ভেঙে ফেলা হতে পারে শ্রীলঙ্কার গল স্টেডিয়াম

শ্রীলঙ্কার গল স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড সমর্থকরা স্বাগতিক টিমের সাথে তাদের দলের খেলা দেখছেন, ২০১২ সালে তোলা। ছবির কপিরাইট AFP
Image caption শ্রীলঙ্কার গল স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড সমর্থকরা স্বাগতিক টিমের সাথে তাদের দলের খেলা দেখছেন, ২০১২ সালে তোলা।

সারা বিশ্বে ছবির মতো দেখতে সুন্দর যতো ক্রিকেট স্টেডিয়াম আছে তার একটি শ্রীলঙ্কার গল স্টেডিয়াম। এখন এই স্টেডিয়ামটি হুমকির মুখে পড়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, স্টেডিয়ামটি ভেঙে ফেলা হতে পারে কারণ এর ফলে পার্শ্ববর্তী একটি দুর্গের হেরিটেজ বা বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলে এই গল ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি অনেক বেশি বিখ্যাত একারণে যে এর পেছনেই ভারত মহাসাগর। সেখানে বসে খেলা দেখার সময় সমুদ্রের অপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্যও চোখে পড়ে।

কিন্তু এর ফলে হুমকির মুখে পড়েছে তার পাশেই অবস্থিত সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত এক ডাচ দুর্গ।

শ্রীলঙ্কার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ওইজেদাসা রাকাপাকশে বলেছেন, দুর্গটির পাশে বেশকিছু অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় এর বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা হুমকির মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো এই দুর্গটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা বলে মর্যাদা দিয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলছেন, এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে ৫০০ আসনের একটি প্যাভিলিয়ন স্ট্যান্ড। ২০০৪ সালের সুনামির আঘাতে ক্রিকেট গ্রাউন্ডটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর এই প্যাভিলিয়নটি পুননির্মাণ করা হয়।

আরো পড়তে পারেন:

মিরপুরের বাড়িতে গুপ্তধন রহস্য: পুলিশের খোঁড়াখুঁড়ি

তিন বছর ধরে বাংলাদেশী বিমান ভারতে

ইমরান খান কি জয়ের গন্ধ পাচ্ছেন?

বিশ্বের সবচেয়ে নিঃসঙ্গ মানুষের গল্প

ছবির কপিরাইট AFP
Image caption স্টেডিয়ামের পাশেই সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত ডাচ দুর্গ।
ছবির কপিরাইট AFP
Image caption দুর্গটির উপরে দাঁড়িয়ে ভালো খেলা দেখা যায়।
ছবির কপিরাইট AFP
Image caption বিখ্যাত গল স্টেডিয়াম, পাশেই ডাচ দুর্গটি।
ছবির কপিরাইট AFP
Image caption স্টেডিয়ামটি ২০০৪ সালের সুনামিতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সুনামিতে শ্রীলঙ্কায় ৩১,০০০ মানুষ নিহত হয়।
ছবির কপিরাইট AFP
Image caption পরে সেখানে নতুন একটি প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করা হয়, যার ফলে শহরের প্রধান সড়ক থেকে দুর্গটি দেখা যায় না।

মি. রাকাপাকশে বলেছেন, সরকারের সামনে এখন দুটো উপায়: হয় বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অবস্থান করা অথবা প্যাভিলিয়নটিকে রেখে দেওয়া।

তবে ক্রিকেটার অর্জুনা রানাতুঙ্গা, যিনি ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিনি একটি আপোসরফার প্রস্তাব দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বর্তমান স্ট্যান্ডটিকে ভেঙে, টেস্ট ম্যাচের সময় সেখানে বসার জন্যে অস্থায়ী কিছু আসনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর