'মাদক ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্বে নিহত' এমপির আত্মীয়

ছবির কপিরাইট STRINGER
Image caption বাংলাদেশে পুলিশ ও র‍্যাবের চালানো মাদকবিরোধী অভিযানের সময় 'বন্দুকযুদ্ধে' ৬০ জন নিহত হয়েছে

বাংলাদেশে পুলিশ ও র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যেই হিমছড়িতে আখতার কামাল নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, এই ব্যক্তি কক্সবাজার-৪ থানার সরকারদলীয় এমপি আবদুর রহমান বদির আত্মীয়, এবং মাদক ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সে নিহত হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন।

টেকনাফ থানার ওসি রঞ্জিত কুমার বড়ুয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, শুক্রবার ভোররাতে স্থানীয় লোকেরা গোলাগুলির শব্দ শুনতে পায় এবং পরে সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কে আখতার কামালের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

তিনি আরো বলেন, নিহত কামাল ওই এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন।

তিনি টেকনাফের সাবরাং এলাকায় থাকতেন, সেখানকার ছাত্রলীগের একজন নেতা, এবং এমপি আবদুর রহমান বদির ভগ্নিপতির চাচাতো ভাই।

কক্সবাজার থেকে স্থানীয় সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ জানান, গত রাতে কক্সবাজার ও মহেশখালী এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে মোট তিন জন নিহত হয়। মৃতদেহগুলোর সাথে আগ্নেয়াস্ত্র এবং কিছু ইয়াবা পাওয়া গেছে।

তবে পুলিশ বলছে, তাদের কাছে কোন বন্দুকযুদ্ধের খবর নেই বরং মাদকব্যবসায়ীদের বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাতেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশে বিভিন্ন জায়গায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এই অভিযানে গত তিন সপ্তাহে নিহতের সংখ্যা ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে।

তবে কোন্ তালিকার ভিত্তিতে সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট করা হচ্ছে, সেই প্রশ্নে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।

পুলিশ এবং র‍্যাব সূত্রগুলো বলছে,তারা তাদের স্ব স্ব বাহিনীর তালিকা নিয়ে অভিযান চালাচ্ছে।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সমন্বিত তালিকার মাধ্যমেই অভিযান চলছে।

আরও পড়তে পারেন:

বাংলাদেশ ভবন: উয়ারি বটেশ্বর থেকে মুক্তিযুদ্ধ

২৩ বছরের যুবক মাদকাসক্ত থেকে যেভাবে ইয়াবা ব্যবসায়ী

কিম জং-আনের কাছে লেখা চিঠিতে কী বলছেন ট্রাম্প?