প্রীতিভাজনেষু: ১৩ই জুলাই, ২০১৮: আপনাদের প্রশ্ন, সম্পাদকের জবাব

রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবলের খবর সন্ধানে বিবিসি বাংলার শাহনেওয়াজ রকি এবং রায়হান মাসুদ।
Image caption রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবলের খবর সন্ধানের এক ফাঁকে বিবিসি বাংলার শাহনেওয়াজ রকি এবং রায়হান মাসুদ।

বিবিসির বাংলায় আপনাদের চিঠিপত্রের এই আয়োজনে সবাইকে সদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমি মাসুদ হাসান খান।

এ সপ্তাহে আপনাদের বেশ কিছু চিঠি এসেছে ফুটবল বিশ্বকাপ এবং বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে যে ছাত্র আন্দোলন চলছে সে সম্পর্কে। ফেসবুক এবং ইমেইলের মাধমে আপনারা অনেকেই মতামত জানিয়েছেন।

হেলেনা ইসলাম ফেসবুকের মাধ্যমে কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে তার মতামত প্রকাশ করেছেন এভাবে:

আন্দোলনকারীর ওপর আক্রমণ যেভাবে হচ্ছে,তা মেনে নেয়ার মত নয়। বাক স্বাধীনতা কি আমাদের নেই? কোটা তুলে দিলে তো সরকারের ক্ষতি নেই। তবে কেন? আচ্ছা বলুন তো কে বা কারা সাহায্য করবেন আমাদের? বিদেশী কোন প্রেসিডেন্ট? নাকি সাধারণ কোন মানুষ? আমরা বাঁচতে চাই। ভয়ে কোন কিছু লেখালেখিও বাদ দিয়েছি।

অবশ্য কোটা প্রথার বিরুদ্ধে যেমন মতামত রয়েছে তেমনি কোটার পক্ষেও বিবিসির কিছু শ্রোতা-দর্শক-পাঠক কথা বলেছেন।

ওমর ফারুক:

আমি আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানাতে চাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকুক। কারণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কারো বোঝা হয়ে থাকতে চায় না। তারা নিজ হাতে কাজ করে বেঁচে থাকতে চায়।

Image caption আক্রমণে আহত কোটা আন্দোলনের একজন নেতা মাসুদ রানার এই ছবিটি অনেকের মনেই দাগ কেটেছে।

কোটা সংস্কার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে জানিয়ে দিয়েছেন যে হাইকোর্টের রায়ের কারণে মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে সংস্কার বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই ঘোষণা তিনি দিলেন জাতীয় সংসদেই তার এক বক্তব্যের তিনমাস পর যেখানে তিনি সবধরনরে কোটা তুলে দেয়ার কথা বলেছিলেন। এসংক্রান্ত সরকারি কমিটি কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটিই এখন দেখার বিষয়।

মো. বিশ্বাস:

বিবিসি বাংলার সকালের অধিবেশনের সংবাদ পর্যালোচনায় কেন পশ্চিমবঙ্গের কাগজকে ঠাঁই দেয়া হয় না, তা জানতে চাইছি।

বিবিসি বাংলার সকালের আয়োজন প্রত্যুষায় নিয়মিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে কাগজগুলোর প্রসঙ্গ আসেনা, সেটা ঠিকই। তবে বিশেষ বিশেষ দিনে, নির্বাচন, রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে আমরা পশ্চিমবঙ্গের দৈনিকগুলো কী বলছে, সেটা ঠিকই প্রচার করি। তবে এর একটা বাস্তব সমস্যাও রয়েছে। প্রায়শই দেখা যায় যে ভোরবেলায় যে সময় আমাদের অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, সে সময় কাগজগুলোর ওয়েবসাইট আপডেট করা হয় না। তাই ইচ্ছে থাকলেও সংবাদপত্র পর্যালোচনা করা সম্ভব হয় না।

আফসানা তাবাসসুম নিশি:

বিবিসি বাংলার সকালের খবর ইউটিউব বা ফেসবুকে কি আপলোড করা হয় না? আমি অনেক খুঁজেছি। না হলে করা হবে কি?

বিবিসির অধিবেশনগুলো ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করার কিছু কারিগরি সমস্যা রয়েছে। এখন আমরা শুধু সন্ধেবেলার অধিবেশন প্রবাহের ফেসবুক লাইভ সম্প্রচার করতে পারছি। কিন্তু প্রত্যুষা উপস্থাপন করা হয় ঢাকা থেকে। বিবিসি বাংলার ঢাকা ব্যুরোর স্টুডিওতে ফেসবুক লাইভ করার ব্যবস্থা এখনও নেই। যখন হবে, আমরা নিশ্চয়ই সেটা প্রচার করবো।

Image caption ফেসবুক লাইভে বিবিসির প্রবাহ অনুষ্ঠান।

সজল আহমেদ:

বিবিসি নিউজ বাংলা সার্ভিস-এর অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ চাই। এতে পাঠকদের অনেক সুবিধা হবে। আশা করছি, বিষয়টা বিবেচনা করবেন। ধন্যবাদ।

আপনাকেও ধন্যবাদ মি. আহমেদ। বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে মুষ্টিমেয় কিছু বিভাগে অ্যাপ চালু করা হয়েছে। অ্যাপ চালু করার সঙ্গে কোন একটি দেশের ইন্টারনেট সংযোগের মান এবং গতি, নেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং তাদরে চাহিদা - এই সবগুলো বিষয়কে বিবেচনায় রাখা হয়। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে এই চাহিদা কম। ফলে আমরা এখনও বিবিসি বাংলা অ্যাপ চালু করার কথা ভাবছিনা। তবে ভবিষ্যতে হয়তো পরিস্থিতি বদলে যাবে। আপনরাও পেয়ে যাবেন অ্যাপ।

ফেসুবকের মাধ্যমে এই প্রশ্ন পাঠিয়েছেন একজন ইউজার।

শূন্য আমি:

প্রিয় বিবিসি বাংলা - আমি ওমান থাকি। ওমান থেকে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার কথা বলছে দালাল। আমিও রাজী। সাগর পথে রওনা হবো। কাজটা কি ঠিক হবে? আপনাদের কাছে এধরনের কোন রিপোর্ট আছে?

আপনার পরিচয় জানতে পারছি না। তারপরও বলছি, কোন অবৈধ কাজে মতামত বা পরামর্শ দেয়ার অধিকার বিবিসির নেই। তবে অনেকেই অবৈধ পথে ইউরোপ যান, সেই বাস্তবতাকেও আমরা অস্বীকার করিনা। কিন্তু এই ধরনের উদ্যোগের যেসব মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে, তার ওপর আমরা বহু রিপোর্ট প্রচার করেছি রেডিও এবং অনলাইনে। আপনি বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইট-এ (এখানে ক্লিক করুন) গিয়ে সার্চ করলেও এ সম্পর্কে একটা ধারণা পেয়ে যাবেন।

'সবকিছু বিক্রি করে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এখন আমি নিঃস্ব '

এনায়েত করিম:

আপনাদের খবর শুনলে অনেক উপকার হয়। যেমন, গতকাল আমার বিএম কলেজে শেষ বর্ষের ভাইবা ছিল। সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল: তুরস্কের রাজধানীর নাম কি? বিবিসির খবর শুনতে শুনতে মুখস্থ হয়েছে আঙ্কারা। ধন্যবাদ বিবিসিকে।

মি. করিম, আমাদের কাজে লাগতে পেরে আমরাও খুশি হয়েছি। তবে এধরনরে চিঠি আমাদের কাছে এবারই প্রথম না। বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের একটা বড় অংশ রেডিওতে আমাদের খবর শোনেন এবং অনলাইনে খবর পড়েন। ফলে সমসাময়িক বিশ্বের কোথায় কী ঘটছে, তার সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়ে যায়। শুনেছি, সেটা নানা ধরনের সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষাতেও কাজে লাগে। আর হ্যাঁ, পরীক্ষার রেজাল্ট ভাল হয়েছে তো?

জানজিবার রহমান:

আমি একজন বহু পুরানো শ্রোতা। বিবিসি নিউজের ভক্ত, সত্তর-এর দশক থেকে আগ্রহ সহকারে খবরগুলো শুনতাম | মাঝখানে টিভি আসার পর থেকে রেডিও শোনা হয়নি। ইন্টারনেট নেয়ার পর থেকে নিয়মিত না হলেও মাঝেমাঝে বিবিসি-র খবর পড়ি | আগে ডাকে যোগাযোগ করতাম। অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। ধন্যবাদ।

মি. রহমান, আপনি ফেসবুকে মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। ফলে এখন আর ডাক পিওনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি জানেন কিনা জানি না বিবিসি বাংলার প্রবাহ অনুষ্ঠানটি এখন আমরা নিয়মিতভাবে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সম্প্রচার করছি। ফলে এখন খবর শোনার সাথে একটা দেখার বিষয়ও রয়েছে। হয়তো আপনার পুরনো অভ্যাস ফিরে আসলেও আসতে পারে। আপনাকে ধন্যবাদ।

Image caption বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটের একটি শিরোনাম।

ফরিদুল হক, ফুলবাড়ী,কুড়িগ্রাম:

বিবিসি চ্যানেল আই-এর সাথে চুক্তি করে রেডিওর পাশাপাশি টেলিভিশনেও অনুষ্ঠান সম্প্রচার বেশ কিছুকাল আগেই শুরু করে দিয়েছে। তাছাড়াও হুট-হাট করে দুটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া এবং টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে সময় বাড়ানো ও অনুষ্ঠান বাড়ানোর পরিকল্পনা করা, জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া --এ সব দেখে বোঝাই যাচ্ছে বিবিসি কতোটা আপডেটেড হচ্ছে। তবে বিবিসির শুরুটা কিন্তু রেডিওর অনুষ্ঠান দিয়ে তা ভুলে গেলে চলবে না। আমার মাঝে মধ্যে ভয় হয় সম্পাদক কখন আবার রেডিওর সব অনুষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা যে দেয় সেজন্য।

মি. হক আপনার শঙ্কার জায়গাটা বুঝতে পারছি। তবে অনুষ্ঠান দুটি ঠিক হুট-হাট করে বন্ধ করা হয়নি। এর পেছনে অনেক চিন্তা-ভাবনা, অনেক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কাজ করেছে। আর এটা করাও হয়েছে সময়ের প্রয়োজনকে স্বীকার করে নিয়ে। খবর শোনা বা পড়ার ক্ষেত্রে শ্রোতাদের মধ্যে যে পরিবর্তন আসছে সেটাও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। কিন্তু রেডিওতে যে আমাদের বহু শ্রোতা রয়েছে, সেটা আমরা ভুলিনি। তাই রেডিও অনুষ্ঠান হঠাৎ করে বন্ধ করার কোন প্রশ্নই আসে না। তবে একথা ঠিক যে আপনারা যতদিন রেডিও শুনবেন ততদিন রেডিও বাজবে। আপনারা রেডিও শোনা ছেড়ে দিলে অবশ্য ভিন্ন কথা।

মামুন হো‌সেন, ‌টে‌বিরচর, জামালপুর:

শুরুতেই বস্তুনিষ্ঠ, সম‌য়োপ‌যোগী ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের জন্য বি‌বি‌সি বাংলা‌কে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। এর আগেও আমি এক‌টি বিষয় জানার জন্য বেশ কয়েকটি চিঠি পাঠিয়েও কোন উত্তর পাইনি। তাই আবারো লিখলাম। এখন আমা‌দের জামালপুরবাসী‌দের শর্টও‌য়ে‌ভে বি‌বি‌সি বাংলা শুনতে খুবই সমস্যা হ‌চ্ছে। তাই ময়মন‌সিংহে‌কে এফএম ব্যান্ডের আওতায় আনার জন্য বি‌বি‌সি বাংলা কর্তৃপক্ষের কোন পরিকল্পনা আছে কি? না থাক‌লে তা কত দি‌নের ম‌ধ্যে হ‌তে পা‌রে? আশা ক‌রি জানা‌বেন।

