আপনার প্রশ্ন, আমাদের জবাব

সংলাপে উপস্থিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।
Image caption সংলাপে উপস্থিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

এ সপ্তাহে আপনাদের কাছ থেকে আমরা প্রচুর চিঠি পেয়েছি যার বিষয়বস্তু ছিল বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতি, বিশেষভাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ। এতে আপনারা নানা ধরনের মতামত প্রকাশ করেছেন। আপনাদের আশাবাদ এবং হতাশার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

এ নিয়ে খুলনার দাকোপ থেকে লিখেছেন নিয়মিত পত্রলেখক মুকুল সরদার:

পহেলা নভেম্বর আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহু কাঙ্ক্ষিত সংলাপ। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা আলোচনা শেষে উভয় পক্ষের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার হয়েছে, উভয় পক্ষ যার যার অবস্থানে অনড় রয়েছে ফলে চলমান রাজনৈতিক সংকটের কোনো সমাধান আসেনি সংলাপ থেকে। প্রশ্ন হচ্ছে, লোক দেখানো এ ধরণের সংলাপ করে আসলে কি লাভ? আওয়ামী লীগ ঠিক কি অর্জন করতে চাইছে এ সংলাপের মাধ্যমে? সংলাপ থেকে যেহেতু কোনো সমাধান আসেনি, তাহলে কোন দিকে এগোচ্ছে সাধারণ নির্বাচন?

মি. সরদার, সংলাপের ফলাফল যাই হোক না কেন এই দু'পক্ষের মধ্যে সরাসরি সাক্ষাৎ যে একটা নতুন আশাবাদ তৈরি করতে পেরেছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। ফলে নির্বাচনের আগের ক'টি দিনে দেখা যাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের প্রশ্নে কোন পক্ষ কতটা ছাড় দিতে রাজি হয়।

একই বিষয় নিয়ে লিখেছেন মেনহাজুল ইসলাম তারেক, দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে:

গত ১লা নভেম্বর চ্যানেল আইয়ে'র 'বিবিসি প্রবাহ' অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু জাতীয় সংলাপ নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেখছিলাম। 'বারবার যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচনী সংলাপ'! দেখে ততটা অবাক হইনি; কারণ এই দেশে সংলাপ-সংলাপ খেলা দেখেছি বহুবার। হঠাৎ কেন এই সংলাপ-সংলাপ-বিলাপ? হঠাৎ কেনই বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছে প্রকাশ? তবে আমি দেশবাসী হিসেবে চাই, 'সংলাপ' সফল হোক।

Image caption সংলাপে উপস্থিত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

আপনি ঠিকই বলেছেন মি. ইসলাম, গত তিন দশকে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সংলাপ বা আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সঙ্কট সমাধানে যে সব চেষ্টা হয়েছে তাতে সাফল্যের নজির নেই বললেই চলে। তত্বাবধায়ক সরকারের ইস্যুতে ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘ মহাসচিব মধ্যস্থতার জন্য তার একজন দূত পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা সফল হয়নি। দু'হাজার চার সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের মহাসচিব পর্যায়ের দীর্ঘ সংলাপেও কোনো লাভ হয়নি, যার জের ধরে ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত একটি সরকার ক্ষমতা নিয়ে নেয়। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি যাতে অংশ নেয়, তা নিশ্চিত করতে বিদেশীদের মধ্যস্থতায় মীমাংসার একাধিক চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছিল।

বর্তমান রাজনৈতিক টানাপড়েনের একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে সংবিধান সংশোধনের দাবি। এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রামের সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ থেকে লিখেছেন মোঃ মিজানুর রহমান:

বাংলাদেশের সংবিধান তো আসমানী কিতাব নয়, যে সংশোধন করা যাবে না। সংবিধানএ পর্যন্ত ১৬বার সংশোধন করা হয়েছে। তা ছাড়া, প্রথম রচিত সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কিছুই বলা ছিলো না। যার ফলে সরকারি দল নিজেদের মতো সংবিধান সংশোধন করছে। নিরপেক্ষ সরকার সংবিধানের পরিপন্থীর কথা বলে সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে না। এটা কি ঠিক?

