দলের শোচনীয় হারের পর যেভাবে প্রতিপক্ষের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপে জর্জরিত আর্জেন্টিনা সমর্থকরা

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption আর্জেন্টিনার এরকম হার সমর্থকদের কাছে ছিল অকল্পনীয়

বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের যে লাখ লাখ সমর্থক, বিশ্বকাপে গতরাতে ক্রোয়েশিয়ার কাছে শোচনীয় হারের পর এখন তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের শিকার হচ্ছেন।

ফেসবুক-টুইটারে গতরাত থেকেই রীতিমত মাতম চলছে এ নিয়ে। যারা আর্জেন্টিনার সমর্থক, তারা এতটাই স্তম্ভিত যে, বেশিরভাগই চুপ মেরে গেছেন।

মৌ ইসলাম মিম নামে একজন লিখেছেন, "প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো মানসিকতাও হারিয়ে গেছে গতকাল থেকে।"

নাজিম উদ্দীন নামে আরেকজনের মন্তব্য, "আসলে মেসি হাল ছেড়ে দিয়েছে গত বিশ্বকাপেই। এবারের খেলাটা ছিল মনের বিরুদ্ধে জোর করেই। আর ফুটবলে দশজন প্লেয়ারের কি করার আছে, যদি একজন গোলকীপারের ভুলে দল বিপর্যয়ের মুখে পড়ে?"

অসিত মুখোপাধ্যায় নামে আরেকজন লিখেছেন, "সত্যি কথা বলতে কি, ভাবা যাচ্ছে না। আমি কোন দলের সমর্থক নই, ভালো খেলা দেখতে চাই। এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। এত শোচনীয় অবস্থা আমি আর্জেন্টিনা দলের কখনো দেখিনি।

ফেসবুকে অনেকে শেয়ার করেছেন দলের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়া এক ছেলের ভিডিও। কোনভাবেই তাকে শান্ত করা যাচ্ছে না আর্জেন্টিনার এই সমর্থককে।

আর বাংলাদেশে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির ব্রাজিলের সমর্থক যারা, তারা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপে জর্জরিত করার এই সুবর্ণ সুযোগটি পুরোপুরিই কাজে লাগাচ্ছেন।

আর্জেন্টিনার এই শোচনীয় অবস্থার পর যারা দল বদলের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য একটি আবেদনপত্র ছেড়েছেন ব্রাজিল সমর্থকরা!

ছবির কপিরাইট Facebook
Image caption .

কিভাবে দল হেরে গেল দ্রুত জার্সি পাল্টে বিজয়ী দলের সমর্থক বনে যাওয়া যায়, সেটার উদাহারণ হিসেবে এই ভিডিওটি শেয়ার করছেন অনেকে।

ক্রোয়েশিয়ার কাছে শোচনীয় হারের পর আর্জেন্টিনার সমর্থকরা এখন যেরকম হতাশ অবস্থায় আছেন, তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিপুল রহমান নামে একজন।

"আপনার আশে-পাশে থাকা আর্জেন্টিনার সাপোর্টারদের সঙ্গে দিন। তাদের পানির বোতল এগিয়ে দিন, নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে রাখুন।"

আরেকটি ছবিও অনেকের ফেসবুক ওয়ালে দেখা যাচ্ছে। একজন আর্জেন্টিনা সমর্থক দলের বিপর্যয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছেন! তার মাথায় পানি ঢালছেন এক ব্রাজিল সমর্থক।

ছবির কপিরাইট Facebook
Image caption .

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর