ছবিতে গ্রীসের দাবানল: আগুনে পুড়ছে সাগর তীরের স্বর্গ

গ্রীসের দাবানলে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮০। ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি সবচেয়ে বেশি হয়েছে রাজধানী অ্যাথেন্সের ২৫ মাইল উত্তর-পূর্বের গ্রাম মাতি। পালাতে না পেরে বহু মানুষ সেখানে বাড়ির ভেতরে পুড়ে মারা গেছেন। পালানোর পথে গাড়ির ভেতরে মৃত্যু হয়েছে অনেকের।

বহু মানুষ বাড়ি থেকে পালানোর সুযোগ পাননি। আগুনে জ্বলছে একটি বাড়ি।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

বহু মানুষ বাড়ি থেকে পালানোর সুযোগ পাননি।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

কিনেটা শহরে আগুন নেভানোর চেষ্টা

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান,

অ্যাথেন্সের শহরতলী নিও ভুটসা এলাকায় মহাসড়কের ওপরে কালো ধোঁয়ার আস্তরণ।

ছবির উৎস, Reuters

ছবির ক্যাপশান,

সাগর তীরের শহর কিনেটায় বাতাসে উড়ছে আগুনের ফুলকি এবং ছাই। আকাশের রং হয়ে উঠেছে কমলা।

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

রাফিনা শহরে হেলিকপ্টার দিয়ে আগুণ নেভানোর চেষ্টা

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

জ্বলছে অ্যাথেন্সের কাছের শহর আটিকা

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

গ্রীসের সরকার ইউরোপের অন্যান্য দেশের সাহায্য চেয়েছে

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

দাবানল সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মাতি গ্রামে। সাগর তীরের মাত্র ৫০ ফুট দুরে ২৬টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

মাতি গ্রামে আগুনে পোড়া গাড়ির বহর। বহু মানুষ গাড়ির ভেতরে পুড়ে মারা গেছেন।

'এ যেন কেয়ামতের ধ্বংসযজ্ঞ'

মাতি গ্রামে বহু মানুষ প্রাণ বাঁচতে সাগরের পানিতে নেমে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

পালিয়ে প্রাণে বাঁচা কস্তাস লাগানোস বলেছেন, "পিঠে আগুনের আঁচ সহ্য না হওয়ায় পানিতে ঝাঁপ দিয়েছিলাম।"

সাগরে নেমে বাঁচতে পেরেছেন জর্জ ভোকাস। তিনি বলেন, দুজন মহিলাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও তিনি পারেননি। "বাইবেলে যে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার বর্ণনা রয়েছে, সুন্দর মাতিতে সেই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে গেছে"

ছবির উৎস, Kalogerikos Nikos

ছবির ক্যাপশান,

আগুন থেকে বাঁচতে বহু মানুষ দৌড়ে সাগরের পানিতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।

ছবির উৎস, Kalogerikos Nikos

ছবির ক্যাপশান,

সাগরের ভেতর পাথরের ওপর আশ্রয় নিয়েছে একটি কুকুর

ছবির উৎস, Kalogerikos Nikos

ছবির ক্যাপশান,

আগুন থেকে বাঁচতে ঘরবাড়ি ছেড়ে সাগর তীরে জড় হয়েছেন বহু মানুষ।

ছবির উৎস, Kalogerikos Nikos

ছবির ক্যাপশান,

আগুনে পোড়া বাড়ি। রেডক্রস বলছে বহু মানুষ রাতারাতি সবকিছু হারিয়ে নিঃস হয়ে গেছেন।

All photographs subject to copyright.