ধন্যবাদ মি. রহমান। পরবর্তী নির্বাচন সম্পর্কে আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থান হচ্ছে, তারা সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে কোন ধরনের নির্বাচন করতে চায় না। এটি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বারবার করে বলেছেন। তার দলের অন্যান্য নেতারাও একই কথা বলেছেন। এই বিষয়টিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কিংবা বিএনপি কতদূর পর্যন্ত যাবে, সেটা দেখার বিষয়।

ছবির কপিরাইট FARJANA KHAN GODHULY
Image caption দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার মুক্তি বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণের অন্যতম শর্ত।

নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে দেখে এই চিঠি পাঠিয়েছেন ফয়সাল আহমেদ সিপন, গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইড় থেকে:

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। নির্বাচনকালীন সময়ের জন্যে হলেও রাত সাড়ে দশটার অধিবেশন ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করছি ।

আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে বলে দু:খিত মি. আহমেদ। সাড়ে দশটার অধিবেশন ফিরিয়ে আনার কোন সম্ভাবনাই নেই। তবে ভোটের দিন আমরা বর্ধিত কলেবরে অনুষ্ঠান প্রচার করবো বলে আশা করছি। তবে এই সুযোগে আপনাকে জানিয়ে রাখি নির্বাচন দিন এবং তার আগে পরে আমরা নানা ধরনের ডিজিটাল কর্মকাণ্ড চালানোর পরিকল্পনা করছি। তার মধ্যে থাকবে অনেক বিশেষ রিপোর্ট, অনেক সাক্ষাৎকার, অনেক ফেসবুক লাইভ, বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে চলবে অনেক লাইভ পেজ। কাছাকাছি সময়ে এগুলো সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত প্রকাশ করবে। আপনাদের ভাল লাগবে বলে আশা করছি।

এ সপ্তাহে বাংলাদেশের রাজনীতির বাইরেও কিছু চিঠি আমরা হাতে পেয়েছি। রংপুরের পার্বতীপুর দোলাপাড়া উপশহর থেকে লিখেছেন এস.এম.মো.লিয়াকত আলী:

আমি কেন জানি বুঝিনা বিবিসি যখন বিশ্লেষণধর্মী কোন তথ্য জনগণের সামনে উপস্থাপনা করে, অনেক শ্রোতা আছে যারা তা সাদরে গ্রহণ করে। আবার অনেক শ্রোতা আছে যারা তা নিয়ে আপত্তিকর ভাষায় গালাগালি করে থাকে, যা আমার কাছে বিব্রতকর। মানুষকে সচেতন করতে হলে সব বিষয়ের জ্ঞানের প্রয়োজন রয়েছে। কিছুদিন আগে মহিলাদের জরায়ু মুখের ক্যান্সারের প্রতিবেদন শুনে অনেক উপকৃত হয়েছি। এই প্রতিবেদন রেকর্ড করে আমি আমার বন্ধুদের ও নিকট আত্মীয়দের শুনিয়েছি। তারা অনেক উপকৃত হয়েছে। তারা ধন্যবাদ জানিয়েছে বিবিসিকে বাংলাকে।

ছবির কপিরাইট Joe Raedle
Image caption জরায়ু মুখের ক্যান্সারই একমাত্র ক্যান্সার যার টিকা রয়েছে।

আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মি. আলী। আমাদের তৈরি অনুষ্ঠানগুলোর স্বাদ একেক রকম। তাই ভিন্ন ভিন্ন শ্রোতা বা দর্শকের কাছে তার আবেদনও ভিন্ন রকম। তবে বলতে পারি আপনাদের যৌন সুড়সুড়ি দেয়ার কোন ইচ্ছে আমাদের নেই। এধরনের অনুষ্ঠান আমরা তৈরি করি আপনাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর অভিপ্রায় নিয়ে।

যারা রিপোর্টটি দেখেননি, তারা এখানে পড়ে দেখতে পারেন।

প্রীতিভাজনেষু অনুষ্ঠান সম্পর্কে এই চিঠি পাঠিয়েছেন ফরিদুল হক, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী থেকে:

