুবার এর বিরোধিতা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সম্প্রতি এ সম্পর্কে তার বক্তব্য যে, এই পরমাণু চুক্তিতে কিছু ভয়াবহ ত্রুটি রয়েছে।

আর সেগুলো যদি ইউরোপীয় মিত্ররা সংশোধন না করে তাহলে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যেসব নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে সেগুলো শিথিল রাখার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না।

রবিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুমকি দিয়েছেন।

তিনি জানান, তার দেশ পরমাণু চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের যে কোনও সিদ্ধান্ত প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।

মি. রুহানির ভাষ্য অনুযায়ী এ থেকে সরে আসলে যুক্তরাষ্ট্রের অনুতাপের সীমা থাকবে না।

ব্রিটেন এবং জার্মানি অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের যাতে পরিবর্তন না হয় তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘ আছে একই প্রচেষ্টায়। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সংক্রান্ত আলোচনার জন্যে ওয়াশিংটন সফরে আছেন।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে জোর সমর্থন জানিয়েছে। তার মতে ইরানকে থামাতে এখনি উদ্যোগ নেয়া উচিৎ।

সম্পর্কিত বিষয়