তাদের আমার ঘরের সামনে কবর দিসি যেন কাছে থাকে
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

নেপাল বিমান দুর্ঘটনা: যে ক্ষত এখনো শুকায়নি

বিশাল বাড়িতে একাকী দিন পার করছেন প্রিয়কের মা ফিরোজা বেগম। নেপালে বিমান দুর্ঘটনার পর একমাত্র ছেলে আর নাতনিকে হারিয়ে পুরোপুরি একা হয়ে পড়েছেন তিনি। ঘরের পাশে কবর দিয়েছেন ছেলে এবং নাতনির; যেন সারাদিন দরজায় বসে তাদের কবর দেখতে পারেন।

স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি এখন বিলিয়ে দিচ্ছেন মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানা নির্মাণে। কারণ ভবিষ্যৎ বংশধর তো কেউ নেই কার জন্য রেখে যাবেন এই সম্পদ। দুর্ঘটনার পর এভাবেই চলছে প্রিয়কের মা ফিরোজা বেগমের জীবন।

অন্যদিকে স্ত্রী শশীকে নিয়ে নেপালে বেড়াতে যাচ্ছিলেন কার্ডিয়াক সার্জন ডাক্তার রিজওয়ানুল হক শাওন। দুর্ঘটনায় নিজে বেঁচে গেলেও হারিয়েছেন স্ত্রীকে। আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন নেপাল, সিংগাপুর ও ঢাকায়। মাত্র কয়েকমাস আসে বাসায় ফিরেছেন, থাকতে হয় নির্দিষ্ট একটি তাপমাত্রায়।

বেঁচে ফিরে এলেও আর কোনদিন অপারেশান টেবিলে গিয়ে রোগীর সার্জারী করতে পারবেন না ডাক্তার শাওন। নেপালে ইউএস বাংলা বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পর কেমন আছে ক্ষতিগ্রস্থরা তার খোঁজ নিয়েছিলেন বিবিসির শাহনেওয়াজ রকি।

আরো পড়ুন:

ডাকসুতে ছাত্রলীগের শোভন পরাজিত, নুরুল ভিপি

নেপালের রিপোর্টে দায়ী ইউএস বাংলার পাইলট

কী করে ফাঁস হলো এটিসি আর পাইলটের কথোপকথন?

দীর্ঘশ্বাসে ভারী আর্মি স্টেডিয়ামের বাতাস

'তখন সবাই ভয়ে চিৎকার করছিল আর দোয়া পড়ছিল'