দুইদিন খণ্ড খন্ডভাবে প্রীতিভাজনেষু প্রচারিত হয়। ব্যাপারটা অদ্ভুত হলেও বেশ সুন্দর। কিন্তু রেডিও অনুষ্ঠানের বিষয়গুলো অনলাইনে দেখতে এবং শুনতে পাই, কিন্তু অনলাইনে বেশ কিছু সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান দেখি যা রেডিও অনুষ্ঠানে শুনতে পাই না। বিবিসি ক্লিক বা চ্যানেল আইএ প্রচারিত বিবিসির ভিডিও অনুষ্ঠানগুলোর অডিও অংশ রেডিও অনুষ্ঠানে সপ্তাহে একদিন করেও কি প্রচার করা সম্ভব নয়?

ছোট সাইজের প্রীতিভাজনেষু আপনার ভাল লাগছে জেনে খুশি হলাম। আসলে রেডিও কিংবা অনলাইন - এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন মাধ্যম। ফলে রেডিওতে যা শুনতে ভাল শোনায়, তা অনলাইনে অতটা ভাল লাগে না। অনলাইনের অডিয়েন্স যেমন আলাদা, তেমনি তার ভাষা, মেজাজ-মর্জিও আলাদা। আমরা মাঝখানে চেষ্টা করেছিলাম বিবিসির টেলিভিশনের কিছু রিপোর্ট রেডিওতে প্রচার করতে। কিন্তু ভাল শোনায়নি।

Image caption গত ২রা অক্টোবর সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর আর বেরোননি মি. খাসোগজি।

কানাইঘাট, সিলেটের আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়য়ের সহকারী শিক্ষক শেখ আলী হোসেন একটু সমস্যায় পড়েছেন:

আপনাদের ওয়েবসাইটে দেয়া অডিও-ভিডিও গুলো আমার স্মার্টফোনে প্লে হয় না। লেখা আসে আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না। আমার ডিভাইস Xiaomi Redmi Note 5a Prime. আপনাদের ভিডিও গুলো দেখতে গেলে লেখা আসে "আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করেনা" আমার বন্ধু-বান্ধব, ছাত্র-ছাত্রী সকলেরই এই সমস্যা হচ্ছে। কিভাবে ভিডিও গুলো দেখতে পারবো?

আমার ধারণা আপনার ফোনের সেটিং-এ কোন ধরনের সমস্যা হয়েছে। অনেক সময় শাওমির ডিফল্ট সেটিং-এ ভিডিও প্লেয়ার ঝামেলা করতে পারে। তাই বলবো সেটিং থেকে সমস্যাটি দূর করতে পারেন। অথবা আপনার এলাকার কোন মোবাইল ফোন সারাইয়ের দোকানে গেলেও তারা এটি আপনাকে সেট করে দিতে পারবে। আশা করি সমস্যাটা দূর হয়ে যাবে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের একটা বড় খবর ছিল সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগজির হত্যা। এ প্রসঙ্গে সাতক্ষীরা থেকে লিখেছেন মোহাম্মদ আব্দুল মাতিন:

সৌদি আরবের যুবরাজ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের এক ভাই প্রিন্স আহমেদ বিন আবদেল আজিজ ব্রিটেনে স্বেচ্ছা-নির্বাসন কাটিয়ে স্বদেশে ফিরেছেন। বিশ্লেষকরা বলছে, তার প্রত্যাবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তিনি যুবরাজ মোহাম্মদের জায়গা নিতে পারেন, আসলে কি এমনটা হতে পারে?

সেটা বলা কী সম্ভব? এই বিষয়টিকে ঘিরে যে টানাপড়েন চলছে, তার প্রভাব সৌদি আরবের ভেতরে একেবারেই পড়ছে না, তা কি বলা যায়? এই ঘটনা সৌদি রাজ পরিবারের মধ্যে ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তারা অনেকেই বলেছেন এই সঙ্কট সমাধানের একটা উপায় হতে পারে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ক্ষমতায় কাটছাঁট করা এবং উপমন্ত্রী হিসেবে আরেকজনকে নিয়োগ করে ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা। কিন্তু পরিস্থিতি এখনও বেশ অনিশ্চিত।

Image caption পরিবহন শ্রমিকদের হেনস্থার শিকার এক ড্রাইভার।

বাংলাদেশে চলতি সপ্তাহে ৪৮-ঘণ্টার পরিবহন শ্রমিক ধর্মঘট প্রসঙ্গে লিখেছেন মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি। তিনি মনিজা রহমান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের একজন প্রভাষক:

গত ২৮শে অক্টোবরে ৪৮ ঘণ্টার টানা পরিবহন ধর্মঘট নানা ভোগান্তির পর শেষ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে কিছু শ্রমিক নামধারী লোক পরিবহন ধর্মঘটের নামে ধর্মঘটের বিরোধীতাকারী ড্রাইভার ও সাধারণ যাত্রীদের মুখে কালো পোড়া কালি মেখে দেয়, যা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। ধর্মঘটের মধ্যে যেসব ড্রাইভার গাড়ী নিয়ে বের হয়েছেন তাদেরকে কোথাও কোথাও কান ধরে ঠাবসাসহ নানা ধরণের হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। আমার প্রশ্ন, উন্নত দেশগুলোতে ধর্মঘটের সময় শ্রমিকরা সাধারণ মানুষকে কী এভাবে অপমান অপদস্থ করে?

একই বিষয়ে আরেকটি মতামত। পাঠিয়েছেন মাসুম বিল্লাহ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে:

এগুলো আমরা কী দেখলাম! ধর্মঘটের নামে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে একের পর এক গাড়ি চালকদের মবিল লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে সারা মুখে। সামাজিক যোগাযোগের কল্যাণে যে সকল ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেগুলোর দিকে তাকানো যায় না পর্যন্ত। এটা কি ধরনের ধর্মঘট ওদের?

মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি এবং মাসুম বিল্লাহ আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ মতামতের জন্য।

পরিবহন শ্রমিক ধর্মঘট নিয়ে বিবিসির রিপোর্ট।

আমাদের সম্প্রচার সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন মোঃ নাজমুল হক, বরিশাল থেকে:

আপনাদের বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠানের শুধু একটি অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচার করা হয়। কিন্তু দুটি অনুষ্ঠান ই লাইভ সম্প্রচার করলে ভালো হতো না?

মি. হক, আমি যদি বুঝতে ভুল না করে থাকি, আপনি লাইভ বলতে ফেসবুক লাইভ বুঝিয়েছেন। তাই কি? এই মুহূর্তে ফেসবুক লাইভ করার সুবিধেটুকু শুধু আমাদের লন্ডন স্টুডিওতে রয়েছে। ঢাকা স্টুডিওতে নেই। সেকারণেই শুধুমাত্র প্রবাহ অনুষ্ঠানটির ফেসবুক লাইভ আপনারা দেখতে পান। প্রত্যুষার কোন ফেসবুক লাইভ হয় না। দুটিই লাইভ করতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু এখনই সম্ভব হচ্ছে না।

আসামের নাগরিকপঞ্জীর সমস্যা নিয়ে লিখেছেন সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবি:

এনআরসি তৈরি করে বিজেপি আসামের আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদের পরিবেশ আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে যখন কোনো ফলাফল পাচ্ছে না তখন আঞ্চলিক বিভেদকামী শক্তিকে মদত দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটছে BJP। এই ধরনের নোংরা রাজনৈতিক দেশের ঐক্যের পক্ষে ভয়ংকর।

এই বিভেদমূলক রাজনীতির কী ফল হয়, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। এ সপ্তাহেই আসামে সহিংসতায় পাঁচ জন বাঙালী খুন হয়েছে। নাগরিকত্ব ইস্যুতে গত ক'সপ্তাহ ধরেই অসমীয়া এবং বাঙালীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।

বিবিসি বাংলার খবর সম্পর্কে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখুন:

ইমেইল: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক: www.facebook.com/BBCBengaliService/