চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন শেখ হাসিনা

টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করছেন শেখ হাসিনা
Image caption টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করছেন শেখ হাসিনা

বাংলাদেশে টানা তৃতীয়বারের মতো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শপথ গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।

এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো মন্ত্রিসভা গঠন করলেন শেখ হাসিনা।

বিকাল পৌনে ৪টার দিকে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ শেখ হাসিনাকে শপথ পড়ান। এরপরে অপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করছেন।

আরো পড়ুন:

৪৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা, আজ শপথ

বাংলাদেশে মন্ত্রীরা কী সুযোগ সুবিধা পান?

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বললেন তোফায়েল

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম রবিবার সচিবালয়ে ব্রিফিং করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ও তাদের মন্ত্রণালয় কোনটি হবে সেটি প্রকাশ করেছেন।

তবে এবারের মন্ত্রিসভায় অনেক নতুন মুখের পাশাপাশি ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রিসভায় ছিলেন এমন অনেকেও স্থান পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও মোট ৪৬ জন এবারের মন্ত্রিসভায় আসছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি জানিয়েছেন, এবারের মন্ত্রিসভায় ৩১ জন নতুনভাবে এসেছেন। তবে এবারের মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও মতিয়া চৌধুরীর মতো নেতারা জায়গা পাননি। আরো বাদ পড়েছেন নুরুল ইসলাম নাহিদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আসাদুজ্জামান নূর, শাজাহান খান, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, এ এইচ মাহমুদ আলীসহ আগের মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী।

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী উনার পছন্দমত যোগ্য সৎ আদর্শবাদন ব্যক্তিদের নিয়েই কেবিনেট করেন।

"আমার মনে হয় তিনি সেজন্যই করেছেন ও ভালোই করেছেন"।

মিস্টার আহমেদ বলেন, "আমি ৭২ সাল থেকে প্রতিমন্ত্রী, ৯৬এ মন্ত্রী ছিলাম। নির্বাচনকালীন সরকারে শিল্প ও গৃহায়ন এবং পরে আবার বানিজ্যমন্ত্রী ছিলাম। সুতরাং আমরা যারা পুরনো নতুনদের তো জায়গা দিতে হবে। একসময় তো যেতে হবে"।

২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। এর আগে ১৯৯৬ সালে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।