মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে তথ্যচিত্র, শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক

মাইকেল জ্যাকসন ছবির কপিরাইট Steve Granitz
Image caption দুনিয়া মাতিয়েছিলেন এই পপ তারকা।

জনপ্রিয় পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসন মারা গেছেন প্রায় দশ বছর আগে।

মৃত্যুর এত বছর পরও তাকে নিয়ে এখনো বিতর্কের সৃষ্টি হচ্ছে।

এবারের বিতর্কের জন্ম একটি তথ্যচিত্রকে ঘিরে।

একসময় দুনিয়া মাতানো এই সঙ্গীত শিল্পিকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র 'লিভিং নেভারল্যান্ড' এই মাসেই প্রথম প্রদর্শনী হবে সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে।

কিন্তু তার আগেই সেটি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

এই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে যে 'মাইকেল জ্যাকসন শিশুদের যৌন নিপীড়ন করতেন।'

যে অভিযোগ এর আগেও অনেকবার উঠেছে।

তবে এই তথ্যচিত্রে তার কাছে যৌন নিপীড়নের শিকার বলে দাবি করছেন এমন দুজনের সাক্ষাৎকার রয়েছে।

যাতে দেখা গেছে দুই জন পুরুষ বলছেন, তাদের বয়স যখন সাত ও দশ বছর তখন মাইকেল জ্যাকসন দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তারা।

দুজনের বয়স এখন তিরিশের কোঠায়।

ছবির কপিরাইট Michael Caulfield Archive
Image caption তার বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নতুন নয়।

১৩ বছর বয়সী এক কিশোর জ্যাকসনের কাছে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এমন অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ২০০৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ একবার 'নেভারল্যান্ড' নামে পরিচিত তার খামারবাড়িতে তল্লাসি চালিয়েছিলো।

এই খামারবাড়িটির নামেই তথ্যচিত্রটির নামকরণ।

এই অভিযোগে সেই সময় মাইকেল জ্যাকসনকে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছিলো।

আরো পড়ুন:

আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে: মাইকেল জ্যাকসনের মেয়ে

যেভাবে সঙ্গীতজগত বদলেছেন মাইকেল জ্যাকসন

তবে ২০০৫ সালে তাকে এই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত।

'লিভিং নেভারল্যান্ড' তথ্যচিত্রে বর্ণনা করা হয়েছে যে, 'জনপ্রিয়তাকে ঘিরে তার যে ক্ষমতা তৈরি হয়েছিলো, তারকাদের ঘিরে শিশুদের মনে যে ধরনের চরম উন্মাদনা তৈরি হয়, মাইকেল জ্যাকসন সেটির অপব্যবহার করতেন, ছলচাতুরীর অবলম্বন করতেন।'

ছবির কপিরাইট CARL DE SOUZA
Image caption তার পরিবার এমন দাবিকে কুরুচিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে।

দুই পর্বের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেছেন ড্যান রিড।

এটি তৈরির পেছনে রয়েছে এইচবিও ও চ্যানেল ফোর-এর মতো বড় বড় নাম।

মি. রিড, এইচবিও ও চ্যানেল ফোর যৌথভাবে তথ্যচিত্রটির প্রযোজক।

মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার এই তথ্যচিত্রের দাবিকে 'কুরুচিপূর্ণ' বলে উল্লেখ করেছে।

এক বিবৃতিতে তথ্যচিত্রটি দিয়ে মাইকেল নামটিকে অপব্যবহারের এক 'জঘন্য চেষ্টা' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৯ সালে জুন মাসের ২৫ তারিখ কয়েকটি ঔষধের অতিরিক্ত বা ভুল প্রয়োগে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু হয়েছিলো।

অন্যান্য খবর:

বাংলাদেশের অর্থ চুরি:ফিলিপিন্স ব্যাংক কর্মকর্তার জেল

বাংলাদেশে সোশাল মিডিয়ায় নজরদারী যে কারণে বাড়ছে

গণতান্ত্রিক দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ: ইকোনমিস্ট