মি. হোসেন, আমাদের রেডিও অনুষ্ঠান শুনতে আপনাদের অসুবিধে হচ্ছে জেনে দু:খিত। কিন্তু শর্টওয়েভ শুনতে কেন সমস্যা হচ্ছে আমরা সেটা বুঝতে পারছি না। এই পর্যায়ে ময়মনসিংহে এফএম সম্প্রচারের কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। তবে সেটা হলেও ময়মনসিংহ থেকে প্রচারিত এফএম অনুষ্ঠান জামালপুরে বসে শোনা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে বিকল্প হিসেবে আপনারা বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে গিয়ে আমাদের অনুষ্ঠান সরাসরি শুনতে পারেন। আমাদের ফেসবুক পাতায়ও একটি অধিবেশন আমরা সরাসরি সম্প্রচার করছি। এমনকি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও আপনি এখন আমাদের অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন।

মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, লালমোহন, ভোলা:

আমি আপনাদের নিয়মিত শ্রোতা ও ওয়েবসাইটের নিয়মিত পাঠক। আমি দীর্ঘদিন যাবত লক্ষ্য করছি, আপনাদের ওয়েবপেজ ও ফেসবুক পাতায় যত সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে, তার অধিকাংশের শিরোনাম প্রশ্নবোধক দিয়ে শেষ। এর রহস্য কী? শ্রোতা ও পাঠকদের রহস্যের বেড়াজালে আটকে রেখে পরবর্তী সংবাদের জন্য আগ্রহ তৈরি করা, নাকি ইচ্ছে করেই সংবাদের উপসংহার বা সমাপ্তি না টানা? পত্রপত্রিকায় কিন্তু এ ধরণের প্রশ্নবোধক শিরোনামের খুব কম সংবাদই লক্ষ্য করা যায়। ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার সকলকে।

মি. রহমান আপনি যে বিষয়টি তুলে ধরেছেন, তা নিয়ে আমরা বিবিসি বাংলার কর্মীরাও কথাবার্তা বলছি। আপনি ঠিকই ধরেছেন, অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্নবোধক শিরোনাম লেখা হচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধরনের শিরোনাম বেশ কার্যকর। সম্ভবত, পাঠকের মনে যে প্রশ্ন তৈরি হয় তার প্রতিফলন ঘটানোর তাড়না থেকেই এই ধরনের শিরোনাম দেয়া হচ্ছে। তবে এর অতি ব্যবহার কাম্য নয়।

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বিবিসি বাংলার নানা ধরনের খবর পরিবেশন করছে। রেডিওর আয়োজন ছাড়াও বিবিসি বাংলার দুজন সহকর্মী এখন রাশিয়া থেকে নানা স্বাদের খবর পাঠাচ্ছেন। ভিডিও পাঠাচ্ছেন। ফেসবুক লাইভ করছেন। আপনাদের অনেকেই এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তার জন্য আপনাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।

ফয়সাল আহমেদ সিপন, ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ:

বিবিসি বাংলা বিভাগের প্রিয়জনেরা - চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের খেলাগুলি নিয়ে বিশ্লেষক মিহির বোসের বিশ্লেষণ ভীষণ ভাল লাগছে। ধন্যবাদ।

মুকুল সরদার, দাকোপ, খুলনা:

নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার বিশ্বকাপ ফুটবল এখন প্রায় শেষ দিকে। ফুটবল বিশ্বের রথী মহারথীরা ছিটকে পড়েছে এরই মধ্যে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকরা যারপর নাই হতাশ হয়েছেন। বিবিসি বাংলাকে ধন্যবাদ জানাই বিশ্বকাপ ফুটবলের তরতাজা খবর কিম্বা মাঠের বাইরের নানা গল্প শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে রাশিয়ায় নিজস্ব সংবাদদাতা প্রেরণ করবার জন্য। বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানাই বিবিসির ক্রীড়া সম্পাদক মিহির বোসকে তার অসাধারণ বিশ্লেষণের জন্য।

আরো বার্তা যাদের পেয়েছি:

মো. মারুফ হাসান

মো. আনোয়ার হোসেন আবরার

মোশারফ মশি

সোহান হোসেন

আলমগীর নুর

মারজান জামিয়া

রাজিব আহমেদ

বিবিসি বাংলার খবর সম্পর্কে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখুন:

ইমেইল: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক: www.facebook.com/BBCBengaliService/