বিশ্বকাপ ফুটবল: বাংলাদেশী কৃষকের সাড়ে তিন মাইল লম্বা জার্মান পতাকা

আমজাদ হোসেনের বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার লম্বা জার্মান পতাকা

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

আমজাদ হোসেনের বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার লম্বা জার্মান পতাকা, যা প্রায় সাড়ে তিন মাইলের সমান।

বাংলাদেশের শহর বন্দর গ্রাম গঞ্জ সর্বত্র এখন বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় ভুগছে।

বহু বাড়ি-ঘর অলিগলিতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন দেশের পতাকা।

এর মধ্যে বেশির ভাগই অবশ্য ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা।

ঢাকাসহ শহরগুলোর হকারদের হাতে অহরহই এখন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন দেশের পতাকা ও বিক্রিও হচ্ছে ব্যাপক।

তবে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ভিড়ে আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশী এক কৃষক।

তার প্রিয় দল জার্মানি।

আরো পড়ুন:

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

দীর্ঘ এই পতাকা বানাতে জমিও বিক্রি করেছেন এই কৃষক আমজাদ হোসেন।

তিনি নিজেই বানিয়েছেন প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার বা প্রায় সাড়ে তিন মাইল লম্বা জার্মান পতাকা।

এ পতাকাকে ঘিরে এখন প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ।

মাগুরার ৬৯ বছর বয়স্ক এই কৃষকের নাম আমজাদ হোসেন।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানিয়েছেন, গলস্টোনের চিকিৎসায় একসময় তিনি জার্মান হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়েছিলেন আর এ থেকেই তার জার্মান প্রেম শুরু।

২০০৬ সালে জার্মান বিশ্বকাপের দু বছর পর থেকেই তিনি পতাকা নিয়ে কাজ শুরু করেন এবং এরপরের প্রতিটি টুর্নামেন্টের সময় এর পরিধি বাড়িয়েছেন।

গত মঙ্গলবার তার পতাকাটি প্রদর্শন করা হয় মাগুরায়, যা রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় একশ কিলোমিটার পশ্চিমে।

এএফপিকে তিনি বলেছেন যে জার্মানি এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠার পর তিনি তার পতাকাটি স্থানীয় স্টেডিয়ামে প্রদর্শন করবেন।

তিনি বলেন, "আমি জার্মান ফুটবল ভালোবাসি। তারা চমৎকার ফুটবল খেলে"।

অবশ্য পতাকা নিয়ে এবারেই তিনি প্রথম শিরোনাম হননি।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপের সময় তার পতাকাটি ছিলো সাড়ে তিন কিলোমিটার।

তখনই তিনি আলোচনায় আসেন এবং বিষয়টি নজর কাড়ে ঢাকার জার্মান দূতাবাসেরও।

পরে তাকে জার্মান জাতীয় দলের অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়।

সাথে পান একটি জার্সি, একটি ফুটবল ও একটি সার্টিফিকেটও।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন: