নিরাপদ সড়ক: সংঘর্ষ ছড়াচ্ছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ-ছাত্র সংঘর্ষের সময় কাঁদানে গ্যাস

ছবির উৎস, Omar Faruk Rasel

ছবির ক্যাপশান,

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ-ছাত্র সংঘর্ষের সময় কাঁদানে গ্যাস

শনি এবং রোববার ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় সহিংসতা এবং পুলিশের মারমুখী আচরণের পর আজ (সোমবার) রাস্তায় স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের চোখে পড়েনি।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কাছে এবং রাজধানীর আরো দুটো বড় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ হয়েছে।

দুপুরের পর বসুন্ধরা এলাকায় নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র রাস্তা অবরোধ করতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। ছাত্ররা তা অমান্য করতে গেলে, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বেধে যায়।

ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। অনেক ছাত্র সেসময় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ভেতরে ঢুকে পড়ে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে।

একজন ছাত্র অভিযোগ করেন, পুলিশ এ সময় রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।

এর আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি মিছিল শাহবাগ চত্বরের দিকে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

আরও পড়ুন:

ছবির ক্যাপশান,

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কাঁদানে গ্যাস

বাড্ডা এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও আজ হাঙ্গামা হয়েছে।

জানা গেছে, সেখানে সরকারি দলের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগের বেশ কিছু সদস্য সকাল ১০টার দিকে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যাম্পাস ঢুকতে বাঁধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র হৃদয় ইসলাম বিবিসিকে বলেছেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে। ভাঙচুর করেছে।

পরে পুলিশ বেশ কয়েক দফা কাঁদাসে গ্যাস ছুঁড়েছে।

"সকাল সাড়ে দশটার দিকে হাঙ্গামা শুরু হয়। মনে হয়, গতকাল ছাত্রলীগের একটি মিছিলকে ধাওয়া করার ঘটনার বদলা নিতে এই হামলা করা হয়েছে," বলেন হৃদয় ইসলাম।

বেলা তিনটার দিকে তিনি জানান, হাজার খানেক ছাত্র-ছাত্রী ক্যাম্পাসে আটকা পড়ে আছেন, ভয়ে বেরুতে পারছেন না।