ব্রেক্সিট: আবারো হারলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে

ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে দীর্ঘ দেন-দরবার করে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে খসড়া চুক্তি তিনি চূড়ান্ত করেছিলেন, সেটির প্রতি সমর্থন আদায়ে দ্বিতীয়বারের মতো তা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংসদের সামনে পেশ করেছিলেন তিনি।

কিন্তু সেটি ৩৯১-২৪২ ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে সংসদে। অর্থাৎ ১৪৯ ভোটের বিশাল ব্যবধানে হেরে গেছে টেরিজা মে'র খসড়া চুক্তি।

এর আগে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে তার প্রথম প্রয়াস চরম ব্যর্থ হয়েছিল।

প্রথমবার যে ব্যবধানে তার চুক্তিটি তখন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, তার নজির ব্রিটিশ সংসদে নেই। তার নিজের রক্ষণশীল দলেরই ১১৮জন এমপি ঐ চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।

তারপর গত কয়েক সপ্তাহ ইইউ নেতাদের সাথে নতুন দেন-দরবার করে কিছুটা পরিবর্তিত আকারে চুক্তিটি আবার সংসদে এনেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রেক্সিটের পর উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের মধ্যে অবাধে পণ্য এবং মানুষের যাতায়াত অব্যাহত রাখা নিয়ে যে আপত্তি অনেকে করছিলেন, সেখানে ইইউ থেকে তিনি কিছু ছাড় পেয়েছেন।

কেন ব্রেক্সিট নিয়ে নাকাল ব্রিটেন

এক রাতেই কীভাবে বদলে যেতে পারে ব্রিটেন

একের পর এক দেশ নিষিদ্ধ করছে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স

ডিটারজেন্ট 'সার্ফ এক্সেল' কি হিন্দু-বিরোধী?

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ব্রেক্সিটের বিপক্ষে লন্ডনে সমাবেশ

বলা হচ্ছে, এই দুই ভূখণ্ডের মধ্যে অবাধ যাতায়াত হবে সাময়িক।

তবে প্রধানমন্ত্রী বলছেন এখন এমপিরা আরেকটি ভোট দেবেন যে কোন চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাজ্যের ইইউ থেকে বেরিয়ে আসা উচিত কি-না তার ওপর।

এবং সেটিও না হলে ব্রেক্সিট বিলম্বিত করা উচিত কি-না।

তবে লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন বলছেন প্রধানমন্ত্রীর এখন উচিত সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করা।

এবার নিজের রক্ষণশীল দলের ৭৫ জন তার প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন যে সংখ্যা প্রথমবারের ভোটের সময় ছিলো ১১৮।

এর আগে এমপিদের সতর্ক করে টেরিজা মে বলেছিলেন যে তার প্রস্তাবে সমর্থন না দিলে সেটি ব্রেক্সিট না হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কিন্তু এতো কিছুর পরেও প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে ব্যর্থ হলেন তিনি।