বাংলাদেশে নির্বাচনের বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসবে আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের।

ছবির উৎস, FACEBOOK PAGE OF OBAIDUL QUADER

ছবির ক্যাপশান,

আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের।

বাংলাদেশে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নবগঠিত ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সংলাপে বসবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, আজ মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর এই বিষয়ে আলাপ আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে সংলাপে বসতে চায়, তাতে আওয়ামী লীগ সম্মতি দিয়েছে।

এর আগে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার সংলাপে বসার আহবান জানানো হলেও সরকারি দল আওয়ামী লীগ সবসময় সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে।

কিন্তু এখন নবগঠিত রাজনৈতিক জোটের আহবানে সাড়া দিল আওয়ামী লীগ। এই জোটের অন্যতম সদস্য বিএনপিও।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, "শেখ হাসিনার দরজা কারো জন্য বন্ধ থাকে না। এর মাধ্যমে আপনারা বুঝতে পেরেছেন, আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন। এবং এ ব্যাপারে আমরা আমাদের নেত্রীর সঙ্গে একমত।"

তবে কবে বৈঠক হবে সেটা পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

রবিবার সংলাপের আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং সাধারণ সম্পাদক বরাবর দুটি চিঠি পাঠায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। যার সঙ্গে তাদের সাত দফা প্রস্তাব এবং এগারোটি লক্ষ্যও সংযুক্ত করা হয়।

ছবির ক্যাপশান,

ড. কামাল হোসেন।

আরো পড়তে পারেন:

এই সাত দফার দাবির মধ্যে রয়েছে বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের আয়োজন করা। বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিও আছে ওই সাত দফায়।

এর আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সবকটি দাবীই নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। দলটির বক্তব্য: এসব দাবি সংবিধানসম্মত নয়।

সংলাপের আহবান জানিয়ে ঐক্যফ্রন্টের দেওয়া চিঠিতে ড. হোসেন লিখেছিলেন, "শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সকলের অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে একটি অর্থবহ সংলাপের তাগিদ অনুভব করছে এবং সে লক্ষ্যে আপনার কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি।"

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য নির্দিষ্ট কাউকে দায়ী না করে তিনি তার চিঠিতে লিখেছেন, "নেতিবাচক রুগ্ন রাজনীতি কিভাবে আমাদের জাতিকে বিভক্ত ও মহাসঙ্কটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে, তাও আমাদের অজানা নয়।"

আরো পড়তে পারেন: